২১ লাখ অবৈধ সিম বন্ধ হল মধ্যরাতে

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯ | ৪ ভাদ্র ১৪২৬

২১ লাখ অবৈধ সিম বন্ধ হল মধ্যরাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৬, ২০১৯

print
২১ লাখ অবৈধ সিম বন্ধ হল মধ্যরাতে

একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে নিবন্ধন করা ১৫টির বেশি সিম থাকলে তা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ১২টার পর নিষ্ক্রিয় করা হয় এই সিমগুলো।। নির্ধারিত সংখ্যার বেশি দেশের সব অপারেটরের এমন প্রায় ২১ লাখ সিম ছিল বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে গ্রামীণফোনের চার লাখ ৬১ হাজার, বাংলালিংকের চার লাখ ৫৫ হাজার, রবি’র চার লাখ ১৯ হাজার এবং টেলিটকের চার লাখ ৮৭ হাজার সিম বন্ধ করা হয়। 

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের আগেই নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বিটিআরসির নির্দেশনায় ছিল- একই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি নিবন্ধিত সিম রাখা যাবে না। কিন্তু দেখা যায়, একই পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, এই সিমগুলো হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একজন গ্রাহকের নামে নিবন্ধন করা ১৫টির বেশির তালিকায় থাকা সিম। তবে করপোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে সেটা প্রযোজ্য হবে না।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, একজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অসংখ্য সিম কেনার ফলে অপরাধ প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। সেটা থেকে রক্ষা পেতে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করা হচ্ছে।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর সকল গ্রাহকের তথ্য বিটিআরসি'র কাছে রয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, একজনের এনআইডি দিয়ে কতটি সিম চালু করা হয়েছে।

বিটিআরসি তথ্য মতে, বিটিআরসি সর্বশেষ ব্যক্তি পর্যায়ে সিমের সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ধারণ করে দিয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন গ্রাহকের প্রি-পেইড, পোস্ট পেইড মোবাইল অপারেটর নির্বিশেষে সিম/রিমের সর্বমোট সংখ্যা ১৫ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে এই সীমার বাইরে কোনো গ্রাহক সিম নিবন্ধন করতে পারবেন না।

এসব সিম বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এসব সিম বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের আগেই নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।