যত্রতত্র ইটভাটা

ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

যত্রতত্র ইটভাটা

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি ১:১৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৫, ২০১৯

print
যত্রতত্র ইটভাটা

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় সরকারি অনুমোদন ছাড়া ও কোন প্রকার নিয়ম-নীতি না মেনেই যত্রতত্র গড়ে উঠেছে ইটভাটা। কৃষিজমি, বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বনাঞ্চল ও পাকা সড়ক ঘেঁষেই গড়ে তোলা হয়েছে এসব ইটভাটা।

ভাটায় ব্যবহারের জন্য কেটে নেয়া হচ্ছে কৃষিজমির টপসয়েল বা মাটি। ইটভাটা নির্মাণ করতে পরিবেশ অধিদফতরের কোন নিয়ম-নীতিও মানা হচ্ছে না। অধিকাংশ ভাটার পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স নেই। ফলে ইটভাটা এলাকায় কৃষিজমি এখন চরম বিপর্যয়ের শঙ্কায় রয়েছে।

বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বগুড়া জেলায় ২১৯টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ৭৪টি ইটভাটার লাইসেন্স আছে। অবশিষ্ট ১৪৫টি ইটভাটা লাইসেন্সবিহীন। তবে বেসরকারি হিসেবে জেলায় ইটভাটার সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি।

অন্যদিকে ধুনট উপজেলার দশটি ইউনিয়নে ইটভাটা রয়েছে প্রায় ৪০টি। এদের অধিকাংশেরই পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স নেই। তন্মধ্যে মথুরাপুর ইউনিয়নেই অনুমোদনবিহীন ইটভাটা রয়েছে প্রায় ১৫টি। যার আটটি ইটভাটাই নির্মাণ করা হয়েছে ওই ইউনিয়নের কুঁড়িগাঁতি গ্রামে। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই গত ২/৩ বছর যাবত কুড়িগাঁতি গ্রামের প্রগতি ব্রিকস, বস ব্রিকস, দিগন্ত ব্রিকস, বন্ধু ব্রিকস, ফাইভ স্টার ব্রিকস, আদর্শ ব্রিকস, একতা ব্রিকস, গ্রামীণ ব্রিকস ও প্রগতি ব্রিকস অবৈধভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা বলেন, ইটভাটা স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র সাপেক্ষে জেলা প্রশাসন লাইসেন্স দিয়ে থাকেন। জেলা প্রশাসক মহোদয় যদি তদন্ত করে রিপোর্ট চান যে সেখানে ইটভাটা হতে পারে কিনা সে ক্ষেত্রে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করি। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে ইটভাটা স্থাপনের জন্য কেউ অনুমতি নিতে আসেনি। তবে প্রশাসনের নামে ভাটা মালিকদের থেকে টাকা আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের নামে কেউ যাদি টাকা আদায় করে থাকে তাহলে তদন্ত করে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।