বঙ্গবন্ধুর বইপ্রীতি ও সাহিত্যপ্রেম

ঢাকা, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০ | ১০ কার্তিক ১৪২৭

বঙ্গবন্ধুর বইপ্রীতি ও সাহিত্যপ্রেম

হাসনাত মোবারক ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

print
বঙ্গবন্ধুর বইপ্রীতি ও সাহিত্যপ্রেম

রাজধানীর বুকল্যান্ড লাইব্রেরিতে গত শনিবারে বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধুর বইপ্রীতি ও সাহিত্যপ্রেম’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা মালিক খসরু।

‘অতলস্পর্শ কাল-সমুদ্রের উপর একখানি বই দিয়ে সাঁকো বাঁধিয়া দিবে?’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণীটি দিয়ে বই ও লাইব্রেরি নিয়ে তিনি শুরু করেন। বঙ্গবন্ধুর সাহিত্যপ্রীতিকে তিনি মধুমতির ধারার সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, মধুমতির ধারা মানে বঙ্গবন্ধুর গতি। যেখান থেকে তিনি বেড়ে উঠেছেন। বঙ্গবন্ধুর গতি মানে বাঙালির গতি। স্বাধীনতার গতি। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি সংস্কৃতির গতি।

মাটিকে না বুঝতে পারলে মুজিবকে বোঝা যাবে না। মাটির প্রতি শ্রদ্ধা মানে মুজিবের প্রতি সম্মান। মাটির প্রতি মমতা বেড়ে উঠলে মুজিবের প্রতি মমতা গড়ে উঠবে। সারা দেশ থেকে আগত প্রায় ৫০টি বেসরকারি পাঠাগারের সভাপতি, সম্পাদক ও সংগঠকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সঠিকভাবে চর্চা করুন। বঙ্গবন্ধুর নামে বই লেখার নামে শুধু চর্বিত চর্বণ হচ্ছে।

এ বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে। একই বিষয় কপি করে লেখকরা বঙ্গবন্ধুর নামে বই লিখে যাচ্ছেন। লেখকরা সঠিকভাবে বঙ্গবন্ধুর সাহিত্যদর্শন ও রাজনীতির গভীরতা পরিমাপ না করেই বই লিখে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু একটি সংস্কৃতির নাম। বঙ্গবন্ধুকে যত বেশি চর্চা করা হবে বাঙালি তত বেশি ঋদ্ধ হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাকসুর সাবেক সদস্য মাহমুদুল হাসান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ৫০টি বইয়ের মধ্যে ৫টি বইও মানসম্মত বই পাওয়া যায় না। বঙ্গবন্ধু তো একটা দর্শনের নাম।

লেখকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দীর্ঘ চর্চার পরে একটা মানসম্মত বই লিখুন। এছাড়াও বঙ্গবন্ধুর সাহিত্যপ্রীতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের সভাপতি ইমাম হোসাইন, বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের মহাসচিব নাসিম আহমেদ ও বুকল্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা এম এম মাসুমুজ্জামান, বুকল্যান্ড জার্নালের সম্পাদক ফারহানা হাসনা প্রমুখ। 

হাসনাত মোবারক
কবি ও প্রাবন্ধিক
hasnatmobarak@gmail.com