জুমার দিনে সূরা কাহাফ পাঠের ফজিলত

ঢাকা, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ | ২১ চৈত্র ১৪২৬

জুমার দিনে সূরা কাহাফ পাঠের ফজিলত

খোলা কাগজ ডেস্ক ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০

print
জুমার দিনে সূরা কাহাফ পাঠের ফজিলত

কোরআনুল কারিমের প্রতিটি সূরাই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। সূরা কাহাফেরও আছে বেশকিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। নবীজী (সা.) প্রতি জুমার দিন এ সূরা তিলাওয়াত করতেন। এর রয়েছে ইহকালীন ও পরকালীন উপকারিতা। হজরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, নবী করীম (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করবে, তাকে দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়টাতে নূর দান করা হবে।’ [সহীহ আল-জামে, হাদিস নং : ৬৪৭০]।

আবু সাঈদ খুদরী (রা.) রসুলুল্লাহ (সা.) থেকে আরও বর্ণনা করেন, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমা রাতে সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করবে, তার ও বায়তুল্লাহর মধ্যবর্তী স্থানকে নূর দ্বারা আলোকিত করে দেওয়া হবে।’ [সহীহ আল-জামে, হাদিস নং : ৬৪৭১]।

সূরা কাহাফ কোরআনুল কারিমের অন্যতম ঘটনাবহুল সূরা। এই সূরা তিলাওয়াতের পাশাপাশি অর্থের দিকে খেয়াল করলেও অনেক শিক্ষা অর্জন হয়। প্রতি সপ্তাহে একবার তিলাওয়াত করলে, বছরে বায়ান্নবার। এর শিক্ষণীয় ঘটনাগুলো একেকটি বছরে বায়ান্নবার চিন্তায় ঘুরপাক খাওয়া মানে, নিজের মধ্যে বিরাট সংশোধনী চলে আসা।

এই সূরার বিস্ময়কর দিক হলো, কেউ মুখস্থ করতে চাইলে, দ্রুত মুখস্থ হয়। সবার অভিজ্ঞতা এক নাও হতে পারে। চেষ্টা করে সূরাটা মুখস্থ করে নেওয়া যেতে পারে।

সম্ভব হলে দুয়েকবার তরজমা ও তাফসিরও পড়ে নিতে পারি। দুনিয়াতেও লাভ, আখেরাতেও লাভ। দুনিয়াতে শিক্ষা দেবে, দাজ্জাল থেকে বাঁচাবে। আখেরাতে নূর দান করবে।

হজরত আবুদ্দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, নবীজী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে, তাকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ রাখা হবে।’ [তাখরীজুল মুসনাদ লি-শুয়াইব আল-আরনাঊত, হাদিস নং : ২৭৫৪০]

দাজ্জাল থেকে বাঁচানোর অর্থ শুধু এই নয়, মূল দাজ্জাল থেকে বাঁচাবে। মূল দাজ্জালের পাশাপাশি দাজ্জালের আনুষঙ্গিক ক্ষতি থেকেও বাঁচাবে। ইনশাআল্লাহ।