অন্ধকার থেকে আলোর পথে যত অর্জন

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৫ আশ্বিন ১৪২৬

অন্ধকার থেকে আলোর পথে যত অর্জন

বাতিঘর ডেস্ক ১:১৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৯

print
অন্ধকার থেকে আলোর পথে যত অর্জন

সোনার বাংলা চিলড্রেন হোম প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪০ জন শিক্ষার্থী যার মধ্যে ২১ জন ছেলে ও ১৯ জন মেয়ে প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় পেরিয়ে সফলতার সঙ্গে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। বর্তমানে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিশু রয়েছে ২৩ জন। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে ৪২ জন। এইচএসসিতে চারজন, বিএ/বিএসসি একজন ও বিএ (সম্মান) একজন কৃতিত্বের সঙ্গে অধ্যয়ন করছেন।

এ ছাড়া ডিপ্লোমা ছেলে-মেয়েসহ পাঁচজন, ডিপ্লোমা (কৃষি) তিনজন, ডিপ্লোমা (নার্সিং) মেয়ে তিনজন, বিএসসি (নার্সিং) একজন, বিএসসি (কৃষি) ছেলে-মেয়ে মিলে তিনজন এবং বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে দুইজন অধ্যয়ন করছেন। ওবায়দুল ও বন্যা নামের দুইজন মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করেছেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল ও ভারতে অনুষ্ঠিত মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় একাধিকবার অংশগ্রহণ করেছেন হোমের শিক্ষার্থীরা। তারা জয় করে এনেছে একাধিক পুরস্কারও। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে সবাইকে টপকে পুরস্কার জিতেছে শিশু-কিশোররা।

এ ব্যাপারে হোমের কালচারাল অফিসার রতন দত্ত বলেন, আমি প্রায় ১৮ বছর ধরে এখানে দায়িত্ব পালন করে আসছি। শুধু আর্থিকভাবে লাভবান নয়- অন্যরকম এক অনুভূতি কাজ করে। নাচ, গান, অভিনয়, আবৃত্তি, ভায়োলিন, তবলাসহ সব বিষয়ে ওরা পারদর্শী।

আর পড়ালেখা শেষ করে সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, শিক্ষকতা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, নার্স ও ড্রাইভিংসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে ৩২ জন। শিক্ষাজীবন শেষ করার পর সোনার বাংলা চিলড্রেন হোমের ১৪ জন মেয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। অন্যদিকে হোমের চারজন ছেলে আবদ্ধ হয়েছেন বিবাহবন্ধনে। হোমের ভেতরেই বিয়ের আয়োজন করা হয়।

বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় খুবই ধুমধামের সঙ্গে। প্রতিটি বিয়ের অনুষ্ঠানেই সমাজের মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্তদের দাওয়াত করা হয়। স্বর্ণালংকার, খাওয়া-দাওয়া, শাড়ি ও পোশাকসহ স্বাভাবিকভাবেই সব ব্যয় বহন করে সোসাইটি ফর সোসাল সার্ভিস।