ডোমারে বেড়েছে সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

ঢাকা, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২০ | ২২ শ্রাবণ ১৪২৭

ডোমারে বেড়েছে সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৩, ২০২০

print
ডোমারে বেড়েছে সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

নীলফামারীর ডোমারে কয়েক দিনের ভারি বর্ষণের কারণে সবজির দাম ব্যাপক হারে বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে চাল, মাছ, মাংস ও দেশী মুরগীর দাম। বর্ষা মৌসুমেও দেশী মাছ নি¤œ ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের বাইরে রয়েছে। ভারী বর্ষণে সবজি ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় বাজারে উর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে কৃষকেরা। আর এর প্রভাব পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষের মাঝে।

উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে তিনগুন। কাঁচামরিচ ৪০ টাকা দরের বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৫০ টাকায়। 

আলু প্রতি কেজি ৩০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা, বেগুন ৩৫ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫ টাকা, কায়তা ৩৫ টাকা, করলা ৪০ টাকা, বটবটি ৩৫ টাকা, সজি ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা, জিঙ্গা ৩৫ টাকা, কচুরলতি ৩৫ টাকা, ধুমা ৩০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, শশা ৩০ টাকা, কচুর ফুল ১৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ১৫ টাকা, পুঁইশাক প্রতি কেজি ২০ টাকা, লালশাক ৩৫ টাকা, কলমিশাক ২০ টাকা, ঢেঁকিশাক ৩০ টাকা, পানি কচু প্রতি পিস ৪০ টাকা, পানি কুমড়া প্রতি পিস ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা ও কাঁচাকলা ২০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। পিয়াজের দাম নাগালের মধ্যে থাকলেও রসুন একশ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডোমার পৌর কাঁচাবাজার সমিতির সহ- সভাপতি নুর আলম জানান, বৃষ্টির কারণে সবজির গাছ মারা যাওয়ায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। বৃষ্টির আগে প্রতিদিন ২৫-৩০ টন সবজি এই বাজারে বেচা- কেনা হতো, বর্তমানে ১টন মালের আমদানি নেই।

আমাদের এই পৌর কাঁচা বাজার আড়ৎ থেকে ডিমলা, খোকার হাট, ডঙ্গার হাট. সুন্দর খাতা, বড়খাতা, ডালিয়া, পাটগ্রাম, দেবীগঞ্জ, সাকোয়া ও বোদা থেকে পাইকাররা এসে কাঁচা মাল নিয়ে যায়, কাঁচামাল না থাকায় কেনা বেচা বন্ধ হয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুজ্জামান জানান, ডোমার উপজেলায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে। গত ১৬ই মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সবজি ক্ষেতের কোন ক্ষতি হয়নি, বর্তমানে বর্ষার কারণে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কিছুটা ক্ষতির সম্মুক্ষীন হয়েছে।