হতাশায় আশা জাগানিয়া কোরআনের ১০ আয়াত

ঢাকা, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

হতাশায় আশা জাগানিয়া কোরআনের ১০ আয়াত

খোলা কাগজ ডেস্ক ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২০

print
হতাশায় আশা জাগানিয়া কোরআনের ১০ আয়াত

জীবনে চলার পথে আমরা নানা গুণাহে-জর্জরিত হয়ে নিরাশ হয়ে পড়ি। হতাশা আমাদের গ্রাস করে নেয়। তখন নিজেকে ব্যর্থ মনে হয়। এমন মুহূর্তগুলোতে আমরা আশ্রয় খুঁজি, যেখানে পেতে পারি সামনে এগিয়ে চলার প্রেরণা।

মহান আল্লাহ আমাদের জন্য তেমনই আশ্রয়। তার চেয়ে আর কোনো উত্তম আশ্রয়দাতা নেই। একমাত্র তিনিই যাবতীয় সমস্যা সমাধান করে আমাদের হৃদয়ে আশার সঞ্চার করেন।

এখানে পবিত্র কোরআন থেকে অনুপ্রেরণামূলক ৩টি আয়াত উল্লেখ করা হলো, যা আপনার হতাশা দূর করে আপনার মাঝে সামনে এগিয়ে চলার আশার সঞ্চার করবে।

১। অর্থ : এবং তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে আল্লাহ কখনও তাদের ওপর আযাব দেবেন না। [সূরা আল-আনফাল, আয়াত : ৩৩]

এ আয়াতে আল্লাহ তার দয়া ও ক্ষমার বিশালতার কথা বর্ণনা করেছেন। বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে কোনো গুরুতর বিপদে পড়তে পারে না। প্রতি মুহূর্তের জন্য আল্লাহ তার সহায় হয়ে থাকবেন।

২। অর্থ : তিনি নভোম-ল ও ভূম-লকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর সুন্দর করেছেন তোমাদের আকৃতি। তারই কাছে হবে সবার প্রত্যাবর্তন। [সূরা তাগাবুন, আয়াত : ৩]

এখানে আল্লাহ মানুষকে সুন্দরতম আকৃতিতে তৈরির কথা বলেছেন। পাশাপাশি তার কাছেই সবার নিশ্চিত ফিরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।

আল্লাহ তার যে সৃষ্টিকে সুন্দরতমভাবে সৃষ্টি করেছেন, তাকে সৃষ্টি করেই তিনি ছেড়ে দেননি। পাশাপাশি তার ওপর সর্বদা খেয়াল রাখছেন। সব মানুষকেই তার কাছে ফিরে যেতে হবে। সুতরাং, আল্লাহ সবসময় তার বান্দাদের সঙ্গে আছেন।

৩। অর্থ : আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট। [সূরা তালাক, আয়াত: ২-৩]

আল্লাহ তার ওপর নির্ভরকারী ব্যক্তিকে এ আয়াতে সুসংবাদ দিচ্ছেন যে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট। বান্দা যখন এক আল্লাহর ওপর নির্ভর করতে পারে, তখন দুনিয়ার সব বিপদাপদ, দুশ্চিন্তা থেকে সে নিশ্চিন্ত হয়ে যায়। সব বিষয়ে আল্লাহ তার সহায় হয়ে যান।