ওরা আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ওরা আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ

আলতাফ হোসেন ১২:৫৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০১৯

print
ওরা আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ

অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল।

সম্প্রতি জাতিসংঘ সদর দফতরে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণপূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ‘শুভেচ্ছা দূত’ পুতুল একথা বলেন।

তিনি বলেন, অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের সফল, ক্ষমতায়িত ও কর্মক্ষম ব্যক্তিতে পরিণত করতে আমাদের সমন্বিত ও সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে হবে। জাতিসংঘ সদর দফতরের ইকোসক চেম্বারে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ আয়োজিত ‘অটিজম আক্রান্ত নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায়ও তিনি অংশ নেন।

সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের প্রতিষ্ঠান ‘সূচনা ফাউন্ডেশন’ বাংলাদেশ সরকার ও এনজিওদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারসহ অন্যান্য ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কল্যাণে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ বলেন, সবারই সমাজে সমানভাবে এবং সম্মানের সঙ্গে বসবাস করার অধিকার রয়েছে।

অটিজম আক্রান্তদের বিশেষ করে মেয়ে ও নারীদের সব ধরনের সুযোগ দিতে হবে, যা তাদের প্রয়োজন। ইভেন্টটিতে ‘অ্যাবলিজম, সেক্সিজম, রেসিজম...হাউ দে ইন্টারসেক্ট বিষয়ে প্রথম প্যানেলে প্যানেলিস্ট বক্তব্য প্রদানকালে তিনি অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের যেসব সামাজিক ও পারিবারিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

অটিজমের শিকার নারীদের বিভিন্ন বৈষম্য ও তাদের প্রতি গতানুগতিক সামাজিক ও পারিবারিক ধারণার কথা, তাদের নাজুক পরিস্থিতি এবং পরিবারের সদস্যসহ আশপাশের মানুষের দ্বারা নিগ্রহ ও নির্যাতনের বিষয়গুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, অটিজম আক্রান্ত নারী ও মেয়েরা নানাবিধ সীমাবদ্ধতার কারণে নিজেদের একান্ত চাওয়া-পাওয়ার কথাও ঠিকমতো বোঝাতে পারেন না।

এসব নারীর বিবাহ ও দাম্পত্য জীবনসহ প্রাত্যহিক জীবনযাপনের বিষয়ে পর্যাপ্ত ব্যবহারিক শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ সৃষ্টির ওপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি তারা যাতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের অন্তর্নিহিত শক্তি ও সম্ভাবনার প্রকাশ ঘটাতে পারে সেই সুযোগ সৃষ্টির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।