নওগাঁয় বালুর পরিবর্তে মাটি দিয়ে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ

ঢাকা, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০ | ২১ শ্রাবণ ১৪২৭

নওগাঁয় বালুর পরিবর্তে মাটি দিয়ে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ

ইউসুফ আলী সুমন, মহাদেবপুর (নওগাঁ) ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ, মে ২৩, ২০২০

print
নওগাঁয় বালুর পরিবর্তে মাটি দিয়ে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ

নওগাঁর মহাদেবপুরে সড়কে কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণকাজে বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

সড়কের দায়িত্বে থাকা উপ সহকারী প্রকৌশলী ওমর বক্স বলেন, ‘বালুর বদলে মাটি দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ সত্য নয়। সড়ক নির্মাণে কোন অনিয়ম হচ্ছে না।’ 

নির্মাণ কাজের বিবরণ সম্বলিত সাইনবোর্ড না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি প্রকল্প এলাকায় নির্মাণ কাজের বিবরণ সম্বলিত সাইনবোর্ড দৃশ্যমান থাকার নিয়ম রয়েছে, কিন্তু মহাদেবপুরে প্রায় ৯৫ শতাংশ কার্যস্থলেই সাইনবোর্ড থাকে না।’

জানা গেছে, মহাদেবপুরে চকগোবিন্দ মাঠ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা পর্যন্ত প্রায় ৮০০ মিটার সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পাকা করার কাজ হচ্ছে। কাজটি করছে এলজিইডির তালিকাভুক্ত জেলার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সড়কের কাজের মান অত্যন্ত নি¤œমানের। দরপত্রের নিয়ম না মেনে কাজ হচ্ছে ঠিকাদারের ইচ্ছা মতো। সড়কে মাটি, ইটের খোয়া ও বালু দেওয়ার কারণে বৃষ্টিতে পলিমাটির মতোই কর্দমাক্ত হয়ে যায়। এ নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়মানুযায়ী কার্যস্থলে নির্মাণকাজের বিবরণ সম্বলিত সাইনবোর্ড দৃশ্যমান থাকার কথা থাকলেও তা টানানো হয়নি। ফলে এ কাজের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমলে নিচ্ছে না। উপজেলা প্রকৌশলী সুমন মাহমুদের নাকের ডগায় রাস্তার নির্মাণকাজে অনিয়ম হলেও তিনি নীরব। সঠিক তদারকি না থাকায় দায়সারাভাবে বালির পরিবর্তে মাটি দিয়ে দ্রুত গতিতে কাজ করার চেষ্টা করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রকৌশলীদের যোগসাজশে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছামতো কাজ করলেও দেখার কেউ নেই।

উপজেলা প্রকৌশলী সুমন মাহমুদের কাছে মুঠোফোনে বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে বর্তমান সাধারণ ছুটি চলছে। ছুটি শেষ হলে অফিসে আসেন।’

স্থানীয়দের দাবি দ্রুত তদন্ত করে শিডিউল অনুসারে উপকরণ দিয়ে যেন রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এ বিষয়ে তারা দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।