নামাজের নিয়তের সাধারণ ভুল

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ | ৭ কার্তিক ১৪২৫

নামাজের নিয়তের সাধারণ ভুল

শাইখ আতীক উল্লাহ ৩:২৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০৯, ২০১৮

print
নামাজের নিয়তের সাধারণ ভুল

যে কোনো আমলের জন্য নিয়ত জরুরি। নিয়ত ছাড়া কোনো ইবাদত বা আমল শুদ্ধ হয় না। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘আমলগুলো তো নিয়তের উপরেই নির্ভরশীল।’ (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত ১ নম্বর)।

ইমাম নববী (রহ.) বলেন, নিয়ত বলে মনের সংকল্পকে। (যার স্থল হলো হৃদয় ও মস্তিষ্ক)। সুতরাং নামাজি নির্দিষ্ট নামাজকে তার মন-মস্তিষ্কে উপস্থিত করবে। যেমন জোহর, ফরজ ইত্যাদি নামাজের প্রকার ও গুণ মনে মনে স্থির করবে। অতঃপর প্রথম তকবিরের সঙ্গে সঙ্গে (মন-মস্তিষ্কে উপস্থিতকৃত কর্ম করার) সংকল্প করবে। (রওজাতুত ত্বালেবিন ১/২২৪, সিফাতু স্বালাতিন নাবী (সা.), আলবানি ৮৫ পৃ.)।

এ সংকল্প করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো শব্দ শরিয়তে বর্ণিত হয়নি। আরবিতে গৎবাঁধা মনগড়া নিয়ত বা নিজ ভাষায় কোনো নির্দিষ্ট শব্দাবলি দ্বারা রচিত নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা বা আওড়ানো অনুত্তম। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ্?, সঊদি উলামা-কমিটি ১/৩১৪, ৩১৫) নিয়ত করা জরুরি, কিন্তু জরুরি মনে করে বা বিশেষ সওয়াব আছে, এ বিশ্বাসে মুখে উচ্চারণ করা বিদআত।

ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন নামাজে দাঁড়াতেন তখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। এর আগে তিনি কিছু বলতেন না এবং মোটেই নিয়ত মুখে উচ্চারণ করতেন না। তিনি একথাও বলতেন না, (নাওয়াইতু আন) ‘উসাল্লিয়া লিল্লাহি সালাতান...,আল্লাহর উদ্দেশে অমুক নামাজ, কেবলামুখী হয়ে, চার রাকাত, ইমাম বা মুক্তাদি হয়ে পড়ছি।’ আর না তিনি আদায়, কাজা বা বর্তমান ফরজের কথা উল্লেখ করতেন।

 
.