রবিউল-শ্যামলে জমজমাট

ঢাকা, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২ পৌষ ১৪২৬

রবিউল-শ্যামলে জমজমাট

আবু নাসের রতন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫:৪৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৮

print
রবিউল-শ্যামলে জমজমাট

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হেভিওয়েট দুই প্রার্থীর প্রচারণাতেই সরগরম। শেষ পর্যায়ে প্রার্থীদের পক্ষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ পৌঁছে দিচ্ছেন কর্মীরা।

এ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। আর ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিকবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।

২০১১ সালে উপ-নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন তারা। এ আসনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ১০ জন। প্রধান দুই প্রার্থীর বাইরে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল হেলাল (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ আনোয়ার আহম্মদ লিটন (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মুজিবুর রহমান হামিদী (বটগাছ) ও সিপিবির প্রার্থী শাহরিয়ার মো. ফিরোজ (কাস্তে)।

সদর-বিজয়নগর উপজেলার ২১ ইউনিয়ন আর এক পৌরসভা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ নির্বাচনী এলাকা।

বর্তমান ভোটার সংখ্যা মোট পাঁচ লাখ ১৪ হাজার ৪৬৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার দুই লাখ ৫১ হাজার ৮৩১ আর পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৬২ হাজার ৬৩২ জন। ১৭৭ ভোটকেন্দ্রের ৯৬১টি ভোটকক্ষে ভোট দেবেন এই ভোটাররা।

এখানে পাঁচবারের এমপি ছিলেন বিএনপি নেতা হারুন আল রশীদ। একসময় বিএনপির এই ঘাঁটি এখন আওয়ামী লীগের হাতে। ২০০৮ সালে লুৎফুল হাই সাচ্চুর বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে আসে। দুই বছরের মাথায় ২০১০ সালে লুৎফুল হাই সাচ্চুর মৃত্যুতে শূন্য এই আসনে উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথম মুখোমুখি হন র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী আর ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। জয়ী হন মোকতাদির চৌধুরী।

মোকতাদির চৌধুরী বলেন, গত আট বছরে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি এলাকায়। তাই আশা রাখি, ৩০ তারিখের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক বিপুল ভোটে জয় পাবে। আমি শতভাগ আশাবাদী।

ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে অবশ্যই জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। মানুষ নানান কারণে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য বসে আছে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। পুলিশ এ আসনে ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার অব্যাহত রেখেছে।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ