বেলকুচিতে আ’লীগের বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

ঢাকা, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

বেলকুচিতে আ’লীগের বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ৬:০৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০২০

print
বেলকুচিতে আ’লীগের বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ টিয়ারসেল গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শনিবার দুপুরে বেলকুচি উপজেলা আ'লীগের উদ্যোগে বর্ধিত সভায় স্থানীয় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেলকুচি মেয়র প্রার্থী সাজ্জাদুল হক রেজার সমর্থক ও বর্তমান মেয়র বেগম আশানুর বিশ্বাসের সমর্থকদের মধ্যে এ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।

আহতরা হলেন- আ'লীগ নেতা কালাম, শ্রমিকলীগ নেতা হাফিজুর, ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রফিকুল, শফিকুল, লিখন, ছাত্রলীগ নেতা ফেরদৌসসহ প্রায় ২০ জন।

স্থানীয়রা জানায়, বেলকুচি উপজেলার আ’লীগের কার্যালয়ে শনিবার বর্ধিত সভা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন। অনুষ্ঠানের শুরুর দিকেই বেলকুচির পৌর মেয়র আশানুর বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি মিছিল সভার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বেলকুচি পৌর মেয়র প্রার্থী সাজ্জাদুল হক রেজার সমর্থকরা রাস্তার উপরে দাড়িয়ে ছিল। আশানুর বিশ্বাসের সমর্থকদের সাথে সাজ্জাদুল হক রেজার সমর্থকদের কথা কাটাকাটি এবং একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়েন এবং ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।

বর্তমান মেয়র আসানুর বিশ্বাস জানান, আমি নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে বর্ধিত সভায় যোগদান করতে কার্যালয়ের কাছাকাছি আসলে সাজ্জাদুল হক রেজার গ্রুপের লোকজন আমার নেতা কর্মীদের উপর ঢিল ছুড়তে থাকে ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায় তারা হামলা চালিয়ে আমার ৮/১০ জন কর্মীকে আহত করেন।

বেলকুচি উপজেলার সাবেক আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল হক রেজা জানান, আমি আসন্ন বেলকুচি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী। এর জের ধরে মেয়র আশানুর বিশ্বাসের লোকজন আমার সর্মথকদের উপর হামলা করেছে। এতে প্রায় ১০/১২ জন কর্মী আহত হয়েছে।

বেলকুচি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, দু’পক্ষের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে নিরাপত্তার স্বার্থে ৬ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।