হাদীসে বর্ণিত ঝাড়ফুঁকের কিছু দুআ

ঢাকা, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ | ২১ চৈত্র ১৪২৬

হাদীসে বর্ণিত ঝাড়ফুঁকের কিছু দুআ

খোলা কাগজ ডেস্ক ১২:০৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০

print
হাদীসে বর্ণিত ঝাড়ফুঁকের কিছু দুআ

কোন ব্যক্তি নিজেই নিজেকে ঝাড়ফুঁক করতে কোন বাধা নেই। এটা বরং উত্তম সুন্নত। অন্য কাউকে ঝাড়ফুঁক করে দেওয়াও জায়েয। কেননা নবীজি (সা.) নিজে নিজেকে ঝাড়ফুঁক করেছেন এবং তিনি তাঁর কোন কোন সাহাবীকেও ঝাড়ফুঁক করেছেন।

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন কোনো অসুস্থতা অনুভব করতেন তখন তিনি নিজের ওপর মুআওয়িযাত (সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস) পড়ে ফুঁ দিতেন। যখন তাঁর ব্যথা তীব্র হলো তখন আমি পড়ে তাঁকে ফু দিতাম এবং তাঁর হাত দিয়ে মাসেহ করতাম; তাঁর হাতের বরকতের আশায়। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং:৪৭২৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং:২১৯২]

ঝাড়ফুঁক এমন মহৌষধ, যা একজন মুমিনের নিয়মিত গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। একজন মুসলিম নিজেকে ও অন্যকে ঝাড়ফুঁক করার সময় শরিয়ত অনুমোদিত যে দুআগুলো পড়তে পারেন সেগুলো অনেক। সে দুআগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দুআ ও আশ্রয়ণীয় হচ্ছে-সূরা ফাতিহা।

আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবীজি (সা.) এর একদল সাহাবী এক সফরে বের হন। এক পর্যায়ে তারা এক বেদুঈন মহল্লায় যাত্রা বিরতি করলেন এবং মহল্লার লোকদের কাছে মেহমানদারির আবদার করলেন। তারা মেহমানদারি করতে অস্বীকৃতি জানাল। ইতোমধ্যে মহল্লার সর্দারকে কোন কিছু কামড় দিল। তাকে সুস্থ করার জন্য তারা সবধরণের চেষ্টা চালাল, কিন্তু কোন কাজ হলো না।

অবশেষে তাদের একজন বলল, এখানে যারা যাত্রাবিরতি করেছে আমরা তাদের কাছে যাই, হতে পারে তাদের কারো কাছে কোন কিছু থাকতে পারে। প্রস্তাবমত তারা এসে বলল, ওহে কাফেলা! আমাদের সর্দারকে কিছু একটা কামড় দিয়েছে। আমরা সব চেষ্টা করেছি, কাজে আসেনি। তোমাদের কারো কাছে কি কিছু আছে?

সাহাবীদের একজন বললেন : আল্লাহর শপথ! হ্যাঁ। আমি ঝাড়ফুঁক করি। তবে আমরা তোমাদের কাছে মেহমানদারির আবদার করেছি, কিন্তু তোমরা আমাদের মেহমানদারি করনি। আল্লাহর কসম! আমি ঝাড়ফুঁক করব না, যদি তোমরা আমাদের জন্য কোন সম্মানী নির্ধারণ না করো।