তাসবীহ পাঠের ফযীলত

ঢাকা, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০ | ২৭ চৈত্র ১৪২৬

তাসবীহ পাঠের ফযীলত

খোলা কাগজ ডেস্ক ৯:০০ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ০৭, ২০২০

print
তাসবীহ পাঠের ফযীলত

ইমাম মুসলিম তাঁর গ্রন্থে সংকলন করেছেন, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সা.) এর কাছে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাদের কেউ কি প্রতিদিন এক হাজার নেকী হাছিল করতে অক্ষম?

তখন তাঁর একজন সাহাবী জিজ্ঞেস করল, কিভাবে আমাদের কারো জন্য একজন হাজার নেকী লেখা হতে পারে? রাসুল (সা.) বললেন, ‘একশবার তাসবীহ পড়লে (সুবহানাল্লাহ্বললে) তার জন্য এক হাজার নেকী লেখা হবে কিংবা তার এক হাজার গুনাহ মাফ হবে।’ [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ২৬৯৮]

মোল্লা আলী ক্বারী (রহ.) ‘মিরক্বাতুল মাফাতীহ’ গ্রন্থে বলেন, ‘যেহেতু এক নেকীর বদলে দশ নেকী দেওয়া হয়। কুরআনের আয়াত ‘যে ব্যক্তি একটি নেকী নিয়ে আসবে সে এর দশগুণ পাবে’ [সূরা আনআম, আয়াত: ১৬০] এবং ‘আল্লাহ্ যার জন্য ইচ্ছা বৃদ্ধি করবেন’ [সূরা বাক্বারা, আয়াত: ২৬১]-এ প্রতিশ্রুত বৃদ্ধির এটি সর্বনিম্ন একক।

হারাম এলাকার এক নেকী এক লক্ষ নেকীর সমান। কিংবা তার এক হাজার গুনাহ মাফ হবে অর্থাৎ সগিরা গুনাহ হোক কিংবা কবিরা গুনাহ হোক; সেটা আল্লাহ্র ইচ্ছাধীন।

অপর একটি হাদীস হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দুআটি দিনে একশত বার বলবে এটা তার জন্য দশজন দাসমুক্তির অনুরূপ হবে, তার জন্য একশত সওয়াব লেখা হবে, তার একশটি গুনাহ মুছে দেওয়া হবে, সেই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত এটা তার জন্য শয়তান থেকে সুরক্ষা হবে। সে যে সওয়াব পাবে আর কেউ তার চেয়ে উত্তম সওয়াব পাবে না; তবে যে ব্যক্তি তার চেয়ে বেশি আমল করবে সে ব্যক্তি ছাড়া। দুআটি এই উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই-ইন ক্বাদীর।

অর্থ: এক আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই। সমস্ত প্রশংসাও তাঁর। তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। [বুখারী, হাদীস নং:৩২৯৩; মুসলিম, হাদীস নং:২৬৯১]