মনের কুমন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি পেতে কী করব?

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

মনের কুমন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি পেতে কী করব?

আকবর হোসেন, পবা, রাজশাহী ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ০৭, ২০১৯

print
মনের কুমন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি পেতে কী করব?

সমস্ত প্রশংসা কেবল মহান আল্লাহর জন্যই। এ সময়ে ইসলামকে জীবনে অনুশীলনকারী ভাইবোনের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু বিতাড়িত শয়তানও তো বসে নেই। নানা রকম কুমন্ত্রণা নিয়ে হাজির হয় তাদের দায়িত্ব পালনে। মানুষের মনে সন্দেহ সৃষ্টির চেষ্টায় ব্রতী হয় নিষ্ঠার সঙ্গে। তারা মনে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে ইবাদতের বিভিন্ন অনুষঙ্গ নিয়ে।

কখনো তো শয়তান এতটাই সফল হয়ে পড়ে যে মনের ভেতর পবিত্র কোরআন, মহান আল্লাহ ও ইসলাম নিয়েও মনে প্রশ্ন আসতে থাকে। তারা বুঝতে পারেন যে এটা শয়তানের ধোঁকা, তবু একই জিনিস বারবার মস্তিষ্কে আঘাত করতে থাকে।

মনের মধ্যে এ ধরনের খারাপ চিন্তাভাবনা আসাকে ওয়াসওয়াসা বলে। তাই এমন কারও হলে প্রথমত আপনি এতে বিচলিত হবেন না। কেননা রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ আমার উম্মতের অন্তরসমূহ যে কুমন্ত্রণা দেয় তা মাফ করে দিয়েছেন যতক্ষণ সে তা না করে অথবা (মুখে) না বলে।’
(সহিহ বুখারী, হাদিস-২৫২৮, সহিহ মুসলিম, হাদিস-৩৪৬)।

এ ওয়াসওয়াসা দ্বীনের অন্যতম ধারক বাহক সাহাবায়ে কেরামেরও আসত। কিন্তু রসুলুল্লাহ (সা.) তা ইমানের ক্ষতিকারক তো নয়ই বরং ইমানের অন্যতম আলামত গণ্য করেছেন।

যে ঘরে সম্পদ থাকে চোর তো সেখানেই চুরি করে। কাজেই ইমান থাকলে শয়তান হামলা করবেই। তাই অন্তরে ওয়াসওয়াসা আসাটাই ইমানের আলামত। আপনি এতে পেরেশান হবেন না।

আপনার অন্তরে যেন কুমন্ত্রণা না আসে। আপনি এতে সক্ষম হবেন না। এটা আপনার এখতিয়ারের বাইরে। তবে কুমন্ত্রণা এলে আপনার করণীয় হলো, ওয়াসওয়াসার ঘোড়াকে সামনে চালাবেন না বরং উক্ত চিন্তাকে সেখানেই শেষ করে দেবেন।