আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি পাহাড়

ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭

আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি পাহাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক ৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ০৫, ২০২০

print
আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি পাহাড়

পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষায় আল্লাহর এক বিস্ময়কর সৃষ্টি হচ্ছে পাহাড়। পবিত্র কোরআন মজীদে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন।

অর্থ : তিনি খুঁটি ব্যতীত আকাশমণ্ডলী সৃষ্টি করেছেন; তোমরা তা দেখছ। তিনি পৃথিবীতে স্থাপন করেছেন পর্বতমালা, যাতে পৃথিবী তোমাদের নিয়ে ঢলে না পড়ে এবং এতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সর্বপ্রকার জন্তু। আমি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছি, অতঃপর তাতে উদগত করেছি সর্বপ্রকার কল্যাণকর উদ্ভিদরাজি। [সূরা লুকমান, আয়াত : ১০]

পৃথিবীর বিশেষ এক ভূমিবিন্যাস হলো পাহাড়। বনায়ন, কাঠ সরবরাহ, নদী, হ্রদ, পানির ব্যবস্থা, পর্যটন, খনিজসম্পদ প্রভৃতি বিভিন্ন দিক থেকে পাহাড় মানুষসহ সব সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় ও উপকারী।

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮ মিটার। অপরদিকে মঙ্গলের পর্বতচূড়া মাউন্ট অলিম্পাস সমগ্র সৌরজগতের মধ্যে উচ্চতম পর্বতচূড়া, যার উচ্চতা ২১,১৭১ মিটার।

পৃথিবীর ভূমির পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে পাহাড় এবং পৃথিবীর ৭৫ শতাংশ দেশেই পাহাড় আছে।

পাহাড়ের অনেক সুবিধার সঙ্গে সঙ্গে তার কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অন্য যে কোনো স্থানের চেয়েই পাহাড়ি এলাকায় কোনো স্থাপনা নির্মাণের জন্য উন্নততর প্রকৌশলবিদ্যা ও অর্থ খরচের প্রয়োজন হয়। এ কারণেই দক্ষিণ ইউরোপের পাহাড়ি রাষ্ট্র অ্যান্ডোরার কোনো বিমান বন্দর নেই। পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ার কারণে এখানে বিমানের রানওয়ে বা বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জায়গা তৈরি করা সম্ভব হয়নি।

পাশাপাশি পাহাড় পৃথিবীর সকলের জন্য আরেকটি উপকার করে। সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি এবং অন্যান্য ক্ষতিকর রশ্মির অনেকটাই পৃথিবীতে পৌঁছে পৃথিবীর পাহাড়গুলোতে আটকে যায়। আমাদের ঘরের ছাদ যেমন আমাদের রোদ, বৃষ্টি, ঝড় থেকে মুক্ত রাখে, তেমনিভাবে পাহাড়গুলো পৃথিবীর ছাদ হিসেবে পৃথিবীকে বিভিন্ন ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে।