ফ্রাইডেস ফর ফিউচার

ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

বিশ্বকাঁপানো জলবায়ুকন্যা

ফ্রাইডেস ফর ফিউচার

রোকেয়া ডেস্ক ২:৪৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০২, ২০১৯

print
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ‘ফ্রাইডেস ফর দ্য ফিউচার’ ট্রেন্ডের মাধ্যমে স্কুলগুলোতে বিক্ষোভের আয়োজন করেছেন গ্রেটা, যেটি প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ১৫ মার্চ। এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় মূলত জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে তার দেশ সুইডেনের নীরব ভূমিকার প্রতিবাদে।

১৫ মার্চের সফল ধর্মঘটের আগের দিনগুলোতে টানা ৩ সপ্তাহ তিনি নীরবে বেরিয়ে যেতেন ক্লাস থেকে। পরে তিনি প্রতি শুক্রবার এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও উদ্বুদ্ধ করতে থাকেন। এতে গ্রেটা পান অভাবনীয় সাফল্য।

শুধু নিজের স্কুল নয়, এই আন্দোলন নিজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। তার ডাকে সাড়া দিয়ে জার্মানি, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, জাপানসহ ১০৫টি দেশের ১,৬৫৯টি স্থানে শিক্ষার্থীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও মিছিল করেছে। ইতিমধ্যেই গ্রেটার ডাকা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুলের পড়া বাদ দিয়ে রাস্তায় নামবে, এ বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না রক্ষণশীল অনেক মানুষই। তবে কেউ কেউ আবার এটিকে কেবল নৈতিকই নয়, সম্পূর্ণ যৌক্তিক বলেও মনে করছে। তাদের মতে, বর্তমানে অবস্থা যতটা সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে, তাতে এ ধরনের আন্দোলনের প্রয়োজন আছে।

বিশ্ব গণমাধ্যমের মতে, গ্রেটার ‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্দোলন। বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেও সচেষ্ট হয়েছে আন্দোলনটি। গত ২৫ মে পৃথিবীর ১১৬টি দেশের প্রায় ২ হাজারটি শহরের সঙ্গে বাংলাদেশেও অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বিতীয় গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক।

বাংলাদেশের প্রায় ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে একযোগে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী গ্রেটার আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম হয়। সর্বশেষ গত ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে এই আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেয় সাধারণ মানুষও। শুধু অস্ট্রেলিয়াতেই ৩ লাখ মানুষ আন্দোলনে অংশ নেয়। এদিন লন্ডনের রাস্তায়ও নামে লাখো মানুষ।