একুশের অবিনাশী চেতনা

ঢাকা, রবিবার, ৭ মার্চ ২০২১ | ২২ ফাল্গুন ১৪২৭

একুশের অবিনাশী চেতনা

শেখ আনোয়ার ১:২২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১

print
একুশের অবিনাশী চেতনা

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জীবনে অবিস্মরণীয় ও চিরভাস্বর দিন। চিরপ্রেরণার প্রতীক। এদিন রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবহ মহান শহীদ দিবস। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও। সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও বেতার এই দিবসে বিশেষ ক্রোড়পত্র ও অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে। অর্ধনমিত রাখা হয় জাতীয় পতাকা। একই সঙ্গে সর্বত্র ওড়ানো হয় শোকের কালো পতাকা। এদিন সরকারি ছুটির দিন। মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার আগেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ এক কাতারে আসেন। সবার সব পথ এসে মিলে এক অভিন্ন গন্তব্যে। সেই গন্তব্য শহীদ মিনার। বাঙালি জাতিসত্তার প্রেরণা ও ঐতিহ্যের শহীদ মিনার।

শহীদ মিনারের দিকে বসন্তে ফোটা ফুলের স্তবক হাতে নিয়ে, ভেদাভেদ ভুলে ধীর পায়ে, নগ্ন পায়ে, বুকে শোকের প্রতীক কালো ব্যাজ লাগিয়ে এগিয়ে যান হাজার হাজার নর-নারী। কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় একুশের অমর শোকসঙ্গীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি’। মাতৃভাষার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, মর্যাদা ও শ্রদ্ধা জানাতে গোটা জাতি অবনত মস্তকে নীরবে দাঁড়ায় শহীদ মিনারে। ঢাকাতেই শুধু নয়। সারা দেশের স্কুল-কলেজ, জেলা ও থানা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দেশের সর্বস্তরের মানুষ। একই সঙ্গে সর্বস্তরে বাংলা প্রচলনের এবং অন্যান্য জাতিসত্তার ভাষা ও বর্ণমালা সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়। শুধু বাংলাদেশ নয়। এখন সারা বিশ্ব একুশ ফেব্রুয়ারিকে বরণ করে গভীর শ্রদ্ধায়। বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। বিশ্বের সব জাতিসত্তার ভাষা রক্ষার দিন হিসেবে জাতিসংঘ বেছে নিয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারিকে। বিদেশের শহীদ মিনারের বেদিগুলো এদিন শহীদদের প্রতি অন্তরের অন্তস্থল থেকে নিবেদিত শ্রদ্ধার ফুলে ফুলে বর্ণিল হয়ে ওঠে।

একুশের এই অবিনাশী চেতনার জন্ম হয়েছিল এক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে। জাতিগত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সুদীর্ঘ পথপরিক্রমার একপর্যায়ে ১৯৪৭ সালে ইংরেজরা ভারতবর্ষকে দ্বিখ-িত করে যায়। একদিকে পাকিস্তান অপরদিকে ভারত। ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর পাকিস্তানের আবার দু’ভাগ হয়। একদিকে পশ্চিম পাকিস্তান অপরদিকে পূর্ব পাকিস্তান। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অস্তিত্ব ও ভাগ্যকে জুড়ে দেওয়া হয় কৃত্রিম ও সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র পাকিস্তানের সঙ্গে। পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমাঞ্চলের শাসকগোষ্ঠী পূর্বাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিকে তাদের অধীন করে রাখার পরিকল্পনা করে। তারই অংশ হিসেবে প্রথমেই তারা বাঙালিদের ভুলিয়ে দিতে চায় তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয় বাংলা ভাষাকে। উদ্দেশ্য ছিল মাতৃভাষা কেড়ে নিয়ে বাঙালির জাতিসত্তাকে পঙ্গু করে দেওয়া। ভাষা নিয়ে বাঙালি প্রথম বৈষম্য ও শোষণের শিকার হয়। গবেষণা পরিসংখ্যান বলছে, তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল বেশি এবং তাদের মুখের ভাষা ছিল বাংলা। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৯৮ শতাংশ মানুষের প্রাণের ভাষা, মুখের ভাষা বাংলা। অন্যদিকে পশ্চিম পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম এবং তাদের ভাষা ছিল উর্দু। আর উর্দু ছিল পাকিস্তানি ভাষাভাষীর দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে। শতকরা ৭ জনের মুখের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রভাষা- এ বাস্তব সত্য অস্বীকার করে বাংলা ভাষাকে উপেক্ষা করে বাংলার পরিবর্তে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রয়াস পায় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।

পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার পূর্বে ঘোষণা করেন, ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।’ এমন ঘোষণায় তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্ররা ‘না’ ‘না’ বলে প্রতিবাদ করেন। মূলত সেখান থেকেই ভাষা আন্দোলনের শুরু। প্রতিবাদে গর্জে ওঠে পূর্ব বাংলার বাঙালি। শুরু হয় বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ রুখে দাঁড়ায়। চার বছরে লাখ লাখ মানুষ আন্দোলনে যোগ দেন। এটা ছিল মূলত গণআন্দোলন। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫১-র মধ্যে ক্রমে আরও জোরালো হয়ে ওঠে বাংলা ভাষার মর্যাদা আদায়ের গণআন্দোলন। তা পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক আন্দোলনের মূল ইস্যু হয়ে ওঠে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ধূমায়িত হতে থাকে পুঞ্জীভূত বিক্ষোভ। পূর্ব বাংলার বাঙালিরা মাতৃভাষার স্বাধীনতা চায়। পাকিস্তানি আর বাঙালিতে দ্বন্দ্ব ক্রমশ তীব্রতর হতে থাকে। বাঙালির ভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার সব আয়োজন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়ে সেদিন জীবন-মরণ লড়াইয়ে নেমেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শেখ মুজিব তার জীবন সাধনা ও সংগ্রাম শুরু করেন সেই ১৯৪৮ সালেই। ’৫২র ভাষা আন্দোলনের সময় যখন একদল বাঙালি বলেছিলেন ‘অন্যতম রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ তখন শেখ মুজিবসহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ নেতারা স্লোগান দেন- ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’। পাকিস্তানিরা শুরু থেকেই বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের হাজার বছরের ঐতিহ্যকে নানাভাবে মুছে ফেলার চেষ্টা করে। সংস্কৃতির একমাত্র নিয়ামক শক্তি হিসেবে সামনে তুলে ধরে ধর্মকে। বঙ্গবন্ধু দেখলেন, পাকিস্তানি শাসক চক্র বাংলা ও উর্দুর মিশ্রণে নতুন পাকিস্তানি ভাষা উদ্ভব, কিংবা আরবি হরফে বাংলা লেখার জন্য নানা অপচেষ্টা চালাচ্ছিল।

বাংলা বর্ণমালা, বানান, ব্যাকরণ প্রভৃতির সংস্কার, বাংলা ভাষা সরলীকরণ, রোমান ও আরবি হরফে বাংলা লেখা প্রবর্তন প্রভৃতি উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষাকে ও সেই সূত্রে বাংলা সাহিত্যকে দুর্বল ও বিকৃত করে, বাঙালি সংস্কৃতিকে পঙ্গু করে এবং ওই পথ ধরে বাঙালি জাতীয়তাবাদ চেতনাকে সমূলে উৎপাটিত করার সার্বিক অপপ্রয়াস চালানো হয়। ১৯৫২ সালের শুরুতে আন্দোলন প্রবল হয়ে উঠতে থাকে। ওই বছর একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ ও সাধারণ ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মাতৃভাষার স্বাধীনতার জন্য আন্দোলনের ডাক দেয়। পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার আন্দোলন দমন করার জন্য ১৪৪ ধারা জারির মাধ্যমে জনসমাগম, জনসভা ও মিছিল নিষিদ্ধ করে দেয়। প্রতিবাদে ফেটে পড়ে সারা পূর্ব বাংলা। ছাত্ররা সংগঠিতভাবে ১৪৪ ধারা ভাঙলে বিক্ষোভরত ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশ গুলি চালায়। মাতৃভাষার জন্য রফিক, সালাম, বরকত, শফিউর, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকেই শহীদ হয়ে আত্মদানের অভূতপূর্ব নজির স্থাপন করেন। মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার্থে একুশে ফেব্রুয়ারি বুকের রক্তে ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত করে বাংলা মায়ের এই বীর সন্তানরা পৃথিবীতে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। তাদের রক্তে শৃঙ্খলমুক্ত হয় দুঃখিনী বর্ণমালা, মায়ের ভাষা- বাংলা। পরদিন সারা রাত জেগে শহীদদের স্মরণে ছাত্র-জনতা গড়ে তুলে শহীদ মিনার। পাকিস্তানি পুলিশ তা ভেঙে ফেললে আবারও গড়ে ওঠে শহীদ মিনার। এ শহীদ মিনার একুশের শোক, সংগ্রাম ও শপথের প্রতীক। তা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও জাতিচেতনামূলক আন্দোলনের চালিকাকেন্দ্র হয়ে রয়েছে আমাদের জাতীয় জীবনে।

একুশের চেতনার তাৎপর্য বহুমুখী। প্রথমত, বাঙালির জাতীয় চেতনাকে একুশ দিয়েছে স্ফটিক স্বচ্ছতা। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা বাঙালির ওপর যে জাতিগত শোষণ ও নিপীড়ন চালিয়েছিল তার বিরুদ্ধে জাতীয় চেতনায় সংগঠিত হতে একুশ আমাদের উদ্বুদ্ধ করেছে। পরবর্তীকালে প্রতিটি স্বাধিকার ও স্বাধীনতার গণআন্দোলনের প্রেরণাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে এই আন্দোলন। আমাদের সচেতন, সক্রিয় ও প্রাণিত করেছে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক চেতনায়। এই আন্দোলনের ভিতর দিয়ে সেদিন পূর্ব বাংলার অধিকারবঞ্চিত মানুষের প্রথম সংগঠিত সংগ্রামের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শহীদদের রক্ত বাঙালির প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে প্রেরণা জোগায়। দিনটিকে কেন্দ্র করে বাঙালির জাতিসত্তায় যে চেতনার জন্ম হয়েছিল, তা ছিল এক অবিনাশী চেতনা। এই চেতনায় রয়েছে আমাদের জাতীয় জীবনে আত্মত্যাগের বীজমন্ত্র। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ভাববীজ আমরা পেয়েছি একুশের এই চেতনা থেকেই। এর পরের ইতিহাস পর্যায়ক্রমিক আন্দোলনের। ’৫৪-র নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬২-র শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-র স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই, ’৬৯-র গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়লাভ এবং ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় পথ বেয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মধ্য দিয়ে তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। প্রতিষ্ঠা লাভ করে বাঙালির স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। বাঙালি মুক্ত হয় ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ থেকে। এই স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ একুশের অবিনাশী চেতনারই ফসল।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্ব দরবারে বাংলাকে প্রতিষ্ঠা করেন। আজ অমর স্মৃতিবিজড়িত মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু আমাদের ইতিহাসের একটি রক্ত-রঙিন দিন নয়। এ দিন এখন পেয়েছে বিশ্বস্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা। এর মাধ্যমে বাংলার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দিন দিন বাড়ছে বাংলা ভাষাভাষীর সংখ্যা। ইতোমধ্যে বাংলাকে জাতিসংঘের অষ্টম দাফতরিক ভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে। পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন এবং অন্যান্য জাতিসত্তার ভাষা ও বর্ণমালা সংরক্ষণের দাবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

মনে রাখতে হবে, অমর একুশ আমাদের অহংকার। একুশে ফেব্রুয়ারি কেবল ইতিহাসের একটি বিবর্ণ তারিখ নয়। এমন এক দিন, যা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের ধারায় নিরন্তর গতিময়, প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ। একুশের চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনে এক অন্তহীন অসামান্য গৌরব ও অনির্বাণ প্রেরণার উৎস। আমাদের সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশে একুশ একাধারে ইতিহাস-ঐতিহ্য, গৌরবগাথা ও প্রাণভোমরা। নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রমের চিরপ্রেরণার প্রতীক। একুশের অবিনাশী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে এখন প্রয়োজন সমাজকে অন্ধ গোঁড়ামিমুক্ত করা, জঙ্গিবাদ রোধ করা। তবেই সমাজ জীবনে একুশের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল বিজ্ঞানমুখী চেতনার আশাপ্রদ বিস্তার ঘটানো সম্ভব হবে। আসুন, একুশের চেতনা অম্লান রেখে জাতির সব ধরনের কল্যাণ ও অগ্রগতির পথে আমরা সকলে মিলে এগিয়ে যাই।

শেখ আনোয়ার : বিজ্ঞান লেখক ও গবেষক
xposure7@gmail.com