‘যত্রতত্র ওষুধ বিক্রয় বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২১ | ৫ মাঘ ১৪২৭

‘যত্রতত্র ওষুধ বিক্রয় বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’

মোশাররফ হোসেন, নীলফামারী ৬:২৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০২০

print
‘যত্রতত্র ওষুধ বিক্রয় বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’

নীলফামারীতে চারটি ওষুধ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে মডেল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এরমধ্যে একটি ‘মডেল ফার্মেসি’ ও তিনটি ‘মডেল মেডিসিন শপ’ রয়েছে। মঙ্গলবার এই ঘোষণা দেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

এদিন জেলা শহরের বাটার মোড়স্থ ‘সৈকত ফার্মেসি’ মডেল ফার্মেসি এবং বড় বাজার এলাকার রাশেদ, জামান ও করিম ফার্মেসি মডেল মেডিসিন শপ হিসেবে আত্মপ্রকাশ পেয়েছে।

মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, যত্রতত্র ওষুধ বিক্রয় বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। যথাযথ নিয়ম অনুসারে ফার্মেসি পরিচালিত না হলে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং সুরক্ষিত মান নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে সেসবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এজন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু হবে দ্রুত।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী (মুজিববর্ষ) উপলক্ষে প্রতিটি জেলা ও উপজেলা শহরে একটি করে মডেল ফার্মেসি স্থাপন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব ফার্মেসিকে এই আদলে গড়ে তোলা হবে যাতে ভোক্তাগণ এর সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের উপ-পরিচালক সালাউদ্দিন, সহকারী পরিচালক অজিউল্লাহ, নীলফামারী ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম, ড্রাগ অ্যান্ড কেমিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ।

ড্রাগ অ্যান্ড কেমিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ জানান, জেলায় প্রায় দেড় হাজার ফার্মেসি রয়েছে। এরমধ্যে এক হাজার নিবন্ধিত। সব প্রতিষ্ঠানে দক্ষ ফার্মাসিস্ট দ্বারা যাতে ওষুধ বিক্রি করা হয় এজন্য আমাদের অ্যাসোসিয়েশন কাজ করে যাচ্ছে।