আত্রাইয়ে স্কোয়াশ চাষে সম্ভাবনা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১ | ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭

আত্রাইয়ে স্কোয়াশ চাষে সম্ভাবনা

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) ১০:০১ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২১

print
আত্রাইয়ে স্কোয়াশ চাষে সম্ভাবনা

মধ্যপ্রাচ্যেই বেশি চাষ হয় স্কোয়াশের। দেশে এ সবজির চাহিদা বাড়তে থাকায় আমদানি শুরু হয়। দেড় যুগের বেশি সময় আমদানিকৃত সবজির চাহিদা দিনকে দিন বাড়তে থাকায় দেশে স্কোয়াশ চাষ নিয়ে ভাবতে থাকেন কৃষকরা। এরই মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের বাবু ও শাহাগোলা ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের নাহিদ হোসেন তাদের এলাকায় প্রথমবারের মতো এ সবজির চাষ করেছেন।

তাদের দেখাদেখি অন্যরাও আগ্রহী হয়ে উঠছেন। শীতকালীন এ সবজি স্বল্প সময়ে অধিক লাভ এনে দেবে বলে জানিয়েছেন তারা। সব কিছু ঠিকঠাক চললে উৎপাদন বাড়বে। যা রপ্তানির সম্ভাবনার দিকেও নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এ দুই কৃষক। আর এ স্কোয়াশ চাষে কৃষি অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন উপজেলা কৃষিবিদ।

কুমড়ার ইউরোপীয় জাত স্কোয়াশ। খেতে সুস্বাদু। দেখতে অনেকটা শশার মতো। উচ্চ ফলনশীল জাতের এ সবজি ভাজি, মাছের তরকারিতে রান্নার উপযোগী। সালাদ হিসেবেও অনেকে খেয়ে থাকেন।

দেশের উচ্চ ফলনশীল ফসলের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি উৎপাদন করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন আত্রাইয়ের কৃষক বাবু ও নাহিদ হোসেন। তারা জানান, স্কোয়াশ অল্প সময়ে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে উৎপাদনযোগ্য ফসল। তাছাড়া এক বিঘা জমিতে কুমড়ার দ্বিগুণ স্কোয়াশ চাষ সম্ভব। স্কোয়াশের একেকটি গাছের গোড়ায় ১২টি পর্যন্ত ফল ধরে। কয়েকদিনের মধ্যেই খাওয়ার উপযোগী হয়ে ওঠে। বাজারে প্রতি কেজি স্কোয়াশ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।

জানা গেছে, বাজার থেকে স্কোয়াশ সবজির বীজ সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করেন বাবু ও নাহিদ। ওই আবাদে সফল হন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম কাউছার হোসেন বলেন, ‘দেশের প্রচলিত কোনো সবজির এমন উৎপাদন ক্ষমতা নেই। স্কোয়াশ চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষি অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে।’