কারচুপির অভিযোগ জাপার

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

কারচুপির অভিযোগ জাপার

রংপুর অফিস ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২০

print
কারচুপির অভিযোগ জাপার

রংপুর সদর উপজেলার তিন ইউনিয়নের নির্বাচনে সুবিধা করতে পারেনি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও এক সময়ের দুর্গ বলে খ্যাত জাতীয় পার্টি (জাপা)। তিনটি ইউনিয়নে জাপার প্রার্থীরা নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এগিয়ে থাকলেও একটিতেও জিততে পারেনি। একটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জয় পেয়েছে। আর দুটিতে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে ভোটে কারচুপির অভিযোগ করেছেন জাপার প্রার্থীরা।

হরিদেবপুর ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন ঢোল প্রতীকে ১১ হাজার ৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মফিজুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৯৬ ভোট। এছাড়া আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কায় একরামুল হক পেয়েছেন ৪ হাজার ১৯১ ভোট।

সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নে জিতেছেন সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সোহেল রানা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ফুলবাবু লাঙ্গল প্রতীকে ৬ হাজার ১২৭ ভোট এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী মকছেদুর রহমান দুলু ৫ হাজার ৫২৬ এবং আওয়ামী লীগের অপর বিদ্রোহী প্রার্থী কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মন স্বাধীন রজনীগন্ধা প্রতীকে ৪ হাজার ১৬২ পেয়েছেন।

চন্দনপাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাপার রুহুল আমিন লিটন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৭৮ ভোট।
এছাড়াও রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী খায়রুল ইসলাম চশমা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ২৫৫ এবং জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে রুজিনা খাতুন চৌধুরী পেয়েছেন ২ হাজার ১০৭ ভোট।

এদিকে সদ্যপুস্করিনী ও চন্দনপাট ইউনিয়নের তিনটি ভোটকেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ এনে ফল প্রত্যাখ্যান করেছেন জাপা প্রার্থীরা।

গত মঙ্গলবার ভোট শেষে জাপা কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান লাঙ্গল মার্কার প্রার্থীরা।
এ সময় রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদ জানান, এমন কারচুপির ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। আমরা এই নির্বাচনের দুটি ইউনিয়নের তিনটি ভোট কেন্দ্রের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন করে ভোট গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।