উন্নয়নের বার্তা প্রার্থীদের

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬

উন্নয়নের বার্তা প্রার্থীদের

রংপুর অফিস ১:১৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৭, ২০১৯

print
উন্নয়নের বার্তা প্রার্থীদের

রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পূর্বেই জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। বর্তমানে সদর উপজেলার ৪নং সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের চার বছর আট মাস চলছে প্রায়। নির্বাচনের দিনক্ষণ আসলে তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তবে এরই মধ্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা, উঠান বৈঠক, মসজিদ ও মন্দিরে দোয়া-আশীর্বাদ নিচ্ছেন।

আবার কেউ কেউ এলাকার প্রভাবশালী লোকদের চিহ্নিত করে দলে টানতে শুনাচ্ছে উন্নয়নের বাণী। আবার কেউ কেউ ছুটছেন রাজনৈতিক দলের নেতাদের পিছনে এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে করছেন আলোচনা। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে অনেকেই নিজের দলের জন্য তাদের ত্যাগের কথা শুনিয়ে প্রতীকের জোর দাবিও জানিয়েছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণায় এরই মধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর নাম। এরই মধ্যে আলোচনায় আছেন ইউনিয়ন আ. লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও সম্ভাব্য প্রার্থী সোহেল রানা। তিনি শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন নির্বাচনে তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে। এলাকার মানুষের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে তাদের সমস্যাগুলো শুনে সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন অর্থাৎ সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়নকে একটি আলোকিত ইউনিয়ন করতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সামনে নির্বাচনেও দল মতনির্বিশেষে সকলের নিকট দোয়া চাচ্ছেন তিনি।

তার পাশাপাশি শক্ত অবস্থানে আছেন বেশ কয়েকজন প্রার্থী। তারাও ক্ষমতায় আসলে উন্নয়ন এর আশার বাণী শুনিয়ে দিন-রাত মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ও ঘুরছেন পাড়া-মহল্লা। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় নাম উঠেছে সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শ্রী কৃষ্ণ রঞ্জন স্বাধীন, ইউনিয়ন আ. লীগের সভাপতি মোকছেদুল রহমান দুলু, আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা আলমগীর, সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ী লীগ নেতা আব্দুর রউফসহ কয়েকজন। শুধু চেয়ারম্যান পদে নয়, ইউপি সদস্য পদেও প্রচারণায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে প্রায় ডজন খানিক প্রার্থী। অনেকেই ভাঙ্গা রাস্তা নিজ উদ্যোগে মেরামত করে দিচ্ছেন।

তবে জনগণের দাবি যারা নিজ স্বার্থ পরিহার করে ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করবে তাদের ভোট দিবে তারা। অন্যদিকে অনেকেই বলছেন, বতর্মান চেয়ারম্যানকে আবার ভোট দিয়ে ইউনিয়নের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার সুযোগ দেওয়া উচিত।

সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়নের বাসিন্দা সাবেক সমবায় কর্মকর্তা মফিজার রহমান রাজু বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা গ্রামের পাড়া-মহল্লার উন্নয়নে এবং গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এই পর্যায়ের চেয়ারে সৎ, যোগ্য ও শিক্ষিত ব্যক্তিদের বসানো উচিত।