বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে সম্ভাবনা

ঢাকা, সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১ | ৫ মাঘ ১৪২৭

বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে সম্ভাবনা

আব্দুল হাই রঞ্জু ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০২০

print
বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে সম্ভাবনা

জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এ দেশে কাজের সুযোগ খুবই কম। অর্থনৈতিক বৈষম্যও প্রকট। ফলে গরিব-দুঃখী মানুষের সংখ্যাও বেশি। বিশেষ করে কাজ না থাকায় মানুষের শহরমুখী হওয়ার প্রবণতা বেশি। যে কারণে রাজধানী ঢাকায় প্রতিনিয়তই মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এখন ঢাকা শহরে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। ফলে ঢাকা শহরে বর্জ্য একটি বড় সমস্যা। অর্থাৎ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা খুবই নাজুক। ঢাকায় বসবাসরত মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা সিটিকে উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। তবুও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমূহ উন্নতি ঘটেনি। গৃহস্থালি বর্জ্য, চিকিৎসা বর্জ্য, প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাস্তার ধারেই বর্জ্য ফেলার ভাগাড়ের কারণে দুর্গন্ধে পথচারীদের চলতেও কষ্টও হচ্ছে। আবার স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। দুই সিটি করপোরেশন থেকে এসব বর্জ্য কম-বেশি প্রতিদিনই সরিয়ে নেওয়া হয়। পুনরায় বর্জ্যে এসব ভাগাড় আবার পূরণও হয়। এ হচ্ছে নিত্যদিনের অবস্থা। আর মানুষ থাকলে বর্জ্য থাকবে, এটাও স্বাভাবিক। ফলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকারও বিব্রত। সংকট নিরসনে তারাও তৎপর। তবুও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

তবে আশার কথা, বিলম্বে হলেও সরকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আমিন বাজার এলাকায় ২৫ বছর মেয়াদি ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করবে। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৩২৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে চীনের প্রতিষ্ঠান চীনা মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএমইসি)। এটা ইনসিনারিয়েশন পদ্ধতিতে বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। যদিও বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি ইউনিটের খরচ ১৮ টাকার ওপর পড়বে, তবুও এ উদ্যোগের কারণে অন্তত ঢাকা শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে নিশ্চিত করা যাবে। প্রতিদিনের বর্জ্য নির্দিষ্ট প্রকল্প স্থানে ফেললে বর্জ্য সংকট নিরসন হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। আর বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিতে বরাবরই সরকারকে ভর্তুকি দিতে হয়। দেশের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর থেকেও বেশি খরচের জোগান দিতে হয়েছে। আর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বড় উপকার হচ্ছে বর্জ্য ফেলার কারণে নদী-নালা আর ভরাট হবে না। অন্তত বর্জ্যরে কারণে নদী দূষণও অনেকাংশেই কমে আসবে। অথচ ঢাকার আশপাশের নদীগুলো বর্জ্যরে ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। নদীর পাশে দাঁড়িয়ে শ্বাস নেওয়াও কঠিন। মাছের চাষেরও সুযোগ নেই। এমনকি জলজ প্রাণী পর্যন্ত নদীতে বেঁচে থাকতে পারছে না। কী এক নিদারুণ অবস্থা!

এক গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু ঢাকা শহরে প্রতিদিন মাথাপিছু বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে ৫৬০ গ্রাম, এর মধ্যে প্লাস্টিক ও পলিথিন অন্যতম। তাছাড়া বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা শহরে দৈনিক ৭ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এ ব্যতিত দেশের ৩২৪টি পৌরসভা ও ১১টি সিটি করপোরেশনেরও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা নাজুক। যদিও স্থানীয় সরকার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নিকট গোটা দেশে কি পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে, তার সঠিক হিসাব বা পরিসংখ্যান নেই। ফলে গোটা দেশের বর্জ্য দিয়ে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সক্ষম, তাও বলা কঠিন। তবে এখন যেহেতু বর্জ্য বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, সেহেতু প্রয়োজনের তাগিদেই সরকার বর্জ্য উৎপাদন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিবে এবং প্রকৃত তথ্য উপাত্ত জানা যাবে। পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্যরে কারণে নদ-নদীগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। বিশেষ করে ঢাকাকে ঘিরে থাকা বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, বালু নদীর তলদেশে এখন প্লাস্টিক, পলিথিনের বর্জ্যে পুরু হয়ে গেছে। এর আগে নদীর এসব বর্জ্য অপসারণের জন্য মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেও সফলতা আনা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থা শুধু ঢাকার আশপাশের নদীতেই সীমাবদ্ধ নেই। দেশের নগর-মহানগরের পার্শ্ব ঘেঁষে যাওয়া নদ-নদীগুলোর অবস্থাও তথৈবচ। শরণখোলা নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনতে ড্রেজিং প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জানা গেছে, প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্যরে কারণে ড্রেজিং কাজ ব্যাহত হচ্ছে। বারংবার ড্রেজিং মেশিনে বর্জ্য আটকে যাওয়ায় ড্রেজিং কাজ সম্পাদনে প্রচুর সময় নষ্ট হচ্ছে। শুধু দেশের নদ-নদীগুলোই বর্জ্যরে ভারে ক্লান্ত নয়, সাগরের অবস্থাও খারাপ হচ্ছে। ২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছেছে। ফলে ৭০০ প্রজাতির সামদ্রিক প্রাণী এখন হুমকির মুখে। সমুদ্র বিজ্ঞানীদের মতে, যে হারে সমুদ্রে প্লাস্টিক বর্জ্য বাড়ছে, তা প্রতিহত করা না গেলে সমুদ্রের প্রবাল প্রাচীরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এমনকি বর্জ্যরে কারণে মাটির গভীরেও স্তর ভারি হচ্ছে। ফলে সহজেই উপরের পানি নিচে চুষে নিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিনিয়তই পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে গ্রীষ্মকালে পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যায়। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলায় টিউবওয়েলে পানি পর্যন্ত ওঠে না। স্যালো মেশিনে পানি উত্তোলন করে কৃষির মাঠে সেচ দেওয়াও কঠিন হয়ে যায়। অনেক সময় চাষিরা জমিতে ১০/১২ ফুট গর্ত করে নিচে সেচ মেশিন বসিয়ে পানি উত্তোলন করে চাষাবাদ করেন। আর বরেন্দ্র অঞ্চলের অবস্থা তো আরও খারাপ। গভীর নলকূপ ছাড়া সেখানে পানি উত্তোলন করা সম্ভবই হয় না। এভাবেই উত্তরের জেলাগুলোর নদ-নদীতে নাব্য সংকট, পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনা উত্তরোত্তর খারাপই হচ্ছে। এজন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা নিয়ে উত্তরাঞ্চলকে বাঁচাতে হবে। তা না হলে নিকট ভবিষ্যতে উত্তরাঞ্চল মরুকরণের দিকেই যে এগুবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। বিশেষ করে উত্তরের নদ-নদীগুলোর উৎস মুখ উজানের ভারত, নেপাল ও চীনে। ভারত সরকার উত্তরের প্রতিটি নদীর উজানে ভারত অংশে বাঁধ নির্মাণ করে পানি নিয়ন্ত্রণ করায় নদ-নদীগুলো কখনো শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। আবার কখনো কখনো উজানের পানি হঠাৎ হঠাৎ ছেড়ে দেওয়ায় বন্যার সৃষ্টি হয়, কৃষকের ফসলের খেতও নষ্ট হয়ে যায়। অতিরিক্ত স্রোতের কারণে নদীর পাড়ও ভাঙে। মানুষকে বসতবাড়ি পর্যন্ত হারাতে হয়। যে কারণে উত্তরের জেলাগুলোর কৃষক আর্থিকভাবে কম-বেশি প্রতিবছরই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ বছর তো উজানের পানির ঢলে উপর্যুপরি বন্যার কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সর্বশেষ উজানের পানির ঢলে আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যারা আমন মৌসুমে একদিনের খাবারও ঘরে তুলতে পারবেন না। এখন কৃষক ওসব পতিত জমিতে অন্য ফসল চাষাবাদ করতে শুরু করেছে। প্রকৃত অর্থে এবার অতিবর্ষণ ও উপর্যুপরি বন্যার কারণে আমনের ফলন আশানুরূপ হবে না। ফলে এবার ভোক্তার কষ্ট বাড়বে। উল্লেখ্য, মাটির স্তরে স্তরে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য বৃদ্ধির ফলে ভূগর্ভস্থ জলাধারগুলোও সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। এর ওপর আবার ভূ-উপরিস্থ পানির কখনো অভাব, আবার কখনো অতিমাত্রার বৃষ্টির পাশাপাশি উজানের পানির ঢলে বারবার বন্যার কবলে মানুষের কপাল পুড়ছে। প্রাসঙ্গিকতার খাতিরেই উত্তরাঞ্চলের মানুষের বাস্তব অবস্থা তুলে ধরলাম।

প্লাস্টিক সাধারণত পেট্রোলিয়াম বা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে উদ্ভূত হয়, ফলে প্লাস্টিক বর্জ্যরে যে পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত হয়, যা অন্য যেকোনো বর্জ্যরে তুলনায় অনেক বেশি। উল্লেখ্য, এক পাউন্ড প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে যে পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করা যায়, তা প্রায় ইয়মিং কয়লা এবং জ¦ালানি তেল থেকে উৎপাদিত শক্তির সমান। তাই প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে জ্বালানী তৈরির অনেক বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সরকার বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। যেহেতু বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সরকার হাতে নিয়েছে, আমরা মনে করি, এর সক্ষমতা যাচাই করে গোটা দেশেই মিনি আকারে বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণ করে বর্জ্যরে আগ্রাসন বন্ধ করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা যাবে। যেহেতু সরকার ইতোমধ্যেই পরিবেশ বিধ্বংসী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নতুন করে আর স্থাপন করবেন না এবং নবায়নযোগ্য জ¦ালানি উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, সেহেতু বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুতের মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হলে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়েই সংকট মোকাবিলা করা অনেকাংশেই সম্ভব হবে। এখন বিদ্যুৎ ছাড়া মানুষের জীবনযাপন কল্পনা করাও যায় না। ফলে দিন দিন বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। আর যেহেতু দেশে গ্যাসেরও পর্যাপ্ত মজুদ নেই, হয়তো একদিন গ্যাসের মজুদও ফুরিয়ে যাবে। সে কারণে এখন গ্যাসের ব্যবহার যেমন কমাতে হবে, তেমনি গ্যাসভিত্তিক কলকারখানাও স্থাপন করা সম্ভব হবে না। ফলে একমাত্র ভরসা বিদ্যুৎ, যার ওপর ভর করেই শিল্পে বাণিজ্যে সমৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। সঙ্গত কারণে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর পথে আমাদের হাঁটতে হবে, যার কোনো বিকল্প নেই। এমনকি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পও বাড়াতে হবে। কারণ বায়ু বিদ্যুতেরও যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে বর্জ্য সংকট প্রতিনিয়তই বাড়ছে। এ সংকট নিয়ে সিটি করপোরেশনগুলোর মাথাব্যথাও কম নয়। যা নিরসনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রথমেই ঢাকার অদূরে আমিন বাজারে বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়ে সঠিক ও সময়োচিত পদক্ষেপটিই গ্রহণ করেছে। আমরাও এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। পাশাপাশি আশা করি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনও যেন বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তাহলে অন্তত ঢাকা সিটির দীর্ঘদিনের জমে থাকা বর্জ্য সংকট অনেকাংশেই মোকাবিলা করা সম্ভব হলে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

পরিশেষে এটুকুই বলতে চাই, বর্জ্য শুধু আবর্জনাই নয়, বর্জ্যও একটি বড় সম্পদ। এ সম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বর্জ্য সংগ্রহ, বর্জ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে উন্নত করতে হবে, যেন জনস্বাস্থ্যের প্রতি হুমকি সৃষ্টি না করে। যেহেতু বর্জ্য বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সময় লাগবে, সেহেতু এখন থেকেই প্রকল্প এলাকায় নিরাপদ দূরত্বে বর্জ্য সংরক্ষণেরও উদ্যোগ নিতে হবে। যেন কোনোভাবেই যত্রতত্র ফেলে আর বর্জ্যকে নষ্ট করা না হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে যথোপযুক্ত কার্যকরী ব্যবস্থা নেবেন, এটাই প্রত্যাশা।

আব্দুল হাই রঞ্জু: সাবেক ছাত্রনেতা
ahairanju@gmail.com