Warning: mysql_fetch_array() expects parameter 1 to be resource, boolean given in /home/www/kholakagojbd.com/popular.php on line 70
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে চলে সেটেলমেন্ট অফিসের কার্যক্রম

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১২ আশ্বিন ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে চলে সেটেলমেন্ট অফিসের কার্যক্রম

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
🕐 ৬:৫৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০২২

 প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে চলে সেটেলমেন্ট অফিসের কার্যক্রম

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস রুমে সেটেলমেন্ট অফিস বানিয়ে ভুমি জরিপের কাজ চলছে বলে অফিযোগ উঠেছে। এমন ঘটনা ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী ধর্মগড় চেকপোস্ট এলাকার চিকসা ধর্মগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

 

 

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভারত সীমান্ত ঘেষা রাস্তার পশ্চিমে বিদ্যালয়টি অবস্থিত। বিদ্যালয়টি ৩জন শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। গত সোমবার সরেজমিনে গিযে দেখা যায়, ৩ জন শিক্ষকের মধ্যে এক জন শিক্ষক মৌখিক ছুটিতে রয়েছে। বললেন প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন,সহকারী শিক্ষিকা রাকিবা তার শারিরীক অসুস্থ্যতার কারনে তিনি বিদ্যালয়ে আসেননি। বিদ্যালয়ের সরকারি ভবন নির্মান হওয়ায় পরাতন ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করে সেটেলমেন্ট অফিসের লোকজনকে ভ’মি জরিপের কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এলাকার স্বার্থে কোন চিঠিপত্র ছাড়াই তার নিজ ক্ষমতায় বিদ্যালয়ের পরাতন ক্লাসরুমটি সাময়িক ভাবে ভ’মি জরিপের কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন।

এদিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উপস্থিতি একেবারে নগন্য। চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম বলেন-প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কাগজ কলমে ১৪৩ জন। দেখা গেছে ৩ ক্লাস মিলে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল ৩০জন। তার মধ্যে ৫ম শ্রেণীতে ২২ জনের মধ্যে ৯জন, ৪র্থ শ্রেণীতে ৩৭ জনের মধ্যে ১৪ জন, তয় শ্রেণীতে ২৮ জনের মধ্যে ৭জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ের পাশে থাকা মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীরা চলেগেছে। তবে কাগজ কলমে থাকা ১৪৩জনই শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অপরদিকে বিদ্যালয়ে আনসঙ্গিক কাজ করার লক্ষ্যে ৪বছরে সরকারি অর্থ বরাদ্দ পেয়েছে প্রায় ২লক্ষ টাকা। বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে কি কাজ করেছে প্রধান শিক্ষক সহকারি শিক্ষকদ্বয় কিছুই জানেন না। সহকারি শিক্ষক আব্দুল খালেক এবং আনোয়ার হোসেন বলেন, তাদের সাথে এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক কোন ধরণের পারামর্শ করেননি। প্রধান শিক্ষক বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক তিনি স্কুলের কাজ করেছেন। এতে প্রধান শিক্ষকের ঘাপলা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা। স্কুল কমিটির সভাপতি আমির হোসেন বলেন, স্কুলের ক্লাসরুম ভুমি জরিপের কাজ করার অনুমতি দেওয়া ঠিক করেনি প্রধান শিক্ষক। এপ্রসঙ্গে শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাহিম সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্কুলের কøাসরুম ভ’মি জমিপের কাজে ব্যবহার করার অনুমতি দিতে পারেন না। তিনি সহকারি শিক্ষককে মৌখিক ছুটি দিতে পারেন না। এছাড়া ১৪৩ জন শিক্ষার্থির মধ্যে ৩০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিতি কেন? বাকী শিক্ষার্থী কোথায় । তিনি বলেন ঘটনা স্থল তদন্ত করে
এসব প্রশ্নের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 
Electronic Paper