কী কী উপলক্ষে তওবা করব?

ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬

কী কী উপলক্ষে তওবা করব?

খোলা কাগজ ডেস্ক ১০:২২ পূর্বাহ্ণ, জুন ০৪, ২০১৯

print
কী কী উপলক্ষে তওবা করব?

প্রশ্নটি করেছেন শিমুল রশীদ, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে।

আল্লাহতায়ালা বান্দাকে নেয়ামত দান করার জন্য উপলক্ষ খোঁজেন। যেন সে উপলক্ষকে কেন্দ্র করেই বান্দাকে দান করতে পারেন রহমত, বরকত, মাগফেরাত ও নাজাত। পবিত্র রমজান ও রোজা যেমন একটি উপলক্ষ ঠিক তেমনি চরম দুশ্চিন্তা, সংকট ও আর্থিক অভাব-অনটন থেকে মুক্ত থাকতে রয়েছে একটি উপলক্ষ। দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ লাভে কোরআন-হাদিসে ঘোষিত সে উপলক্ষ হলো বেশি বেশি তাওবা-ইসতেগফার করা।

রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত তওবা করবে, আল্লাহ ওই বান্দাকে তার সব সংকট থেকে উত্তরণের (মুক্তির) পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন। (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

কোরআনুল কারিমে আল্লাহতায়ালা তওবার ফজিলত ঘোষণা করেছেন এভাবে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর অজস্র বৃষ্টিধারা নাজিল করবেন। তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দেবেন। তোমাদের জন্য (সবুজ শ্যামল) উদ্যান স্থাপন করবেন এবং নদী-নালা প্রবাহিত করবেন। (সূরা নূহ, আয়াত ১০-১২)।

আল্লাহর কাছে তওবা-ইসতেগফার করলেই আল্লাহতায়ালা উল্লেখিত নেয়ামতে মানুষের জীবনকে ভরপুর করে দেবেন।

মানুষ সাধারণত গোনাহ বা অন্যায় করলেই আল্লাহর কাছে তওবা-ইসতেগফার করে। কোরআন ও হাদিসের আলোকে এ কথা সুস্পষ্ট, শুধু গোনাহ থেকে মুক্তির জন্যই তওবা-ইসতেগফার নয়। এটা এমন এক বড় আমল। যাতে রয়েছে দুনিয়া ও পরকালের সফলতা ও সচ্ছলতার মূলমন্ত্র।