পল্লী উন্নয়নের পথিকৃৎ বার্ড

ঢাকা, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৭

পল্লী উন্নয়নের পথিকৃৎ বার্ড

খোলা কাগজ ডেস্ক ২:৩৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৯, ২০২০

print
পল্লী উন্নয়নের পথিকৃৎ বার্ড

তৃণমূল মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)। গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করা বার্ড কুমিল্লার একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে। উন্নত প্রশাসনিক কাঠামো বিনির্মাণ, সমবায় ও  উৎপাদন পদ্ধতি উদ্ভাবনে বার্ড বিভিন্ন পরীক্ষামূলক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। কুমিল্লার বার্ড থেকে ফিরে প্রতিবেদন তৈরি করেছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আলতাফ হোসেন

তৃণমূল মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে বার্ড একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেয়। গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করা বার্ড কুমিল্লার একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে। গত ছয় দশকে প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণার মাধ্যমে পল্লী উন্নয়নে বিভিন্ন মডেল ও কর্মসূচি উদ্ভাবন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে বার্ডে সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও সাইনবোর্ড, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বার্ড সূত্র জানায়, বাংলাদেশে বার্ড উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা বাস্তবায়ন করে। বিভিন্ন বিষয়ে ৮৫০টিরও বেশি গবেষণা পরিচালনা করা হয়েছে। দীর্ঘ সময়ে পল্লী উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ে চার লাখের অধিক মানুষকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। একবিংশ শতাব্দীর চাহিদা বিবেচনায় তথ্যপ্রযুক্তির সফল প্রয়োগে পল্লী উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

জাতীয় পরিসর ও বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে দ্রুত পরিবর্তনের জন্য বার্ড আরও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছে। আখতার হামিদ খানের দূরদৃষ্টির ফসল ‘কুমিল্লা মডেল’ দেশের পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী পরিবর্তনের সূচনা করে। প্রান্তিক মানুষকে একত্রিত করে তাদের পুঁজি গঠন, সমস্যা সমাধান, গ্রাম উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বার্ড। বিশেষত গ্রামীণ উন্নয়ন, নারীর কর্মসংস্থান, কৃষি উন্নয়ন এগুলোর ওপর গবেষণা ও সঙ্গে সঙ্গে প্রায়োগিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

পাশাপাশি উন্নত জাতের ডেইরি ফার্ম, মৎস্য চাষ ও ফল বাগানে সমৃদ্ধ বার্ড। এসব বিষয়ে বার্ড থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন অনেকেই। বার্ডের সাম্প্রতিক উদ্ভাবিত মডেল ‘সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি’ জাতীয় কর্মসূচি আকারে বাস্তবায়ন করছে সরকার।

উন্নততর প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কাঠামো বিনির্মাণ, সমবায় ও উৎপাদনের নানা পদ্ধতি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে বার্ড বিভিন্ন পরীক্ষামূলক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির এ সব প্রকল্পে জড়িত সাধারণ গ্রামবাসী ও স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি কর্মকর্তারা।

ড. আখতার হামিদ খান

ড. আখতার হামিদ খান ১৫ জুলাই ১৯১৪ সালে ভারতের আগ্রায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উন্নয়নকর্মী ও সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে অংশীদারিত্বমূলক পল্লী উন্নয়নের বিস্তার ঘটিয়েছেন। তার বিশেষ অবদান ছিল পল্লী উন্নয়নে ১৯৫৯ সালে সমন্বিত প্রকল্প প্রতিষ্ঠা। এটি ‘কুমিল্লা মডেল’ হিসেবে সুপরিচিত।

এ ছাড়াও তিনি পল্লী জনগোষ্ঠী ও শহরের বস্তিবাসীর উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করেন। যা ক্ষুদ্রঋণ থেকে আত্মকর্মসংস্থান এবং বাসস্থান থেকে পরিবার পরিকল্পনা পর্যন্ত পরিচালনা করা হয়েছিল। আখতার হামিদ খানের নেতৃত্বের দক্ষতা শুধু তার কর্মকালে প্রেরণার উৎস ছিল না। বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাসহ অন্যান্য অংশীদারিত্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ও  প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে।

ড. আখতার হামিদ খানের বিভিন্ন পেশায় পদচারণা ছিল। তিনি কাজ করেছেন ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস এ আইসিএস অফিসার হিসেবে, বিভিন্ন মাদ্রাসা ও কলেজে প্রভাষক হিসেবে।

কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। ড. আখতার হামিদ খান ৯ অক্টোবর ১৯৯৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন।

যেভাবে শুরু

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কুমিল্লার কোটবাড়িতে যাত্রা শুরু করে। সে সময় একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন প্রখ্যাত পল্লী উন্নয়ন গবেষক ড. আখতার হামিদ খান। গ্রামের অবহেলিত জনমানুষের সমস্যাসহ গ্রামের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার লক্ষ্যে পাকিস্তান একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (পার্ড) প্রতিষ্ঠিত হয়। ড. আখতার হামিদ খান কুমিল্লা প্রকল্পে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত নিয়োজিত ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্ড বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (বার্ড) নামে পরিচিত হয়।

অবস্থান

কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে, কোটবাড়িতে অবস্থিত। বার্ড-এর পাশে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট, কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, ময়নামতি অবস্থিত। ১৫৬ একর এর বিশাল এলাকাজুড়ে অবস্থিত। এর মাঝে আছে রাস্তা, একটি বিশাল খেলার মাঠ, দুটি মসজিদ, ৩টি দর্শনীয় স্থান, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ভবন, ২টি পুকুর, অফিসিয়াল ভবনসহ অনেক কিছু। এলাকার বিশাল একটা অংশজুড়ে রয়েছে বাগান। প্রায় সকল প্রকার দেশীয় উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায় বার্ডে।

পর্যটনে জনপ্রিয়তা

যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহল ছেড়ে কিছুটা দূরে, মুক্ত পরিবেশে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস, নির্মল হাওয়া, প্রকৃতির স্নিগ্ধ স্পর্শের খোঁজে বার্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে আসেন অনেকেই। মূল ক্যাম্পাসের ভবনগুলোর ফাঁকে ফাঁকে রয়েছে দুর্লভ প্রজাতির ফুল ও ফলের গাছ। পুরো এলাকায় শান্ত পরিবেশ। বার্ড গাছপালায় আবৃত ও পাহাড় দিয়ে ঘেরা নীলাচল, বনশ্রী ও কুঁড়েঘরÑ তিনটি দর্শনীয় স্থান। পাহাড়ের মাঝখানে অনিন্দ্য সুন্দর বনকুটির, নীলাচল পাহাড়। নির্জন প্রকৃতির অকৃত্রিম ভালো লাগার জায়গা এ নীলাচল। পুরো বার্ডে সবুজের সমারোহ। রয়েছে পাখির কিচির-মিচির।

সাধারণ মানুষের কাছে বার্ড একটি পিকনিক স্পট ও বিনোদন কেন্দ্র। এখানে পিকনিক ও বিনোদনের সব ব্যবস্থাসহ ভেতরে রয়েছে পাহাড়, নানারকম গাছগাছালি, বোটানিক্যাল গার্ডেন, কয়েকটি টিলা। রয়েছে বনমালঞ্চ নামে একটি সুন্দর ভিআইপি পিকনিক স্পট, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ক্লাসরুম ও ট্রেনিং সেন্টার, কনফারেন্স কক্ষ, গ্রন্থাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়। খাবারের জন্য ভালো মানের ক্যাফেটেরিয়া।

প্রশিক্ষণ

বার্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পল্লী উন্নয়ন কর্মকা- বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারি সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা এবং গ্রামীণ সংগঠন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা। প্রতি বছর বিভিন্ন পর্যায়ের ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) অংশগ্রহণকারী ১২০ থেকে ১৫০টি দলে বার্ডে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকেন।

বার্ডের নিজস্ব উদ্যোগে পল্লী উন্নয়ন সংক্রান্ত কোর্সের মধ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থাপনা, জেন্ডার এবং উন্নয়ন, প্রকল্প পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা, গবেষণা পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন, সেচ এবং ভূমি-ব্যবহার ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ, মানসম্মত শিক্ষাদান পদ্ধতি ও কৌশল, উন্নয়ন যোগাযোগ, অংশগ্রহণধর্মী গ্রামীণ সমীক্ষা, গ্রামীণ শিল্প পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা, মন মানসিকতার পরিবর্তন, দল গঠন ও নেতৃত্ব উন্নয়ন, গ্রামীণ স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা এবং প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স।

গবেষণা

গ্রামীণ এলাকার সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচিগুলোর ফলাফল নিরূপণের লক্ষ্যে একাডেমি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। একাডেমি প্রতি বছর গড়ে ২০টি গবেষণা ও মূল্যায়ন কাজ পরিচালনা করে। বার্ড বিভিন্ন প্রকাশনার মাধ্যমে গবেষণার ফলাফল, সেমিনার, কর্মশালা ও সম্মেলনে গৃহীত সুপারিশগুলো প্রচার করে। প্রকাশনাগুলোর মধ্যে আছে গবেষণা প্রতিবেদন, ষান্মাসিক জার্নাল, ত্রৈমাসিক ইংরেজি ও বাংলা নিউজলেটার, বিভিন্ন কার্যক্রম এবং প্রশিক্ষণ কোর্স, কর্মশালা ও সম্মেলনভিত্তিক পুস্তিকা ও হ্যান্ডবুক। বার্ড বাংলাদেশে পল্লী উন্নয়নবিষয়ক প্রকাশনার ক্ষেত্রে একটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান।

স্বাধীনতা পুরস্কার অর্জন

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান ১৯৬৩ সালে র‌্যামন মেগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হন। পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মডেল উদ্ভাবনের মাধ্যমে গৌরবময় অবদান ও কীর্তির স্বীকৃতিস্বরূপ একাডেমি ১৯৮৬ সালে জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কার অর্জন করে।

জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ কর্তৃক ১৯৭৬ সনে কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলার ৩টি সদর থানায় পরীক্ষামূলকভাবে ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীন শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্প কার্যক্রম শুরু করা হয়। বার্ড কর্তৃক পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমেই দেশে সর্বপ্রথম জামানতবিহীন

প্রায়োগিক গবেষণা

প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা একাডেমির অন্যতম কাজ। একাডেমি প্রতিষ্ঠালগ্নে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কুমিল্লা সদর উপজেলার গ্রামগুলোকে সামাজিক গবেষণাগার হিসেবে ব্যবহার করেছে। উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বার্ড প্রতি বছর গড়ে ৫টি পরীক্ষামূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বর্তমানে সারা দেশে একাডেমির পরীক্ষামূলক প্রকল্প কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে। একাডেমি ভবিষ্যতে আরও নতুন এলাকায় এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য আশাবাদী।

সাপোর্ট সার্ভিস সুবিধা

বার্ড গ্রন্থাগার বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীদের ব্যবহারের জন্য পল্লী উন্নয়ন সম্পৃক্ত পুস্তক, জার্নাল ইত্যাদিতে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বর্তমানে এটি কম্পিউটারাইজড। গ্রন্থাগারের সংগ্রহ প্রায় ষাট হাজার এবং ক্রয়কৃত নিয়মিত জার্নালের সংখ্যা প্রায় একশত। তথ্যায়ন শাখা পল্লী উন্নয়নবিষয়ক তথ্য নিয়মিতভাবে সংগ্রহ করে ও তথ্য সেবা প্রদান করে।

বার্ডে রয়েছে সমৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব। কম্পিউটার ল্যাবটি আগত প্রশিক্ষণার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের কাজে ব্যবহার করা হয়। একাডেমির সবকটি সম্মেলন কক্ষ, শ্রেণিকক্ষ এবং মিলনায়তনে রয়েছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর।

একাডেমির প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলো আবাসিক। আবাসনের জন্য একাডেমিতে ৭টি হোস্টেলে একই সময়ে ৩৯১ জনের থাকার ব্যবস্থা আছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা অনুষ্ঠানের জন্য একাডেমিতে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সম্মেলন কক্ষ, অতিথিশালা, কটেজ, ক্যাফেটেরিয়া। বিভিন্ন সেবা ও সুবিধাদির মধ্যে রয়েছে মেডিকেল সেন্টার, মসজিদ, লনটেনিস, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, ব্যাস্কেটবল, ফুটবল, ক্রিকেট ও বিভিন্ন ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা। মানসম্পন্ন এসব সুবিধার জন্য বার্ডের রয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সুখ্যাতি।