ক্ষুদ্রতম মসজিদ

ঢাকা, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বগুড়া

ক্ষুদ্রতম মসজিদ

টিএম মামুন ২:৩১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯

print
ক্ষুদ্রতম মসজিদ

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অন্যতম বৃহত্তম রেলওয়ে জংশন বগুড়ার সান্তাহার। এ শহর থেকে মাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার দুরে অবস্থিত তারাপুর এবং সামান্য দুরে অবস্থিত মালশন গ্রাম। গ্রাম দুইটিতে রয়েছে দেশের সবচেয়ে ছোট দুইটি মসজিদ। মসজিদ দুইটির একটিতে এক সঙ্গে তিনজন এবং অপরটিতে পাঁচজন নামাজ আদায় করতে পারেন।

একথা নিশ্চিত করে বলা যায়, এর চেয়ে ছোট কোন মসজিদের সন্ধান আজও দেশের কোথাও মেলেনি। একটা থেকে অপরটির দূরত্ব প্রায় আধাকিলোমিটার। মসজিদ দুইটির বাইরের অংশ অনেকটা একই রকম। মসজিদ দুইটির ভেতরে জায়গা এতটাই কম যে, সর্বোচ্চ তিনজন মুসল্লীর বেশী একসঙ্গে নামাজ আদায় করা কঠিন। তারপুর মসজিদটির উচ্চতা প্রায় ১৫ ফুট, দৈর্ঘ্য-প্রস্থ্য প্রায় সমান ৮ ফুট। চুন-সুরকীর মাধ্যমে কিছুটা ভাঙা জাতের ইট দিয়ে তৈরী দেয়ালের পুরত্ব হবে দেড় ফুট এবং মসজিদের দরজার উচ্চতা ৪ ফুট ও চওড়া দেড় ফুট। মালশন গ্রামের মসজিদটির দের্ঘ্য, প্রস্থ্য ও উচ্চতায় তারাপুর মসজিদের চেয়ে সামান্য কিছুটা বড় হলেও নির্মাণ শৈলী একই ধরনের। মসজিদের দরজায় দুইটি রাজকীয় নিদের্শনা আছে।

এছাড়া মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন সম্বলিত মিনার, দরজায় রাজকীয় নকশা এবং মসজিদটির মেহরাবই প্রাচীন ঐতিহ্যের স্বাক্ষ্য বহন করে। গম্বুজের উপরে রয়েছে মিনার, যা অনেক আগেই ভেঙে পড়ে গেছে। দরজার খিলান, ভেতরের মিম্বার ও বাহিরের মেহরাবই বলে দেয় যে স্থাপনা দুইটি মসজিদ। প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩’শ বছর আগের কথা।