নীলফামারীতে মঞ্চ মাতাল কেয়া কুঞ্জ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২০ | ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭

নীলফামারীতে মঞ্চ মাতাল কেয়া কুঞ্জ

নীলফামারী প্রতিনিধি ৯:৫৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০

print
নীলফামারীতে মঞ্চ মাতাল কেয়া কুঞ্জ

নীলফামারীতে মঞ্চায়ন হয়েছে নাটক কেয়া কুঞ্জ। গত সোমবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এর মঞ্চায়ন হয়। নাটকটি উপভোগ করেছেন শহরের সংস্কৃতিপ্রেমীরা।

নাটকে ফুটে উঠেছে মাদকের করালগ্রাসে একটি পরিবারের নির্মম পরিণতি। মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ৬৪ জেলায় শুরু হওয়া বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের নাটোৎসবের অংশে জলসিঁড়ি নাট্য সংস্থা নাটকটি পরিবেশন করে।

বিভূতি মুখোপাধ্যায় রচিত নাটকটিতে নির্দেশনায় ছিলেন জলসিঁড়ি নাট্য সংস্থার সভাপতি মো. ওবায়দুর রহমান। তিনি জানান, কুষ্টিয়া জেলার বনাঞ্চলের একটি গ্রামের নাম কেয়া কুঞ্জ। ওই গ্রামের ষষ্টি চরণ ও তার বাবা রাখো হরি ছিলেন মাদকাসক্ত। ষষ্টি চরণের সৎ মা রাইমনির ছিল এক ছেলে। সে পাঁচ বছর বয়সে সাপুড়ের দলে চলে গিয়েছিল। এরপর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে সে ঢাকায় ব্যবসা বাণিজ্য করে অর্থশালী হয়। ২০ বছর পর সে বেশ কিছু টাকা নিয়ে তার গ্রামে ফিরে আসেন। গ্রামে ফেরার সময় স্থানীয়দের নিজের পরিচয় দিলেও বাড়িতে পরিচয় গোপন করেন। এ অবস্থায় তার অর্থ সম্পদের ওপর নজর পড়ে তার সৎভাই ষষ্টি চরণ ও বাবা রাখো হরির। তারা মাদকের টাকার জন্য তাকে হত্যা করেন।

নাটকে ষষ্টি চরণের চরিত্রে ছিলেন ওবায়দুর রহমান, রাখো হরির চরিত্রে মহিউদ্দিন, রাইমনির চরিত্রে প্রিয়াংকা রায় এবং রাইমনির ছেলে আগন্তকের চরিত্রে সাকিল আরমান।

নাটকে আরও অভিনয় করেছেন সাপুড়ে চরিত্রে হারুন অর রশীদ ও শফিউল আজম। শ্রীধরের চরিত্রে শেখ মোহাম্মদ শাজাহান, অজয়ের চরিত্রে মোশাররফ হুসাইন ও সুবলের চরিত্রে হারুন অর রশীদ। রূপসজ্জায় ছিলেন, বিপ্লব কুমার রায়। আলোকসজ্জায় এনাজ আহমেদ। আবহসংগীতে বিপ্লব কুমার রায় ও জার্জিস আলম। মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন মো. মহিউদ্দিন, হারুন অর রশীদ ও শাকিল আহমেদ।

নীলফামারী জলসিঁড়ি নাট্য সংস্থার সভাপতি ওবায়দুর রহমান বলেন, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সদস্য হিসেবে জলসিঁড়ি নাট্য সংস্থ্যা নাটকটি মঞ্চায়ন করেছে। নাটকটিতে মাদকের করালগ্রাসে কিভাবে একটি পরিবার তিলে তিলে নিঃশেষ হয়। নিজের সন্তানকে হত্যার মধ্য দিয়ে সেটিই ফুটে উঠেছে।