ধর্ষণের অভিযোগে গাইবান্ধায় ইউপি চেয়ারম্যান

ঢাকা, সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১ | ৫ মাঘ ১৪২৭

ধর্ষণের অভিযোগে গাইবান্ধায় ইউপি চেয়ারম্যান

জেলা প্রতিনিধি ৩:২৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২০

print
ধর্ষণের অভিযোগে গাইবান্ধায় ইউপি চেয়ারম্যান

গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল ওই ইউনিয়নের মৌজা মালীবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। পাশাপাশি তিনি লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকও। ধর্ষণের ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে গত আট মাস থেকে এক নারীকে ধর্ষণ করে আসার অভিযোগে সদর থানায় ২৪ নভেম্বর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মামলা হয়। এরপর রাতে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের লেংগাবাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন।

 

এর আগে ২০১৭ সালে তার স্কুলের ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সেই মামলায় কয়েক মাস কারাভোগ শেষে অন্তবর্তীকালীন জামিন পান তিনি। ওসি মাহফুজুর জানান, ধর্ষণের শিকার এ নারী গত ৩ মার্চ ন্যাশনাল সার্ভিসের জন্য একটি প্রত্যয়নপত্র আনতে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদে যান।

এ সময় তাকে চেয়ারম্যান বাদল তার কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করে রাখেন। এ ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে গত ৮ মাস ধরে ওই নারীকে ধর্ষণ করে আসছেন ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল।

তিনি আরও জানান, গত ১১ নভেম্বর ওই নারীর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে চেয়ারম্যান বাদল তার বাড়িতে যান এবং তাকে ধর্ষণ করেন। প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেলে চেয়ারম্যান বাদল সেখান থেকে সটকে পড়েন।

গাইবান্ধা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মজিবর রহমান জানান, ২০১৭ সালের ৩ জুন লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান বাদলকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলাটির অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে বলেন তিনি।