স্মৃতিতে ১৫ আগস্ট

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৫ আশ্বিন ১৪২৬

স্মৃতিতে ১৫ আগস্ট

ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০১৯

print
স্মৃতিতে ১৫ আগস্ট

ধন ধান্য পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা। সাড়ে পাঁচ হাজার বছরের পুরাতন হরপ্পা-মহেঞ্জোদারো সভ্যতার উৎকর্ষতা কালের বিবর্তনে সারা বিশ্বে সুনামের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছিল। এর সংস্কৃতি, সম্পদ, শিল্প, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবই ছিল উচ্চমানের। সেজন্য বিভিন্ন সময়ে এ ভূমি বাণিজ্যের উৎকৃষ্ট স্থান হয়েছিল। বিভিন্ন আগ্রাসী শক্তি বারবার এ ভূমির সম্পদ লুণ্ঠনে ও ক্ষমতা দখলে তৎপর হয়েছে এবং ফলস্বরূপ শোষণও করেছে বিভিন্ন সময়ে। শেষ দুটি শোষক গোষ্ঠী ছিল ইংরেজ ও পাকিস্তানি ।

বাংলার বহু সন্তান ও রাজনীতিবিদ শোষণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন, জীবন দিয়েছেন, পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে এ ভূমিকে রক্ষা করার জন্য। সর্বশেষ পাকিস্তানিরা যখন নানা কায়দায় পূর্ব পাকিস্তান তথা পূর্ব বাংলাকে শোষণ করছিল, তখনই এক ত্রাণ কর্তার জন্ম হয় এ বঙ্গে। এদেশের জনগণের মায়ের ভাষা বাংলাকে হরণ করা, এদেশের সম্পদ নানা উপায়ে লুণ্ঠন করা, জনগণের অধিকার হরণ করা, চাকরির ক্ষেত্রে বঞ্চিত করা, বাঙালিদের নানাভাবে অবদমিত করে পরাধীন এক জাতিতে পরিণত করার কাজে যখন পাকিস্তানিরা লিপ্ত ছিল ঠিক তখনই সে ত্রাণকর্তা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি জেগে ওঠে এবং মহাসংগ্রামের শুরু হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা, ১৯৬৯ সালের ১১ দফার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এসবই বঙ্গবন্ধুর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও নির্দেশনায় পরিচালিত হয়। ৩০ লাখ শহীদ ও ৩ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় কোটি কোটি লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে নয় মাসে দেশকে স্বাধীন করেন।

১৯৭৫ সাল। এইচএসসি পাস করে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। থাকতাম মানিকগঞ্জে মহকুমা পশুপালন কর্মকর্তা কাকা ডা. মিনহাজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। দিনটি ছিল শুক্রবার। ১৫ আগস্ট। খুব ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখলাম কাকার বিষণ্ন মুখ, প্রিয়জন হারানোর বেদনায় বিমর্ষ, তিনি কাঁদছেন আর রেডিওর সংবাদ শুনছেন। রেডিওতে ততক্ষণে মেজর ডালিমের কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে : ‘আমি মেজর ডালিম বলছি, শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে! বলে কী? এ-ও হতে পারে? পাকিস্তানি জালেমরা অনেক ষড়যন্ত্র করে, বিচারের নামে প্রহসন করে যাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতে চেয়ে সফল হতে পারেনি, তারই স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে-এটা বিশ্বাস হচ্ছিল না।

পনেরোই আগস্ট ছিল আমাদের জাতির জন্য সত্যিই একটি বিয়োগান্তক ঘটনা। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে আমাদের স্বাধীনতার বিজয়ের মূলে আঘাত করা হয়েছিল। একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রত্যক্ষ সহযোগী হিসেবে এ মৃত্যুকে কোনোভাবে মেনে নিতে পারছিলাম না। মানসিকভাবে আরেকটা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে লাগলাম। কোথাও কোথাও বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ হলেও তা আর বেশি দূর যেতে পারেনি। শেষ ভরসা ছিল সাভার রক্ষী বাহিনীর ক্যাম্প। কিন্তু বিদ্রোহীদের অনুগতরা সাভার ক্যান্টনমেন্ট থেকে গিয়ে রক্ষী বাহিনীর সেনাদের অবরোধ করে ফেলেছিল। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে কেউ মেরে ফেলতে পারে সেটা যেমন ছিল ভাবনার বাইরে, তেমনি তাকে হত্যা করলে কী করণীয় সেটাও যেন কারও ভাবনার মধ্যেই নেই। সেদিন আশা করেছিলাম অনেক নেতা প্রতিবাদ করবে, কিন্তু ঘটনা ঘটল তার উল্টো। জাতীয় চার নেতা তাজউদ্দিন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং তোফায়েল আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক ছাড়া অনেকেই মন্ত্রিসভায় শপথ নিয়েছিল।

১৫ আগস্টের মাত্র ৩-৪ দিন পর দেখেছি সর্বত্র নামকরা রাজাকারদের উত্থান, দেখেছি তাদের আক্রমণে কী করে নির্যাতিত হয়েছিল স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন। মনে আছে এখনো, হোমনা থানা আওয়ামী লীগ নেতা দক্ষিণ ইউনিয়নের তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও নিলখী ইউনিয়নের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রুক্কু মিয়াকে হত্যা করা হয়েছিল। এটা শুধু একটি এলাকার কথা তুলে ধরলাম, এভাবে সারা দেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগকে নিঃশেষ করার জন্য খুনিরা মেতে উঠেছিল। যা বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ ধরে চলছিল। তাদের নির্যাতনের ভয়ে এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছিল, তাদের অপরাধ ছিল তারা মুক্তিযোদ্ধা। দেখেছিলাম কী করে রাতারাতি ভারত বিদ্বেষী উসকানিমূলক কর্মকা-, ভারতীয় কোনো পণ্যের জন্য স্থানীয় হিন্দুদের বাসা-বাড়িতে তল্লাশির নামে নির্যাতন চলে।

নিজের অজান্তেই সেই ১৫ আগস্টের ইতিহাসের ভয়াবহ কলঙ্কিত ভোর আমার বিবেককে দংশন করেছিল, আমার যৌবনের দুঃসহ স্মৃতি আমাকে পীড়িত করে আমার মনে যে ক্ষত তৈরি হয়েছিল তা থেকেই আমাকে ধাবিত করেছিল সেদিনের সেই শোককে শক্তি হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবার ফলে ক্রমান্বয়ে সত্যিকারের বঙ্গবন্ধু প্রেমিক হয়ে ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে শিক্ষক রাজনীতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলার কারণে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। নানা অত্যাচার-হয়রানির শিকার হয়েও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিন্দু পরিমাণ বিচ্যুত হইনি।

খুনিদের বাঁচানোর জন্য ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্ব- ঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন। ‘দি বাংলাদেশ গেজেট, পাবলিশড বাই অথরিটি’ লেখা অধ্যাদেশটিতে খন্দকার মোশতাকের স্বাক্ষর আছে। মোশতাকের স্বাক্ষরের পর অধ্যাদেশে তৎকালীন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এইচ রহমানের স্বাক্ষর আছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর মোশতাক নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দেন। এরপর ক্ষমতায় আসে সামরিক শাসক মেজর জিয়া। সেদিন জিয়াউর রহমান ঘোষণা করেছিলেন, ৩ মাসের মধ্যে ব্যারাকে ফিরে যাবেন, কিন্তু এটি বাস্তবে হয়নি। তিনি হ্যাঁ-না ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি হন। যা ছিল একটি প্রহসনের নির্বাচন। ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশসহ চার বছরে সামরিক আইনের আওতায় সব অধ্যাদেশ, ঘোষণাকে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে আইনি বৈধতা দেন। এভাবেই মোস্তাক-জিয়া-খালেদা গং বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষা করার ষোলোকলা পূর্ণ করেন। শুধু তাদের রক্ষা করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা ওই খুনি চক্রের অনেককে ভালোভাবে পুরস্কৃত করেছিল। দিয়েছিল বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে গুরুত্বপূর্ণ পদ, কূটনীতিক পদ, মন্ত্রিত্ব, দেশদ্রোহী গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব। পাকিস্তানপন্থী শাহ আজিজুর রহমানকেও প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছিল।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কেবল শেখ মুজিবের দেহকেই বুলেটবিদ্ধ করা হয়নি, আঘাত করা হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর। তাদের লক্ষ্য ছিল শুধু বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করাই নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বাংলাদেশটাকেই ধ্বংস করে দেওয়া। তাই তো ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় একই বছরের ৩ নভেম্বর কারা অভ্যন্তরে হত্যা করা হলো বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর চার জাতীয় নেতাকেও। ’৭১-এর পরাজিত শক্তির প্রতিশোধ গ্রহণের যে প্রক্রিয়া সে সময় অঙ্কুরিত হয়েছিল তারই একটি ভয়ঙ্কর পরিণতি ঘটে ১৫ আগস্টে। ঘাতকরা স্বাধীন রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রা স্থবির করে দিয়েছিল। দেশের স্বাধীনতার চেতনাকে গলা টিপে উত্থান ঘটে মৌলবাদের তথা পাকিস্তানবাদের। রাতারাতি বাংলাদেশ বেতার হয়ে যায় রেডিও বাংলাদেশ, জয়বাংলা হয়ে যায় পাকিস্তান জিন্দাবাদ অনুকরণে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’।

১৫ আগস্টের দোসররা আজও সক্রিয়। আজ ২০১৯ সালের ১৫ আগস্ট। জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ও তার পুরো পরিবার এখনো সেই ১৫ আগস্টের দোসরদের কাছ থেকে নিয়মিত হত্যার হুমকি পাচ্ছেন। শুধু একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলাই নয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কখনো নিজ বাসভবনে, কখনো জনসভায় আবার কখনো তার গাড়িবহরে। এভাবেই বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল ঘাতকচক্র। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমত ও জনগণের আশীর্বাদে এখনো তিনি বহাল তবিয়তে দেশ ও জনগণের সেবা করে চলেছেন।

বায়ান্ন থেকে একাত্তর। বাঙালির মুক্তির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অধিকার আদায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিশে^র একমাত্র নেতা দেশ স্বাধীন করার আগেই যাকে ৭ কোটি মানুষ বসিয়েছিল জাতির পিতার আসনে। বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন, তা থেকে এদেশের মানুষকে বিচ্ছিন্ন করতেই ৭৫ এর ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড। জাতির জনককে যারা হত্যা করেছিল, আজকের এই দিনে জাতি ঘৃণাভরে তাদের প্রত্যাখ্যান করছে।

আমি এখনো স্বপ্নে বঙ্গবন্ধুকে দেখতে পাই, আমার গ্রামের বাড়িতে তিনি গিয়েছেন, আমাদের ঘরে খাবার খেয়েছেন, সবার খোঁজখবর নিচ্ছেন। তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গ্রেফতার করে, তার আগে স্বপ্নে দেখতে পাই বঙ্গবন্ধু নজরবন্দি, আমাকে বলেন, তুই আমার কাছে কাছে থাক, আরও স্বপ্নে দেখেছিলাম শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হবে। ১৫ দিন পরই তা ঘটেছিল। এ স্বপ্নের কথা আমার সহকর্মী প্রফেসর মো. শাদাত উল্লা, প্রফেসর ড. মো. হযরত আলী ও প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলামকে বলেছিলাম। এভাবে প্রায়ই জাতির পিতাকে বিভিন্ন আঙ্গিকে স্বপ্নে দেখি। এ বিষয়টি অনেকের কাছে বাহুল্য মনে হতে পারে। কিন্তু আমার কাছে অর্থপূর্ণ।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হবে এবং দেশপ্রেম ও সততা দিয়ে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে অবদান রাখবে। নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান, সত্যকে জানো, সত্য পথে চলো, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তার সুযোগ্য কন্যা কৃষকরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে ব্রতী হও। এ ব্রত নিয়ে আমরা এগিয়ে চলছি। ফলস্বরূপ দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৯০৯ মার্কিন ডলার। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। দেশ আজ স্বল্পোন্নত (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি লগ্নে সবাইকে আহ্বান জানাই মনে-প্রাণে কাজে-কর্মে তার আদর্শকে অনুসরণ করার। বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে দেশপ্রেম, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত একটি দেশ গড়তে হবে। তবেই জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে এবং তার রক্তের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ হবে। এদিনে জাতির পিতাসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শাহাদাত বরণকারী বঙ্গবন্ধু পরিবারের সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ
ভাইস-চ্যান্সেলর, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
kuahamed@yahoo.com