মালিকানা হারানোর শঙ্কা

ঢাকা, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০ | ২১ চৈত্র ১৪২৬

মালিকানা হারানোর শঙ্কা

ইলিয়াস বসুনিয়া পবন, হাতীবান্ধা ৮:১৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২০

print
মালিকানা হারানোর শঙ্কা

কাঁদছেন ৭০ বছর বয়সী সখিনা বেওয়া ও ২৫ বছর বয়সী গৃহবধূ ফরিদা বেগম। তাদের এ কান্না কোন শোকের কান্না নয়। এ কান্না জমি-বসতভিটা হারানোর কান্না। তাদের মতোই চোখের পানি ঝড়াচ্ছেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বুড়াসারডুবি মৌজার ৫৫টি কৃষি পরিবার। সীমান্তের ওই মৌজার জমিতে ভারতের মালিকানা আসার শংকায় তারা এখন দিশেহারা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক ৮৮৪নং পিলারের কোল ঘেঁষে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মৌজা বুড়াসারডুবি। এ মৌজায় রয়েছে ৫৫টি কৃষি পরিবারের ৩৪ একর আবাদি জমি। এখানে রয়েছে চারটি পরিবারের বসতভিটা। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর এ জমি ভোগ দখল করে আসছেন তারা। জমির দলিল, রেকর্ড, মাঠপর্চা সবকিছুই তাদের নামে।

জমির খাজনাও পরিশোধ করে আসছেন তারা। কিন্তু হঠাৎই জানতে পারেন ভারত এ জমির মালিক হয়েছে। আর নুতন নকশায় উল্লেখ নেই এই মৌজা। তাই হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে ওই পরিবারগুলো।

রংপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার আজমল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টির বিস্তারিত ফাইল ডিজি অফিসে আছে। তিনি আরও বলেন, আমি যতটুকু জানি এটা ভারতে চলে গেছে।