পাবনা নার্সিং ইনস্টিটিউটের ক্লাস শুরু নিয়ে সংশয়

ঢাকা, সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১ | ৫ মাঘ ১৪২৭

পাবনা নার্সিং ইনস্টিটিউটের ক্লাস শুরু নিয়ে সংশয়

পাবনা প্রতিনিধি ৭:২৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২০

print
পাবনা নার্সিং ইনস্টিটিউটের ক্লাস শুরু নিয়ে সংশয়

পাবনায় পাবলিক ও প্রাইভেট যৌথ উদ্যোগে নির্মিত দুইশ শয্যার নার্সিং ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। গণপূর্ত বিভাগের দাবি সামান্য কিছু কাজ বাকি রয়েছে।

গণপূর্ত বিভাগ পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম বলেন, ভাবন নির্মাণসহ সকল কাজ শেষ। একটি ছোট পাম্প হাউজ নির্মাণ কাজ বাকি রয়েছে, যা শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব নার্সিং ইনস্টিটিউট পাবনা ডায়াবেটিক হাসপাতালের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে।

জানা গেছে, ২০১৩ সালে শহরের প্রবেশদ্বার গাছপাড়া এলাকায় পাবনা ডায়াবেটিক হাসপাতাল ১৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধাসহ ২০০ সিটের নার্সিং ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ শুরু করে গণপূর্ত বিভাগ। নির্মাণ কাজের জন্য মোট বরাদ্দের মধ্যে সরকার ১৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং তিন কোটি ৬৪ লাখ টাকা পাবনা ডায়াবেটিক সমিতি পরিশোধ করে।

২০১৮ সালে ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা ছিল, কিন্তু ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে নার্সিং ইনস্টিটিউটের মূল ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও একটি পাম্প হাউজ নির্মাণ কাজ এখনও বাকি রয়েছে।

হাসপাতালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্মাণ কাজের ৯৯ শতাংশ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। মাত্র এক শতাংশ কাজ বাকি থাকায় নবনির্মিত নার্সিং ইনস্টিটিউট ভবন গণপূর্ত বিভাগ ডায়াবেটিক হাসপাতালের কাছে হস্থান্তর না করায় শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না।

ডায়াবেটিক হাসপাতালের সভাপতি বেবি ইসলাম জানান, নির্মাণকাজ সিংহভাগ শেষ হলেও সামান্য কিছু কাজ বাকি থাকায় গণপূর্ত বিভাগ এখনও প্রতিষ্ঠানটি আমাদের বুঝিয়ে দেয়নি। ফলে গত দুই বছরেও এ ইনস্টিটিউটের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য গণপূর্ত বিভাগ এবং স্বাস্থ্য বিভাগকে বার বার তাগাদা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, কাজ শেষ করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুই দফায় সময় বাড়িয়ে এ বছরের জুন মাসের মধ্যে কাজ বুঝিয়ে দেয়ার জন্য চিঠি দিলেও স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে গণপূর্ত বিভাগ পাবনা ডায়াবেটিক হাসপাতালের কাছে ইনস্টিটিউটটি বুঝিয়ে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। এ অবস্থায় আগামী শিক্ষাবর্ষে ক্লাশ শুরু করা নিয়ে সংশয়ে আছি।