পবিত্র কোরআন হিফজ করার ফজিলত

ঢাকা, বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ | ১২ আষাঢ় ১৪২৬

পবিত্র কোরআন হিফজ করার ফজিলত

খোলা কাগজ ডেস্ক ১০:১২ পূর্বাহ্ণ, জুন ১১, ২০১৯

print
পবিত্র কোরআন হিফজ করার ফজিলত

বিষয়টি জানতে চেয়েছেন ববি আক্তার, সিরাজগঞ্জ থেকে।

মহান আল্লাহতায়ালার শ্রেষ্ঠদান পবিত্র কোরআন আর এই কোরআন হিফজ করার মর্যাদাও অনেক অনেক বেশি। হাফেজ হওয়ার কারণে তাকে সব সময় কোরআন চর্চা করতে হয়, এতে সে প্রতি হরফে ১০ নেকি করে পেয়ে থাকে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত।

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোরআন মজিদে দক্ষ ব্যক্তি (আখেরাতে) সম্মানিত নেককার লিপিকার ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবে। যে ব্যক্তি ঠেকে ঠেকে কষ্ট করে কোরআন পড়ে সে দুটি পুরস্কার পাবে। (বুখারি)

আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোরআনের বাহককে জান্নাতে প্রবেশকালে বলা হবে, তুমি পাঠ করতে থাক এবং ওপরে আহরণ করতে থাক। অতঃপর সে পড়তে থাকবে এবং প্রতিটি আয়াত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি স্তর অতিক্রম করবে। এভাবে সে তার জ্ঞাত শেষ আয়াতটি পর্যন্ত পড়বে। (আবু দাউদ )

উপরোক্ত হাদিস পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, কোরআনের হাফেজ আখেরাতে ফেরেশতাদের সঙ্গে জান্নাতে বসবাস করবেন। জান্নাতে প্রবেশের পর কোরআন হিফজের বদৌলতে জান্নাতের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে ওপরে দিকে উঠবেন তার মুখস্থ থাকা শেষ আয়াতটি পড়া পর্যন্ত।