মান্দার কসব ইউ’পি নির্বাচনে বিতর্কিত চেয়ারম্যান প্রার্থী; তৃণমূলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ঢাকা, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

মান্দার কসব ইউ’পি নির্বাচনে বিতর্কিত চেয়ারম্যান প্রার্থী; তৃণমূলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
🕐 ৪:৪৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২১

মান্দার কসব ইউ’পি নির্বাচনে বিতর্কিত চেয়ারম্যান প্রার্থী; তৃণমূলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

নওগাঁর মান্দায় ১৩নং কসব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গোলাম কিবরিয়া নামে এক বিতর্কিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন উত্তলোনের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, মান্দা উপজেলার কসব ইউপির দক্ষিণ চকবালু গ্রামের গোলাম কিবরিয়ার বাবা মরহুম আব্দুল গফুর মন্ডল তৎকালীন সময়ে আওয়ামীমুসলীম লীগের নেতা ছিলেন।

পরবর্তীতে তিনি স্বাধীনতার সময় কসব ইউনিয়নের পিচ কমিটির সভাপতি ছিলেন বলে জানান আব্দুল গফুর মন্ডলের নাতি আবুল কালাম আজাদ এবং ওই ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ আব্দুল লতিফ মৃধা।

এছাড়াও তিনি ৭৫ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী মুসলীমলীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। সেই থেকে অদ্যবধি তার পরিবার লোকজন বিএনপির কর্মী এবং সমর্থক বলে জানা গেছে।

ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ মৃধাসহ স্থানীয় একাধিক নেতাকর্মীরা জানান, গত ২০১৬ সালে কসব ইউপি আওয়ামী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলে গোলাম কিবরিয়া সভাপতি প্রার্থী হন। একটি না ভোট ও না পাওয়ায় তিনি ওই কমিটিতে তার কোন নাম পদবী রাখবে না বলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের জানায়। পরবর্তীতে আত্মীয়তার সূত্রে মান্দা উপজেলার এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার সাথে আঁতাৎ করে যুবলীগের কমিটিতে উপ-সম্পাদক পদে নাম লিখান। বর্তমানে তার বড় ৫ ভাই বহাল তবিয়তে বিএনপি করে যাচ্ছেন। এমতাবস্থায় দলের ভাবমূতি ক্ষূন্ন করতে ক্ষমতার অপব্যাবহার দেখিয়ে বিএনপি সমর্থিত পরিবারের তথাকথিত বিতর্কিত যুবনেতা গত ১৭ অক্টোবর (রবিবার) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের চেম্বার থেকে উপজেলার কসব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন এবং বেলা ২টার দিকে তা জমাদান করেন। এরপর তা উত্তোলনের খবর ছড়িয়ে পড়লে কসব ইউনিয়নের সাধারণ মানুষজনের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে গোলাম কিবরিয়া তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বাবা কখনোই পিচ কমিটির সাথে জড়িত ছিলেন না। বরং তৎকালীন ১৯৬৯ অথবা ১৯৭০ সালে ৬ দফা আন্দোলনের একজন সদস্য ছিলেন আমার বাবা।

তিনি আরও বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসাতে এসব মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যা সঠিক নয়। আমি এর তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।

এ ব্যাপারে মান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দীন মন্ডল বলেন, এবারের নির্বাচন হবে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে। আমরা ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে চাই। দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিতর্কিত কাউকে সুপারিশ করার সুযোগ নেই। বিষয়টি গুরুত্বের সহিত বিবেচনায় এনে প্রযোজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 
Electronic Paper