নন্দীগ্রামে সবজির বাজারে স্বস্তি, চড়া চালের দাম

ঢাকা, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১ | ১০ মাঘ ১৪২৭

নন্দীগ্রামে সবজির বাজারে স্বস্তি, চড়া চালের দাম

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি ৭:৫৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৯, ২০২০

print
নন্দীগ্রামে সবজির বাজারে স্বস্তি, চড়া চালের দাম

শীতকালীন সবজি বাজারে আসায় দীর্ঘদিন পর বগুড়ার নন্দীগ্রামে কমতে শুরু করেছে সবজির দাম। এছাড়া বাজারে সবজির সরবরাহও বেড়েছে। তবে সবজির বাজারের এই স্বস্তি হারিয়ে যাচ্ছে চালের বাজারে গিয়ে। আমন ধানের মৌসুম শুরু থেকে এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে চাল।

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নন্দীগ্রামে প্রায় সবধরনের শীতকালীন সবজির দাম অর্ধেকেরও কম দামে নেমে এসেছে। ফলে স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝে।

বর্তমানে বেগুন ৩০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, করলা ৩০ টাকা, ফুলকপি ৩০ টাকা, পাতাকপি ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, মুলা ১০ টাকা ও আলু আগের মতোই ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির মতো মাছের বাজারও রয়েছে কিছুটা স্বস্তি।

বাজারে (আকারভেদে) প্রতিকেজি শিং মাছ ২০০ থেকে ৫০০ টাকা, রুই মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, মৃগেল ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, কাতলা ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১৮০ টাকা, মলা মাছ ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা সবজি ও মাছের বাজারে খুশি হলেও স্বস্তি মিলছে না চালের বাজারে গিয়ে। বাজারে প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৫৮ টাকা, কাটারিভোগ চাল ৫৫ টাকা ও ৪৯ চাল ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কুন্দারহাটে বাজার করতে আসা আব্দুল মতিন জানান, সবজির দাম কমায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে শাকসবজির দাম অর্ধেকে নেমেছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষজনের জন্য বেশ উপকার হয়েছে।

ক্রেতা বাসুদেব সরকার বলেন, তরিতরকারি ও মাছের বাজারে ভালোই লাগল। চাল ও তেল কিনতেই সব শেষ। খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য সব কিছুর কম দাম হলেই ভালো হয়।