অভিযোগের শেষ নেই

ঢাকা, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

অভিযোগের শেষ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক ১২:৩২ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৯

print
অভিযোগের শেষ নেই

গ্রাহকের অজান্তে টাকা কেটে নেওয়া, বাণিজ্যিক খুদে বার্তা ও কল করে বিরক্ত করা, নেটওয়ার্ক সমস্যা, দ্রুতগতির ইন্টারনেট না থাকা, গ্রামে নিম্নমানের সেবা, রেডিয়েশন, কলরেট ও ইন্টারনেটের দামসহ বিভিন্ন বিষয়ে মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। বিটিআরসির গণশুনানিতে উত্থাপিত এসব অভিযোগ সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।

২০১৬ সালে আয়োজিত গণশুনানিতে ঠিক এই অভিযোগগুলোই তুলে ধরেন গ্রাহকরা। সেবারও মিলেছিল আশ্বাস। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি কিছুই। তাই এবারও বিটিআরসির আশ্বাসকে ফাঁকা বুলি মনে করছেন গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারীরা। গতকাল বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দ্বিতীয়বারের মতো এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ শুনে গণশুনানি কমিটির সভাপতি বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, ‘অনেক ধরনের অভিযোগের কথা শুনলাম। কিছু অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলোর অতিসত্বর জবাব দেওয়া হবে। অভিযোগগুলো নিশ্চয়ই কমিশন সমাধান করবে। কল সেন্টার সপ্তাহে পাঁচ দিন ছিল। এখন সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হবে। এ ছাড়া ফেসবুকসহ ওয়েবসাইটে অভিযোগ নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিটিআরসির রাজস্ব আয় ছিল তিন কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এখন রাজস্ব আয় ১০ হাজার কোটি টাকা। ভালো কাজ করতে গিয়ে কিছু সমস্যা হয়, সমস্যা একদিনে দূর হয়ে যাবে না, কেয়ামত পর্যন্ত সমস্যা থাকবে। আমরা কতটুকু এগোতে পারলাম সেটি বড় কথা।

বিটিআরসি প্রধান বলেন, অপারেটরদের সার্ভিসের বিষয়ে আমি নিজেও সন্তুষ্ট না, কেউ সন্তুষ্ট না। প্রযুক্তির ব্যাপারে কেউ কখনো সন্তুষ্ট হয় না। আজ এক প্রযুক্তিতে আছেন, কাল অন্য প্রযুক্তি। প্রযুক্তি চলতেই থাকবে, সমস্যা থাকবে সমস্যার সমাধানও হবে।

মোবাইলে বিজ্ঞাপন ও বিরক্তি উদ্রেককারী এসএমএসের অভিযোগ নিয়ে জহুরুল বলেন, আমিও বিব্রত হই। কীভাবে সমস্যা সমাধান হয়, সে ব্যাপারে অপারেটররা তৎপর হোন।