ভিন্ন কৌশলে আ.লীগ-বিএনপি

ঢাকা, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২ পৌষ ১৪২৬

ভিন্ন কৌশলে আ.লীগ-বিএনপি

যশোর প্রতিনিধি ৬:২৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৮

print
ভিন্ন কৌশলে আ.লীগ-বিএনপি

বড় জয়ের আশায় নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগ। আর অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন কয়েক আগে যশোরের সবকটি আসনের এমনই চিত্র। ফলে সহজেই বলা যায়, ভিন্ন দর্শনে লড়ছে দুদল। এসব নিয়েই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা নৌকা ও ধানের শীষ প্রার্থীদের মধ্যে হবে।

যশোরের ছয়টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বড় জয় পেয়েছে। শুধু ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি জোটের বড় জয় ছিল।

যশোর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চারবার বিজয়ী হয়েছেন। আর দুইবার বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনে একাদশ সংসদ নির্বাচনে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের শেখ আফিল উদ্দিন (নৌকা) ও বিএনপির মফিকুল হাসান তৃপ্তির (ধানের শীষ) মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

যশোর-২ আসনে চারবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী, দুইবার স্বতন্ত্র (জামায়াত) ও জামায়াতের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এবার এ আসনে সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মেজর জেনারেল (অব.) নাসির উদ্দিন (নৌকা) ও বিএনপির আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহাদাৎ হুসাইন (ধানের শীষ) লড়াই হবে।

যশোর-৩ আসনে আওয়ামী লীগ চারবার ও বিএনপি প্রার্থী দুইবার বিজয়ী হয়েছে। এবার নির্বাচনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কাজী নাবিল আহমেদ (নৌকা) ও বিএনপি অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের (ধানের শীষ) মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

যশোর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চারবার ও বিএনপি ও জোটের শরিক দুইবার নির্বাচিত হয়েছে। এবার নির্বাচনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের রণজিৎ কুমার রায় (নৌকা) ও বিএনপির টিএস আইয়ুবের (ধানের শীষ) মধ্যে মূল লড়াই হবে।

যশোর-৫ আসনে আওয়ামী লীগ তিনটি, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী একটি ও বিএনপি এবং জোটের শরিক দুটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। এবার নির্বাচনে আটজন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের স্বপন ভট্টাচার্য (নৌকা) ও বিএনপি জোটের মুহাম্মদ ওয়াককাস (ধানের শীষ), লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

যশোর-৬ আসনে এবার পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ইসমাত আরা সাদেক (নৌকা) ও বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেরুল হক সাবু বলেন, নির্বাচন রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রভাবিত না করলে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটলে ছয়টি আসনেই ধানের শীষের প্রার্থীরা জয়ী হবে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ ছয়টি আসনেই নৌকার বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ