ভ্যাকসিন, ভীতি ও আগামীর বিশ্ব

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২১ | ৮ মাঘ ১৪২৭

ভ্যাকসিন, ভীতি ও আগামীর বিশ্ব

ফকির ইলিয়াস ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৩, ২০২০

print
ভ্যাকসিন, ভীতি ও আগামীর বিশ্ব

মার্কিন মুলুকে ফ্লু ভ্যাকসিনের একটি বড় বাজার আছে। ডাক্তারের কাছে শীতের শুরুতে গেলেই, যে প্রশ্নটি করা হবে- তা হলো, ‘আপনি কি ফ্লু-শাট দিয়েছেন? অথবা দিতে চান?’

আমেরিকায় ফ্লু একটি বড় ব্যাধি। প্রাণ হরণকারী তো বটেই! ২০১৮-২০১৯ সালে আমেরিকায় ফ্লু’তে আনুমানিক মৃতের সংখ্যা ৩৪১৫৭ জন। এমন সংখ্যা প্রায় প্রতি বছরই থাকে। ফলে, অনেকেই ফ্লু ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহ দেখান না।

কিন্তু করোনা ভ্যাকসিনটির প্রেক্ষাপট আজকের বিশ্বে পুরোই অন্যরকম। কারণ মরণ ব্যাধিটি গোটা বিশ্বে একটি চরম ভীতি তৈরি করেছে। মানুষ আজ খুবই সন্ত্রস্ত। কী হচ্ছে, কী হতে পারে- তা নিয়ে শঙ্কিত সবাই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলছে, আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে এখানে টিকা দেওয়া শুরু হতে পারে। কিন্তু এই টিকা, কতটা কার্যকরী হবে! কতটা গ্রহণ করবে মানুষ! প্রশ্ন দুটিই আসছে।

পাশাপাশি ভ্যাকসিন নিয়ে মূলত তার কার্যকারিতা নিয়ে চিন্তা ছিল প্রাথমিকভাবে। তবে বিভিন্ন ভ্যাকসিনের শেষ ধাপের ট্রায়ালের রিপোর্ট থেকে সুরক্ষা ও কাজ নিয়ে কিছুটা হলেও আশ্বাস মিলছে। এই পরিস্থিতিতে এবার আগামীতে ভ্যাকসিন মজুতের সংকট প্রকাশ্যে এসেছে।

কম-বেশি সব ভ্যাকসিন মজুতের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা থাকতে হবে হিমাঙ্কের নিচে। সম্প্রতি ফাইজার সংস্থার মুখপাত্র জানান, এই কোভিড-১৯ প্রতিরোধক ভ্যাকসিন ৭৫ ডিগ্রিতে স্টোর করতে হবে। এর অর্থ হলো লক্ষ লক্ষ ডোজের জন্য আরও বাড়াতে হবে ক্যাপাসিটি। যেখানের তাপমাত্রা থাকবে ৯০ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। এখনো এত বিপুল পরিমাণ ক্যাপাসিটি কোনো দেশেরই নেই।

কোভিড পরিস্থিতি ও ভ্যাকসিন বিষয়ক বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ভ্যাকসিন মজুতের দিকে জোর দিয়েছেন। সব রাজ্যকে লিখিত পরিকল্পনাও জানাতে বলেছেন। ভারতের ভ্যাকসিন বিজ্ঞানী ডা. গগনদীপ কাং জানিয়েছেন এই ভ্যাকসিন মজুত করা এবং সরবরাহ করা সহজ বিষয় নয়।

অন্যদিকে, করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে অক্সফোর্ড বিশ^বিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেওয়ায় অতিরিক্ত ট্রায়ালের ব্যবস্থা করা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী প্যাসকাল সরিয়ট জানিয়েছেন, সংস্থাটি ভ্যাকসিনের কার্যকরিতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত ট্রায়ালের ব্যবস্থা করছে।

তিনি আরও বলেছেন, ‘অ্যাস্ট্রাজেনেকা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে চলা ট্রায়ালের পরিবর্তে করোনা ভ্যাকসিনের একটি কম ডোজ নিয়ে অতিরিক্ত ট্রায়ালের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওষুধনির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকা তাদের পরীক্ষামূলক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফলে গড়ে ৭০ শতাংশ সফলতার কথা জানিয়েছিল। এর মধ্যে বেশিরভাগ স্বেচ্ছাসেবককে দুটি পূর্ণাঙ্গ ডোজ দেওয়া হয়েছিল। তাদের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের সাফল্য ছিল ৬২ শতাংশ। অন্যদিকে, একটি অংশকে দেড় ডোজ দেওয়া হয়েছিল। তাদের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার পাওয়া যায় ৯০ শতাংশ।

স্বেচ্ছাসেবকদের একাংশকে একটি ডোজ দেওয়ার পর আরেকটি পূর্ণাঙ্গ ডোজ না দিয়ে অর্ধেক ডোজ দেওয়ার পর ভ্যাকসিনের সাফল্যের হার ৯০ শতাংশ পাওয়ায় ভ্যাকসিনের সত্যিকারের কার্যকারিতা নিয়ে অনেক বিজ্ঞানী প্রশ্ন তুলেছেন। অস্পষ্ট তথ্যের কারণে ভ্যাকসিনের সাফল্য নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির দ্রুত অনুমোদন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। তবে অতিরিক্ত ট্রায়ালের কারণে ব্রিটিশ ও ইউরোপে অনুমোদনে খুব দেরি হবে না বলে আশা করছেন প্যাসকাল সরিয়ট। অতিরিক্ত ট্রায়াল আন্তর্জাতিক স্তরে হলেও তাতে কম সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

করোনাভাইরাসের টিকা বাজারের আশার খবরে আবারও রকেট গতি পেয়েছে বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজার। করোনা মোকাবিলায় মার্কিন বহুজাতিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজারের টিকা ৯০ ভাগ কার্যকর; এই ঘোষণা আসার পরই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৯ শতাংশ বেড়েছে। ফাইজারের ঘোষণার পর আশা করা হচ্ছে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করবে বিমান পরিবহন, হোটেল, জ¦ালানি খাতসহ করোনায় বিপর্যস্ত ব্যবসা-বাণিজ্য। শেয়ারবাজারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এই ধারণাই দিচ্ছে; কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই ঘুরে দাঁড়ানো হতে পারে প্রায় ৪০ শতাংশ।

এর আগে ফাইজার ও জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োটেক ঘোষণা দেয় বিশ্বের ৬টি দেশে তারা সাড়ে ৪৩ হাজার মানুষের শরীরে তাদের তৈরি টিকার পরীক্ষা চালিয়েছে সেখান থেকে কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। করোনা মোকাবিলায় এই অর্জনকে প্রতিষ্ঠান দুটি বিজ্ঞান ও মানুষের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে আখ্যা দেয়। মার্কিন ওষুধ কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান প্রাণ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বায়োটেকের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি ৯৫ শতাংশ এবং আরেক মার্কিন প্রতিষ্ঠান মডার্নার টিকা ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ সুরক্ষা দিতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।

ভ্যাকসিন নিয়ে নানা সমীকরণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, পাশ্চাত্যের দেশগুলো। একই সঙ্গে প্রাচ্যের দেশগুলোও এই ধকল কাটিয়ে উঠতে করছে নানা পরিকল্পনা। বাংলাদেশে গত ৫ নভেম্বর টিকা আমদানি নিয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সিরাম ইনস্টিটিউট এবং বেক্সিমকোর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির আওতায়ই ৩ কোটি টিকা আনা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

গত ১৬ নভেম্বর ভ্যাকসিন আনার জন্য অর্থ বিভাগ প্রাথমিক বরাদ্দ হিসেবে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় ক্রয় চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হচ্ছে।

ভ্যাকসিন ক্রয়ের জন্য অর্থনীতি বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদে একটি প্রস্তাব পাঠানোরও কথা রয়েছে। বাংলাদেশের বেক্সিমকোর কর্মকর্তারা মিডিয়াকে জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে করোনাভাইরাসের টিকাটি বাংলাদেশ পাবে বলে আশা করছে।

সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে সমঝোতা অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের জন্য আপাতত ৩ কোটি টিকা কেনা হবে। তবে বেসরকারি খাতের জন্য তারা এক মিলিয়ন বা দশ লক্ষ টিকার চাহিদা জানিয়েছেন। সব টিকাই আনা হবে বেক্সিমকোর মাধ্যমেই। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের টিকা পাঠাবে ভারত। কিন্তু ভারতের ভিতরের অবস্থা কী?

ভারতে ক্রমবর্ধমান করোনাভাইরাস আক্রান্তের মধ্যে আরও অধিক শংকার বার্তা দিয়েছেন এইমস-এর পরিচালক এবং কোভিড-১৯ পরিচালনার জাতীয় টাস্কফোর্সের সদস্য ড. রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি বলেছেন, সাধারণ ভারতীয়দের কোভিড-১৯ রোধের টিকা পেতে ২০২২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ডা. গুলেরিয়া নিশ্চিতভাবে জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে ভারতের বাজারে জনসাধারণের জন্য টিকা আনতে এক বছরের বেশি সময় লাগবে। তার কথায়, ‘আমাদের দেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি; বাজার থেকে ভ্যাকসিনটি কিনে শরীরে প্রয়োগ করানো, এই গোটা ঘটনাকে সহজ করতে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে। ২০২২ সালের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, মার্কিন চিকিৎসক অ্যান্থনি ফাউচি-সহ বিজ্ঞানীদের একাংশ জানাচ্ছেন, কেবল পঞ্চাশ শতাংশ কার্যকরী ভ্যাকসিন পেলেই যথেষ্ট। কিন্তু ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ-এর এমেরিটাস-বিজ্ঞানী নরেন্দ্র কে মেহরা জানাচ্ছেন, দুটি ভ্যাকসিন এই মুহূর্তে গবেষণার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন ও আমেরিকার মডার্না সংস্থার ভ্যাকসিন।

বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, যে কোনো ভ্যাকসিনের দুটি দিক সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। তা হলো ভ্যাকসিনের সুরক্ষা ও কার্যকারিতা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ভ্যাকসিন গবেষণার ফলাফলে দেখা গিয়েছে, একবার অথবা চার সপ্তাহের ব্যবধানে দু’বার এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবীদের শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে করোনাভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনবিরোধী অ্যান্টিবডি এবং টি-লিম্ফোসাইট কোষ তৈরি হচ্ছে। পাশ্বপ্রতিক্রিয়াও তেমন দেখা যাচ্ছে না।

সর্বশেষ সংবাদ থেকে জানা যাচ্ছে, করোনা ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থা মডার্না এবার ভ্যাকসিন নির্মাণের পথে একধাপ এগিয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকার কাছে এই ভ্যাকসিনের প্রস্ততির জন্য অনুমোদন নেওয়ার কথা রয়েছে মডার্নার। ৯৪.১ শতাংশ ফলপ্রসূ কার্যকারিতা নিয়ে কোভিড ধ্বংসকারী এই ভ্যাকসিন ছাড়পত্র পেলেই ২০২০ সালে করোনা ভ্যাকসিনের পথে এক বড় পদক্ষেপের দিকে এগোতে পারবে বিশ্ব।

বিশ্বে এই মুহূর্তে পাঁচটি সেরা ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা রয়েছে। তাদের মধ্যে মডার্না অন্যতম। এছাড়াও রয়েছে ফাইজার ও অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা। অন্যদিকে রাশিয়ার স্পুটনিক রয়েছে ভ্যাকসিন প্রস্তুতির দৌড়ে।

মডার্না জানিয়েছে, তাদের তৈরি ভ্যাকসিন গ্রহণ করলে কোনো গভীর সংকট শরীরে দানা বাঁধার কথা নয়। তারা জানিয়েছে একজন কোভিড রোগীই এই গবেষণার মধ্যে মারা গিয়েছেন। তবে তাকে বাদে আর সেরকম ঘটনা নেই। সমস্ত জলবায়ু, বয়স, ভৌগোলিক এলাকা, জাতির মধ্যেই এই ভ্যাকসিন কার্যকরী হবে বলে জানানো হয়েছে।

যে কথাটি না বললেই নয়, তা হলো- আগামীর বিশ্ব চেয়ে আছে আজকের বিজ্ঞানের দিকে। এই যে চরম একটি সংকট চলছে- তা কাঁপিয়ে দিয়েছে সকল পরাক্রমশালীদের ভিত। সবাই আজ একই কাতারে চরম নাজুক অবস্থায়। এর উদ্ধার দরকার। দরকার মানবিক হাত প্রসারিত করার। মানুষকে বাঁচাতে হবে। প্রজন্মকে দিতে হবে প্রকৃত শিক্ষার আলো। স্কুল-কলেজগুলোতে সরাসরি ক্লাস চলছে না। প্রজন্ম বলাবলি করছে, আমরা সবাই আজ একই বিশ্বে ‘জুম ইউনিভার্সিটি’র ছাত্র-ছাত্রী!

এভাবে শিক্ষাব্যবস্থা চলতে পারে না। চলার কথাও নয়। ব্যবসা, চিকিৎসা, শিক্ষা, সমাজ সবকিছুই আজ মুখ থুবড়ে পড়েছে। এর অবসান হওয়া দরকার। তাই অনেক ভীতিই আমাদের কাটিয়ে উঠতে হবে। সকল প্রতিকূলতা পেরিয়ে মানুষের জয় হোক- এটাই হোক আজকের প্রার্থনা।

০১ ডিসেম্বর, ২০২০

ফকির ইলিয়াস : কবি ও কলাম লেখক
baul98@aol.com