নামাজকে রক্ষাকারী দুর্গ বলা হয় কেন?

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

নামাজকে রক্ষাকারী দুর্গ বলা হয় কেন?

খোলা কাগজ ডেস্ক ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৪, ২০১৯

print
নামাজকে রক্ষাকারী দুর্গ বলা হয় কেন?

প্রশ্নটি করেছেন ইফতেখার ওয়াহিদ, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়

নামাজ হলো প্রত্যেক ভালো কাজের সমষ্টি। নিম্নে পবিত্র কোরআনের দুটি বর্ণনা তুলে ধরা হলো, উভয় বর্ণনায় বেশ কিছু উত্তম কর্মের কথা বর্ণিত হয়েছে। এখানে প্রত্যেক উত্তম আমলের আগে এবং পরে নামাজের বর্ণনা এসেছে।

ক. সুরা আল-মুমিনুন (২৩ : ১-১১) : নিশ্চয় সফলতা অর্জন করেছে মুমিনগণ- যারা তাদের নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত। যারা অহেতুক বিষয় থেকে বিরত থাকে। যারা জাকাত সম্পাদনকারী। যারা নিজ লজ্জাস্থানের সংরক্ষণ করে। নিজেদের স্ত্রী ও তাদের মালিকানাধীন দাসীদের ছাড়া অন্য সবার থেকে, কেননা এতে তারা নিন্দনীয় হবে না। তবে কেউ এছাড়া অন্যকিছু কামনা করলে তারাই হবে সীমা লঙ্ঘনকারী।

যারা তাদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, যারা নিজেদের নামাজের পরিপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ করে। এরাই হলো সেই ওয়ারিশ, যারা জান্নাতুল ফিরদাউসের মীরাস লাভ করবে। তারা তাতে সর্বদা থাকবে।

খ. সুরা আল-মাআরিজ (৭০: ১৯-৩৫) : মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে। যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা-হুতাশ করে। আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়। তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামাজ আদায়কারী। যারা তাদের নামাজে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে। যাদের ধন-সম্পদে নির্ধারিত হক আছে যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের। যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।

যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত-কম্পিত। নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্ক থাকা যায় না। যারা যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভুক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না। অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে। যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল-নিষ্ঠাবান। যারা তাদের নামাজে যত্নবান। তারাই জান্নাতে থাকবে সম্মানজনকভাবে।