‘জনগণই আমার শক্তি’

ঢাকা, সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৩ পৌষ ১৪২৫

‘জনগণই আমার শক্তি’

বাদশা আলম, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি ৩:৩৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০১৮

print
‘জনগণই আমার শক্তি’

ধুনট ও শেরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৫ আসন। এ আসনে টানা ১০ বছর ক্ষমতায় আছেন হাবিবর রহমান। এবারও মনোনয়ন চাইছেন তিনি। নির্বাচন, রাজনীতি, উন্নয়ন ও নানা বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছেন খোলা কাগজের শেরপুর (বগুড়া) উপজেলা প্রতিনিধি বাদশা আলমের সঙ্গে।

বিগত ১০ বছর এমপি হিসেবে ক্ষমতায় থেকে উল্লেখযোগ্য কী কী উন্নয়ন করেছেন?
দেখুন উন্নয়নের কথা বলতে গেলে প্রথমে যে কথাটি বলব, সেটা হলো ২০০৮ সালের আগে শেরপুর-ধুনট এলাকাটি ছিল এক অন্ধকার জগৎ। কিন্তু আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই আস্তে আস্তে এলাকাটি আলোর জগতে প্রবেশ করে, উন্নয়নের জগতে প্রবেশ করে। বিগত ১০ বছরে আমি এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করতে পেরেছি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, এলাকায় প্রায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এনেছি। বথুয়াবাড়ী বাঙ্গালী নদীর ওপর ব্রিজসহ অসংখ্য ব্রিজ-কালভাট নির্মাণ করেছি। ৩৭৫ কি.মি. রাস্তা পাকা করে যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করতে পেরেছি। তা ছাড়া শেরপুর ডিগ্রি কলেজ, শেরপুর ডিজে হাইস্কুল, ধুনট ডিগ্রি কলেজ, ধুনট এন ইউ পাইল উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারি করা হয়েছে।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আপনি কতটা আশাবাদী?
মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টা সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করেছে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর। তিনি যাকে মনোনয়ন দেবেন সেই পাবেন নৌকার টিকিট। তবে এ মুহূর্তে আমি নেতাকর্মীদের নিয়ে নিয়মিত মাঠে-ঘাটে জনসংযোগ করে যাচ্ছি।

আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারলে কোন বিষয়টিকে আপনি বেশি গুরুত্ব দেবেন?
যদি আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে পারি তবে নদীশাসন করে নদীগুলোকে খনন করে নদীগুলোর নাব্য ফিরিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ। যাতে এলাকার জনগণ পানির প্রয়োজন মিটাতে পারে।

নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারলে বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য বিশেষ কোনো উদ্যোগ নেবেন কি?
বেকারত্ব একটি ভয়বহ সমস্যা, বেকারত্ব দূরীকরণে আমার একটা আলাদা গুরুত্ব থাকবে। এলাকার বেকার যুবকদের সরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা করব।

জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আপনি কতটা আশাবাদী?
বিগত ১০ বছর এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন সাধনসহ মানুষের পাশে থেকে তাদের সুখে-দুঃখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি। সুতরাং বিগত দিনেও জনগণ আমার সঙ্গে ছিল, আগামী দিনেও থাকবে। তাই জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যদি মনোনয়ন দেন, তাহলে আবারও এ আসনটি তাকে উপহার দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।

বিদ্যুৎ খাতে আপনার কী পরিকল্পনা আছে?
আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রধান লক্ষ্য হলো, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া। আমি নির্বাচিত হলে আমার সংসদীয় এলাকার সব ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেব।

নারী ও শিশুদের জন্য আপনার পরিকল্পনা কি?
নারী ও শিশুরা অনেকটা অবহেলিত থাকে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করব। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিশুদের উপকার হয়। শিশুদের জন্য হ্যাঁ বলতে সব করব।
দৈনিক খোলা কাগজের রোড টু ইলেকশন পাতায় সাক্ষাৎকারে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ আপনাকেও আপনাদের বহুল প্রচারিত, সুন্দর, মানসম্মত পত্রিকার জন্য আমার সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য। খোলা কাগজের সাফল্য কামনা করছি।