ভয়ে নয়, স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাঁচতে শিখি

ঢাকা, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১ | ৫ বৈশাখ ১৪২৮

ভয়ে নয়, স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাঁচতে শিখি

অরিত্র দাস ৮:১০ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ০৭, ২০২১

print
ভয়ে নয়, স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাঁচতে শিখি

ভদ্র হিসেবে গড়ে তুলতে গিয়ে আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের প্রতিবাদহীন নিষ্কর্মার ঢেঁকি অর্থাৎ অকেজো করে গড়ে তুলছি না তো? ভালো ছেলেমেয়ে, মেধাবী, কারও সাতে-পাছে নেই, অত্যন্ত নমনীয় কিন্তু দেশ ও দশের কোনো কাজে আসছে না। এমন সন্তানের প্রয়োজন কতটুকু? ঘরের আসবাবপত্র যত দামিই হোক, পুরনো হলে, অকেজো হলে তাকেও একসময় ফেলে দিতে হয়।

আপন ঘর থেকেই একটি ছেলে শিখে বড় হয়, বাইরে কারও সঙ্গে তর্ক করবে না। কেউ অন্যায়ভাবে চপেটাঘাত করলেও চুপ করে সেখান থেকে চলে আসবে। প্রতিবাদ করবে না। কেউ কিছু বললে উত্তর দেবে না। কেন ভাই, উত্তর দেব না কেন? বোবা হয়ে থাকার জন্য তো কথা শিখিনি। অন্যদিকে একটি মেয়ে শিখে বড় হয়, বাইরে গেলে মাথা নিচু করে মাটির দিকে তাকিয়ে হাঁটতে হবে। ডানে বামে তাকানো যাবে না। চোখের ওপর চোখ রাখা যাবে না। কারণ, তুমি মেয়ে। নমনীয়তাই তোমায় মানায়। ভদ্র করে গড়ে তুলতে গিয়ে আদত আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের সংকীর্ণ করে তুলছি। ফলে বড় হলে আমাদের ছেলেমেয়েরা নিজেদের গুটিয়ে রাখে। সঠিক জায়গায় সঠিক কথা বলতে পারে না। মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে না। অন্যায়ের প্রতিবাদ কিংবা প্রতিরোধ কোনোটাই সে পারে না। অথচ তাদের এই গুণাবলি দেখে মুগ্ধ হয় সবাই। ভদ্র বলে বাহবা দেয়। এটাকে ঠিক ভদ্রতা বলা চলে না, এটা স্রেফ অদক্ষতা।

অনেকে আবার এ অদক্ষতা প্রমোট করে বলে, ছেলেমেয়ে দুটো চুপচাপ থাকে। দেখেছ কত ভদ্র, কত ব্যক্তিত্ববান। এ সমাজে যারা কম কথা বলে বা বলেই না তাদের ব্যক্তিত্ববান হিসেবে গণ্য করা হয়। আসলে মোটা দাগে কথা এই, ব্যক্তিত্ববান যতটা নয়, তার চেয়ে বড় কথা- তারা সংকীর্ণতা ও জড়তার পোশাক দ্বারা আবৃত। তাই নিজেকে প্রকাশ করতে পারে না। নিজেকে প্রকাশের অভিপ্রায়ে আপ্রাণ চেষ্টা করতে গিয়ে পরিস্থিতি এলোমেলো করে তোলে। সুতরাং নিজেকে গুটিয়ে রাখাই বরং নিরাপদ। তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাদের একাকিত্বের মুহূর্ত খুবই বিষাদ। নিজেকে দোষারোপ করতে করতেই জীবন ফুরিয়ে যায়।

এই বেড়াজাল তৈরি করে দেয় পরিবার, সমাজ ও পরিবেশ। একই কথা হতে পারে তা গভীর কিংবা অগভীর, যা বারবার শুনতে শুনতে একসময় মানুষের আদর্শ হয়ে দাঁড়ায়। মানুষ তার চারপাশে যা শুনে অবচেতন মনে তা ধারণ করতে শুরু করে। তুমি মেয়ে, তোমার মধ্যে মানিয়ে নেওয়ার প্রবণতা থাকতে হবে, কেউ যেন তোমাকে খারাপ না জানে। ‘খারাপ না জানে’- শুনতে ভালো শোনালেও এটি খুবই সস্তা একটা টার্ম। এই শিক্ষায় শিক্ষিত করতে গিয়ে আমরা একটা মেয়ের কোমল ও স্বাভাবিক জীবনকে অস্বাভাবিক করে তুলি। তাকে বিরূপ প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিই, যে বিরূপ পরিবেশ-পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ জানা থাকলেও সে পথ খুঁজে নিতে পারে না। পাছে এ সমাজ তাকে খারাপ বলে। তাই দোষ দিই ভাগ্যের, ভাগ্যে ছিলা। খাল কেটে কুমির এনে ভাগ্যের দোষ দেওয়া মননশীলতার দৈন্যতা। যে সমাজে নারীরা মাথা নিচু করে হাঁটে, সে সমাজও পারতপক্ষে মাথা নিচু করে আছে।

ফলত, মেয়েটি ভদ্রতার পরিচয় দিতে গিয়ে নিজেকে বিনা পয়সায় তুলে দেয় সমাজের হাতে। সমাজ তখন তাকে নিয়ে খেলতে বসে যায়। কি খেলে? দাঁড়িয়াবান্ধা। আমাদের স্কুল কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ের শতকরা সিংহভাগ মেয়েরা মাটির দিকে চোখ রেখে হাঁটে। ওরা ভাবে, এটাই ওদের শিষ্টতা। মাটির দিকে চোখ রেখে হাঁটা কি খারাপ? নিশ্চয়ই খারাপ না, আবার ভালোও না। নরম মাটিতে কেঁচো গর্ত খুঁড়তে সুবিধা পায়- এ কথা তো সর্বজন বিধৃত। উপরের দিকে চোখ তুলে যারা হাঁটে, তাদের একপ্রকার সুযোগ করে দেয় এই মাটির দিকে দৃষ্টি রেখে হাঁটা চোখগুলো। অনুন্নত ও পিছিয়ে পড়া রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যেখানে সুসংগঠিত বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দল নেই, প্রগতিশীলতা নেই, সর্বত্র দুর্নীতি, ঠুনকো অনুভূতি, কুসংস্কার, ধর্মীয় অন্ধত্বের জয়জয়কার, ধর্মীয় অপব্যাখ্যা, সংখ্যাগরিষ্ঠ কবি ও সাহিত্যিক কোনো নির্দিষ্ট দলের তাবেদার, দলের কেউ অন্যায় করলে, বাকিরা মিলে তাকে বাঁচাতে ন্যায়ের বুলি আউড়ায় পত্রিকায়, কবিতা ও প্রবন্ধে, সেখানে সমাজও একশ্রেণির খদ্দের। এ সমাজের কাছে মেয়েরা নিরাপদ নয়। সমাজ এবং মানুষ, এই দুইয়ের মধ্যে একটা যোগসূত্র আছে। দুজনই গুরুত্ব পেলে ধরাকে সরা জ্ঞান করে।

যেখানে মানুষ বসবাস করা শুরু করে, সেখানে সমাজ তৈরি হয়। সমাজ আছে বলেই যে তাকে মান্য করতে হবে, এমনটি হওয়া উচিত নয়। সমাজ যদি ভালো হয়, তাকে অবশ্যই গ্রহণ করব এবং সমাজ খারাপ হলে তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিতে কুণ্ঠিত হওয়া যাবে না। আপনাকে তৈরি করতে হলে সমাজকে একপাশে সরিয়ে রাখা আবশ্যক। সমাজ কি বলবে? মানুষ কি ভাববে?- এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব যথার্থ মানুষ হতে দেয় না। কেননা এ জনপদের সমাজ স্বার্থান্ধ কলুষিত ও বৈমাত্রেয়। বিপুল সমর্থনকারী এ সমাজের কাছ থেকে পরিবর্তন ও সাম্যতা আশা করা দুরাশাই বটে। একটা সমাজ যা শেখায়, তার চেয়ে বেশি কেড়ে নেয়। এ হতে পারে ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক। উন্নত সমাজব্যবস্থা উন্নত মানসিকতা তৈরি করে, অনুন্নত সমাজ তৈরি করে নিচু মানসিকতা। আমাদের সমাজব্যবস্থা উন্নত নয়, এটা ভুলে গেলে তো চলবে না।

সমাজে উঁচু দালান আছে, প্রশস্ত রাস্তা আছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দোকানপাট আছে। সেই তুলনায় কিন্তু আধুনিক এবং প্রশস্ত মনের মানুষ নেই বললেই চলে। আমাদের শিক্ষিতদের অধিকাংশ সুযোগের অভাব ও সামাজিক স্ট্যাটাস তথা দায়বদ্ধতার কারণে সৎ। শিক্ষিতদের অধিকাংশ করে দুর্নীতি, অশিক্ষিতদের অধিকাংশ করে ক্রাইম। মানুষকে কখনো কোনো সংজ্ঞায় ফেলে সংজ্ঞায়িত করা যায় না। এক সময় ভাবা হতো, ধর্মান্ধ ও অশিক্ষিত বাঙালি যদি শিক্ষিত হয়, তবে তারা আরও মানবিক, আরও প্রগতিশীল এবং আরও অসাম্প্রদায়িক হবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, শিক্ষিতদের মাঝে ধর্মীয় সংকীর্ণতা, প্রতিক্রিয়াশীলতা কম যায় না এবং দিনদিন এদের সংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষিতদের ভিতরটা যদি একবার দেখা যেত তবে আঁতকে উঠত মানুষ- ভদ্রতার সুতোয় বুননকৃত চাদরের অন্তরালে অভদ্রতার বিশাল সুদীর্ঘ মাঠ।

অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত বিকৃত পচে যাওয়া নাগরিকগণ প্রকাশ্যে যা করে, শিক্ষিত সচেতন মহলের নাগরিকবৃন্দ তা অপ্রকাশ্যে করতে মরিয়া হয়ে থাকে। চাঁদের গায়ে কলঙ্ক লাগলেও শিক্ষিতদের গায়ে কলঙ্ক লাগানো সহজ নয়। কেননা তারা ধুরন্ধর। তারা সব করে বা করার চেষ্টা করে কিন্তু একটা পর্দা সবসময় তাদের আবৃত করে রাখে, পর্দাটার নাম শিক্ষিত সমাজ। বাংলায় একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে- ডুব দিয়ে জল খায়, একাদশীর বাপেও জানে না। প্রকৃতপক্ষে শিক্ষিত সমাজ বলতে যা বুঝায়, তা বাংলাদেশে অনুপস্থিত। এদিক থেকে বিশ^বিদ্যালয়গুলো ব্যর্থ। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাঙালি জাতিকে শিক্ষিত করতে বারবার অদক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। অদক্ষতার পরিচয় দিলেও প্রতিবছর নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ঠিকই নির্মাণ হচ্ছে। একসময় বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলের মধ্যে কোনো প্রকার তফাত থাকবে না।

একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল, আমি যে সময়টাতে টিউশনের উদ্দেশ্যে যাই, তখন আলোর তেজ পড়ে যায়। স্কুল ছুটি হয়। একবার পড়াতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম, একটা মেয়ে প্রায়ই এ সময় স্কুল থেকে ফেরে। ফেরার পথে রাস্তার ছেলেগুলো তাকিয়ে থাকে, তাকানো খারাপ নয় কিন্তু ওদের তাকানোয় দূষণ ছিল- দৃষ্টিদূষণ। কামুকতা ছিল। কেউ উচ্চবাচ্য করছে। কেউ উচ্চশব্দে হাসছে। এ সবই মেয়েটির মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা। কেউবা মেয়েটির পা থেকে মাথা পর্যন্ত লোভনীয় দৃষ্টিতে দেখে নিচ্ছে। মেয়েটির কোনো ভাবাবেগ নেই। সে আর সব মেয়েদের মতো মাটির দিকে তাকিয়ে হাঁটছে। সে মনে করছে- চোখের ওপর চোখ না রেখে হাঁটাই তার ভদ্রতা। এটা করলে ওই ছেলেগুলো সাহস পাবে না।

কিন্তু ভুল, এতে বরং ওদের সুযোগ হয়েছে। মেয়েটিকে ওরা দেখছে। চোখের ওপর চোখ রেখে হাঁটতে পারাটা খুবই গুরুত্ববহ। মেয়েরা নিচের দিকে চোখ রেখে হেঁটে অপরকে তার শরীর দেখার সুযোগ করে দেয়। চোখের ওপর চোখ রাখলে সে সুযোগ আর পায় না। কিন্তু মেয়েরা যেকেনো সাহস করে না! চোখ নামিয়ে হাঁটা মোটেই ভালো দিক নয়, ভালো কথা নয় বরং মন্দ অভ্যাস। দুর্বলতা। যা ছোটবেলা থেকে আমাদের ছেলেমেয়েদের শেখানো হয়। মেয়েদের একটু নয়, বেশিই শেখানো হয়। ফলে মেয়েদের মনে একটা ভয়ের উদ্বেগ হয়। প্রতিবাদ করতে চায় না। এজন্য আমরাই দায়ী। কারণ ভদ্রতার ধোঁয়া তুলে মেয়েদের চিন্তাশক্তি ও অন্তরপ্রদেশ সংকুচিত করে তুলেছি। যার কারণে মেয়েরা জানে না খারাপ ছেলেদের ভয় পেতে নেই, ভয় পেতে হয় ভালো ছেলেদের। ভয় শব্দটা কত স্নিগ্ধ, কত শ্রদ্ধেয়। অথচ তা কিনা বাজে ছেলেদের জন্য। আক্ষেপ, এখানে সমাজ উল্টো। মেয়েরা সমাজের উল্টো পথে হাঁটে।

যে মেয়ে চোখের ওপর চোখ রেখে চলে, তার শরীরের দিকে পথচারী পুরুষ তাকানোর সুযোগ পায় না। বাতাস হলে আকাশের মেঘ কেটে যায়। এদেশের অধিকাংশ মেয়েগুলো মাথা নিচু করে আছে বলেই সমাজ সাহস পায় তাকে অসুন্দর করতে। মেয়েরা পরিবর্তনের চেষ্টাই করে না পাছে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। হিতে বিপরীত হয়। হতাশা গ্রাস করে। তখন তো আর পাঁচটা মেয়ে মুখ উঁচিয়ে বলবে, বাজে ছেলেদের সঙ্গে লাগতে না গেলেই হলো। কই আমরা তো যাই নি, আমাদের সঙ্গে ওরা লাগতেও আসে নি। মেয়ে মানুষের এত সাহস কিসের? অথচ এই পাঁচটা মেয়ে জানে না- যার চেষ্টা যত বেশি, তার ব্যর্থতা তত বেশি, তত বেশি হতাশা ও বিড়ম্বনা। যার চেষ্টা নেই, তার ব্যর্থতাও নেই, হতাশাও নেই। আছে কেবল নিজেকে জাহির করার প্রবণতা। সবকিছু সহ্য করা যায় কিন্তু রাস্তায় বিরক্ত করা, ইঙ্গিত করে কথা বলা, পথরোধ করে প্রেমপত্র দেওয়া, যাতায়াতে বিঘœ সৃষ্টি করা, ইভটিজিং করা এসব মানা যায় না। এরা নর্দমার কিটের চেয়েও ঘৃণ্য। গান্ধী পোকার চেয়েও জঘণ্য। বিষাক্ত সাপের চেয়ে বিষধর।

উপরন্তু আমাদের সমাজের মেয়েরাও কেন জানি এসবের সঙ্গে বড় অভ্যস্ত হয়ে গেছে। কখনো কখনো দেখা যায়, নারীরা একজন কুপুরুষের প্রেমেই বেশি পড়ে। মন্দ ছেলের মন্দ উপায়ে প্রেম নিবেদনই তার কাছে হয়ে ওঠে প্রেমের মানদ-। যে প্রেম নিবেদনে কোনো শিল্প ও রঙের ছোঁয়া নেই। অধিকাংশ নারী ও পুরুষের মধ্যকার যে প্রেম, তা সৃষ্টি ছাড়া। নারীকে জয় করতে হয় ব্যক্তিত্ব ও যোগ্যতা দিয়ে অথচ এ সমাজে নারীকে জয় করা হয় শক্তি, অর্থ আর ন্যক্কারবাজি (ছ্যাঁচড়ামি) দিয়ে। অন্যদিকে পুরুষকে জয় করতে হয় হৃদয় ও গুণ দিয়ে। অথচ এ সমাজে পুরুষকে জয় করা হয় রূপ আর কামুকতা দিয়ে। ফলে এখানে নারী পুরুষের যে সম্পর্ক তাতে কখনো সমতা, স্বচ্ছতা, গভীরতা আসবে কিনা একটা প্রশ্ন রয়ে যায়।

শূন্য থেকে যে মানুষ, মানুষ জন্ম দেয়; সে মানুষের হাতেই আবার আগুনে পুড়ে মানুষকে শূন্যে ফিরে যেতে হয়। মানুষে মানুষে সম্পর্ক মজবুত হয় যার যার ব্যক্তিগত স্বকীয়তা দ্বারা। যাদের নিজের বলতে কেউ নেই, তারা সবার সঙ্গে মিশে। যাদের কর্তব্য কেউ করে না, তারা সকলের কর্তব্য করে বেড়ায়। যাদের প্রতি কারও অধিকার নেই, তারা সকলের ওপর নিজের অধিকার আরোপ করতে চায়। যারা নিজেকে গুরুত্বহীন মনে করে, তারা বাকি সবাইকে ভয় পায়। সমীহ করে চলে। একটি মেয়ের সবচেয়ে বড় গুণ হওয়া উচিত, গর্বের জায়গা হওয়া উচিত- সে মেয়ে। এই বিষয়গুলো উপলব্ধি করতে পারলেই মেয়েরা চোখের ওপর চোখ রেখে চলতে পারবে। অপাত্রে ভয় সম্প্রদান করবে না।

অরিত্র দাস : শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়