দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে কী করব?

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯ | ৩ কার্তিক ১৪২৬

দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে কী করব?

খোলা কাগজ ডেস্ক ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০১৯

print
দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে কী করব?

পাঠকদের উদ্দেশে পরামর্শ দিয়েছেন উম্মে আব্দুল্লাহ

আল্লাহর নিদর্শনাবলির মধ্যে আর একটি নিদর্শন এই, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা ওদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও মায়া-মমতা সৃষ্টি করেছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে। (সুরা রূম, আয়াত-২১)।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আল্লাহর পক্ষ থেকে একটুকরো নেয়ামত, নবীদের সুন্নত ও পৃথিবীতে জান্নাতের আবেশ। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু দমকা হাওয়া এলোমেলো করে দিতে পারে সুন্দর নেয়ামত অথবা কোনো ঠুনকো মান অভিমানের পাল্লা ভারী হতে হতে একসময় ভেঙে পড়ার উপক্রম হতে পারে বৈবাহিক সম্পর্ক। তাই দাম্পত্য জীবনের শুরু থেকেই মেনে চলুন পাঁচটি বিষয়।

এ পাঁচ বিষয় মেনে চললেই দাম্পত্য জীবন থাকবে সুরক্ষিত ও শান্তিপূর্ণ- শ্রদ্ধার সম্পর্ক গড়ে তুলুন, প্রত্যাশা ছাড়াই ভালোবাসুন, বিবাহপূর্ব জীবন সম্পর্কে অকারণ গোয়েন্দাগিরি বন্ধ করুন, সহযোগী হন প্রতিযোগী নয়, আজীবন একে অপরকে আবিষ্কার করুন।

দুটো প্রাণ একসঙ্গে পথ চলায় জীবনের আঁকাবাঁকা পথে কিছু কাঁটার আঁচড় রক্তাক্ত করে দেয় মাঝে মাঝে। রাগ ক্ষোভ জমতে জমতে একসময় একে অপরের প্রতি খানিক বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে। ঠিক এ মুহূর্তে সঙ্গীর ভালো গুণগুলো মনে করুন। ভাবুন তার অকৃত্রিম গুণগুলোর কথা, রাগ ক্ষোভ ঝেড়ে ফেলে শ্রদ্ধা করুন একে অপরকে।

কোনোরকম প্রত্যাশা ছাড়াই একে অপরকে ভালোবাসুন। পরস্পরকে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে হবে। যেকোনো সিদ্ধান্তে পরস্পরের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

আজকাল কিছু অতি উৎসাহী দম্পতিকে দেখা যায়, সঙ্গীর বিবাহ-পূর্ববর্তী জীবন নিয়ে অতি সজাগ থাকে। এমনও হতে পারে আপনার স্বামী বা স্ত্রী বিবাহ-পূর্ব কোনো সম্পর্ক বা ভালো লাগায় জড়িত ছিলেন। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে বিয়ের পূর্বে খোঁজ নিন, কিন্তু বিয়ের পরে নয়।

স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি সহযোগিতার মধ্য দিয়েই দাম্পত্য জীবন সুখী হয়। একে অপরের সাফল্যে নিজের মতোই খুশি হোন।

স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে আবিষ্কার করুন। প্রতিটি মানুষেরই ব্যক্তিগত ভালো-মন্দের বিষয় আছে। পরস্পরের প্রিয় বিষয়গুলো মনোযোগের সঙ্গে লক্ষ করতে হবে। তার চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপারগুলোর প্রতিও একইভাবে লক্ষ রাখতে হবে।