চিরিরবন্দর স্কুলে শহীদ মিনার তৈরি নিয়ে দ্বন্দ্ব

ঢাকা, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

চিরিরবন্দর স্কুলে শহীদ মিনার তৈরি নিয়ে দ্বন্দ্ব

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ১২:০৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০

print
চিরিরবন্দর স্কুলে শহীদ মিনার তৈরি নিয়ে দ্বন্দ্ব

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বিদ্যালয় মাঠে নতুন শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে আহত হয়েছেন ওই স্কুলের দপ্তরি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আবু সইয়দ এ শাহীন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের নওখৈর বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে।

জানা গেছে, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত বুধবার চিরিরবন্দর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটির আলোচনার মাধ্যমে ওই বিদ্যালয় মাঠে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে একটি নতুন শহীদ মিনার নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

কিন্তু ম্যানেজিং কমিটিরি সভাপতি রেজাউল ইসলাম নয়ন ও কমিটির অভিভাবক সদস্য রেজাউল করিম ও দেলোয়ার হোসেন হঠাৎ করে অজ্ঞাত কারণে শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় বাধার সৃষ্টি করে।

দপ্তরি শাহীনুর ইসলাম জানান, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শহীদ মিনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য কমিটির সবাইকে গতকাল সকালে আসার জন্য বলা হয়েছিল। আমি সবকিছু রেডি করেছিলাম। সকালে সবাই এসছে কিন্তু তারা শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য নয় তা বন্ধের জন্য।

এক পর্যায়ে আমাকে মারধর করে রক্তাত্ত করে। এ সময় আমার পিতা মুক্তিযোদ্ধা সোলেমান আলী এগিয়ে আসলে তাকেও অসম্মান করে তারা।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিরি সভাপতি রেজাউল ইসলাম নয়ন জানান, আমি শহীদ মিনারের কাজ একবারে বন্ধ করতে বলেনি। শহীদ মিনার নির্মাণ হবে কমিটির সঙ্গে স্কুলের সবাইকে আবার বসতে হবে তারপর।

দপ্তরি শাহীন ওই সময় আমকে মারতে চেয়েছিল তাই ক্ষিপ্ত হয়ে সবাই তাকে মারধর করেছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. জেসমিন খাতুন জানান, সামনে ২১ শে ফেব্রুয়ারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমাকে নিজস্ব অর্থায়নে স্কুলের মাঠে শহীদ মিনার নির্মাণের কথা বলেন। যা ব্যায় হবে তা পরে বিল করে দেওয়া হবে। কিন্তু কী কারণে কমিটির সভাপতি এটি বন্ধ করলো আমি বুঝতে পারতেছিনা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এমজিএম সারোয়ার হোসেন জানান, ২১ শে ফেব্রুয়ারির আগে সব স্কুলে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে। সভাপতি হঠাৎ করে কেন বিদ্যালয় মাঠে শহীদ মিনার নির্মাণে বাধা দিয়েছে স্কুলে গিয়ে জানতে পারবো।