ঝুঁকি নিয়ে চলছে যান

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭

বগুড়ায় সংযোগ সড়কে ধস

ঝুঁকি নিয়ে চলছে যান

বগুড়া প্রতিনিধি ১:০৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০১, ২০১৯

print
ঝুঁকি নিয়ে চলছে যান

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর বন্দর ব্রিজের সংযোগ সড়কটি এ বছরের বন্যায় দুপাশ থেকে ধসে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতোদিনেও সড়কটি সংস্কার না করায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে পথচারী ও যানবাহন। একটু অসতর্ক হলেই গভীর খাদে পড়ে প্রাণহানীর মত ঘটনা ঘটতে পারে। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা গেছে, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর-কদমতলী হয়ে সারিয়াকান্দি সড়কটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ওই সড়ক দিয়ে গাবতলী, সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলার বিপুল সংখ্যক মানুষ মাইক্রোবাস, সিএনজি, অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলে করে যাতায়াত করে। কৃষক ও ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য এ সড়ক ও রেলপথ দিয়ে দেশের বিভিন্ন মোকামে নিয়ে যায়। এছাড়াও ওই পথ দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা যাতায়াত করেন।

চলতি বছরের জুন মাসে বন্যায় পানির স্রোতে গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর বন্দরের কাছে ব্রিজের সংযোগ সড়কটি দুপাশ থেকে ধসে স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। সেখানে আজও মাটিভরাট করা হয়নি। একটু অসতর্ক হলেই পথচারী ও যানবাহন গভীর খাদে পড়ে যেতে পারে। এতে হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় কুড়িরপাড়া গ্রামের এমএ হাকিম, মতিন মাস্টার ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি টিএম মুসা পেস্তা জানান, গুরুত্বপূর্ণ সুখানপুকুর বন্দর দিয়ে প্রতিদিন সোনাতলা, গাবতলী ও সারিয়াকান্দি উপজেলার শতশত মানুষ এবং যানবাহন দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। ব্রিজের সংযোগ সড়কটি সংস্কার না করায় জনগণকে ঝুঁকি নিয়ে এ পথ দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একেএম লতিফুল বারী মিন্টু জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিক বার জানানো হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সংযোগ সড়কটি সংস্কারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গাবতলী উপজেলা প্রকৌশলী রিপন কুমার সাহা জানান, গত জুনের পর বন্যায় এলজিইডির ছোট-বড় চারটি ব্রিজের সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সংস্কারের জন্য এলজিইডির সাপোর্টিং ফর রুলার ব্রিজ প্রজেক্ট এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পুনর্বাসন প্রকল্পে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।