বগুড়ায় বন্যা মোকাবেলায় ৩৭ লাখ টাকা বরাদ্দ

ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯ | ৬ ভাদ্র ১৪২৬

বগুড়ায় বন্যা মোকাবেলায় ৩৭ লাখ টাকা বরাদ্দ

তোফাজ্জল হোসেন, বগুড়া ২:৪৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৪, ২০১৯

print
বগুড়ায় বন্যা মোকাবেলায় ৩৭ লাখ টাকা বরাদ্দ

এবছর বগুড়ার ছয়টি উপজেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বগুড়ায় এ পর্যন্ত এক হাজার ২০০ টন চাল, ২২ লাখ টাকা, গো-খাদ্য ও শিশু খাদ্য ক্রয়ের জন্য তিন লাখ টাকা করে ছয়লাখ টাকা এবং বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য গৃহ-নির্মাণ মঞ্জুরীসহ ৩০০ বান্ডিল ঢেউটিন ও ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়। পানি নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজাহার আলী মন্ডল বলেন, বন্যার শুরু থেকেই পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার পর পরই সেগুলো থেকে বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোতে উপ-বরাদ্দের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জিআর খাতে ১২০০ টন চালের মধ্যে ১৮৭ দশমিক ৫০০ টন চাল, ২২ লাখ টাকার মধ্যে ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা অবশিষ্ট রয়েছে।

৩ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, গো-খাদ্য ক্রয়ের জন্য ৩ লাখ টাকা এবং শিশু খাদ্য ক্রয়ের জন্য ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়ার পর সেগুলো উপ-বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য গৃহ-নির্মাণ মঞ্জুরীসহ ৩০০ বান্ডিল ঢেউটিন ও ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বন্যার পানি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার চিহ্নিত করে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি বান্ডিল ঢেউটিনের সঙ্গে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

এছাড়া বগুড়ায় যেখানে যা প্রয়োজন তা দেওয়া হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ে ৫০০ টন চাল, ১০ লাখ টাকা, গো-খাদ্য ও শিশু খাদ্য ক্রয়ের জন্য ১০ লাখ টাকা, ১০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবারের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়ার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান বলেন, বন্যায় সাততটি উপজেলায় ২২ হাজার ২৬০ হেক্টর জমির পাট, আউশ ধান, আমনের বীজতলা, শাকসবজি, মরিচ, আখ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ৩১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্ববাসনের জন্য ক্ষতির সমপরিমান টাকা চাহিদা পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে।

জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আমান উল্লাহ মন্ডল এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাহমিনা খাতুন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বন্যার পানি নামছে। ইতোমধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠানের পানি নেমে গেছে সেগুলো উপযোগী করার পর পাঠদান শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।