ঘাঘট নদীর ভাঙনে বিলীন ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি

ঢাকা, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

ঘাঘট নদীর ভাঙনে বিলীন ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি

সাদুল্যাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি ৩:২৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২০

print
ঘাঘট নদীর ভাঙনে বিলীন ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নে ঘাঘট নদীর তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনের ফলে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হয়েছে নদীগর্ভে। এছাড়াও হুমকির মুখে পড়েছে আরও শতাধিক বসতবাড়ি ও আবাদী জমি।

জামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মণ্ডল বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করার পাশাপশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তালিকা করা হয়েছে। ওইস্থানে ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডে জানানো হয়ছে। সরেজমিন জামালপুর ইউনিয়নের পাতিল্যাকুড়া-চকদাড়িয়া নামকস্থানে দেখা যায় নদী ভাঙনের চিত্র। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মণ্ডলকে পরিদর্শনে দেখা গেছে।

জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে জামালপুর ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে গেছে ভয়াবহ বন্যা। সম্প্রতি পানি কমতে থাকায় শুরু হয়েছে ঘাঘটের অব্যাহত ভাঙন। এ ভাঙনের কবলে ইতোমধ্যে খবির উদ্দিন, জরিপ মিয়া ও দফির উদ্দিনসহ আরও ১০ ঘরবাড়ি চলে গেছে নদীর পেটে। একই সঙ্গে ফসলি জমিও বিলীন হয়েছে অনেকের।

এছাড়া সাহেব উদ্দিন, আফছার আলী ও সামাদ মুন্সীর বাড়িসহ আরও অন্তত শতাধিক বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। হুমকির সম্মুখীন এসব পরিবারের মানুষরা ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে অন্যত্র। নদী ভাঙনের শিকার মানুষদের মধ্যে অনেকে আশ্রয় নিয়েছে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে। আবার কেউ কেউ আশ্রয় নিতে শুরু করেছে অন্যের জমিতে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী মানুষগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

এ পর্যন্ত সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো সহায়তা মেলেনি তাদের। পাতিল্যাকুড়া-চকদাড়িয়া নামক স্থানে নদী ভাঙন প্রতিরোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

ক্ষতিগ্রস্ত খবির উদ্দিন নামের এক বৃদ্ধ বলেন, দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে সংসার চালিয়ে আসছিলাম।