স্বাধীনতার প্রথম ইশতেহার

ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

স্বাধীনতার প্রথম ইশতেহার

ইমরুল কায়েস ৬:৫৭ অপরাহ্ণ, জুন ০৬, ২০২০

print
স্বাধীনতার প্রথম ইশতেহার

ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস আজ। জিন্নাহর দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রটি শুরু থেকেই একটি বড় সংকট সঙ্গে নিয়েছিল পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা ছাড়াও সামাজিক অর্থনৈতিক কাঠামোগত বিপরীতমুখী বিন্যাস। পাকিস্তান রাষ্ট্র বাঙালির স্বতন্ত্র জাতিসত্তার সমাধান দিতে পারেনি।

বরং শুরু থেকেই বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানের অপর অংশের ঔপনিবেশিক ধাচের শাসন-শোষণ ও জাতি নিপীড়ন পাকিস্তান রাষ্ট্রের স্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়। ভিন্নতা এতই ছিল যে, ঐক্যবদ্ধ জাতি-রাষ্ট্র গঠনের কোনো সম্ভাবনা ছিল না। এর ওপর পাকিস্তানি শাসন-শোষণ-পীড়ন ছিল ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা’র মতো। দীর্ঘ আঠারো বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা শেষে ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা কর্মসূচি নিয়ে বাঙালিদের সামনে হাজির হন।

১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয় দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়। বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীন আহমদের বিশ্লেষণসহ শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি : ছয় দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়। বঙ্গবন্ধু ‘৬ দফা কর্মসূচির’ প্রচারণায় পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন করেন। ছয় দফা প্রচারকালে ১৯৬৬ সালের ৯ মে গ্রেফতার হন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর গ্রেফতার বীর বাঙালিকে দমাতে পারেনি। ৬ দফা বাস্তবায়ন ও বঙ্গবন্ধুসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের দিকে অগ্রসর হয়। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশে হরতাল পালিত হয়। তাই ৭ জুন ‘ছয় দফা দিবস’।

কাশ্মির প্রশ্নে, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধ ও ‘তাসখন্দ’ চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধী রাজনৈতিক মহল ও জনমনে ব্যাপক বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান কাশ্মির সমস্যা সমাধানে ভারতের নিকট থেকে সুস্পষ্ট কোনো অঙ্গীকার আদায় না করে ভারত অধিকৃত কাশ্মিরের ওপর পাকিস্তানের দাবি ও কাশ্মিরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের লড়াইকে জলাঞ্জলি দিয়েছেন মর্মে একটি ধারণা প্রায় সর্বমহলে বদ্ধমূল হয়ে ওঠে।

এ অবস্থায়, যুদ্ধোত্তর সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ই ফেব্রুয়ারি লাহোরে পাকিস্তানের উভয় অংশের বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের এক জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শক্তিশালী বিরোধীদল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে যোগ দান করেন।

উল্লেখ্য, ১৭ দিনের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তান সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়েছিল। এতদিন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বলে আসছিল পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার ভার কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর। একথা বলে তারা পূর্ব পাকিস্তানের জন্য কোনো শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা বিশেষ করে সেনাবাহিনীতে বাঙালিদের নিয়োগ দান কিংবা বাঙালিদের নেতৃত্বাধীনে সেনা ইউনিট গঠন কৌশলে এড়িয়ে যায়। কিন্তু যুদ্ধে দেখা গেল, পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তা বিধান দূরে থাকুক, পশ্চিম রণাঙ্গনেই পাকিস্তান নিদারুণভাবে পরাজয় বরণ করে। এমতাবস্থায়, পূর্ব পাকিস্তানের জন্য স্বতন্ত্র নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ বাঙালিদের ন্যায্য স্বার্থের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে বঙ্গবন্ধু কনভেনশন আলোচনার জন্য সাবজেক্ট কমিটির বিবেচনার্থে ৬ দফা দাবিনামা সম্বলিত একটি কর্মসূচি পেশের চেষ্টা করেন।

সংক্ষেপে ৬ দফা হচ্ছে

১. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেশন বা যুক্তরাষ্ট্র; ২. বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে; ৩. পাকিস্তানের দুটি অঞ্চলের জন্য পৃথক অথচ অবাধে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা ব্যবস্থার প্রবর্তন করতে হবে; ৪. অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশগুলোর কর বা শুল্ক ধার্য করার ক্ষমতা থাকবে। তবে ব্যয় নির্বাহের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এর একটি অংশ পাবে; ৫. পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পৃথক হিসাব রাখা হবে; ৬. নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অঙ্গরাষ্ট্রসমূহ প্যারামিলিশিয়া বা আধা-সামরিক বাহিনী গড়ে তুলতে পারবে।

কিন্তু সাবজেক্ট কমিটিতে এই দফা পেশের পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়নি। ছয়টি দফা সম্বলিত প্রস্তাব ইতিহাসে ৬ দফা নামে পরিচিতি পায় যা বাঙালির মুক্তির সনদ। এটি বাঙালির জাতীয় মুক্তির ‘ম্যাগনাকার্টা’ নামেও অভিহিত।

বঙ্গবন্ধু উক্ত কনভেনশনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে যোগদান না করে তার প্রতিনিধি দলসহ ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ফেরত আসেন। ঐ দিনই সাংবাদিকদের নিকট গোটা লাহোর সম্মেলনের সঙ্গে তার দলের সম্পর্কছেদের কথা ঘোষণা করে এর কারণ এবং ৬ দফা কর্মসূচির প্রধান প্রধান দিক তুলে ধরে বক্তব্য পেশ করেন ‘পাক ভারত যুদ্ধের পর এটা পরিষ্কার হয়েছে পাকিস্তানের সংহতি ও অখ-তা রক্ষা করতে হলে লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে এর উভয় অংশকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে এবং পাকিস্তানকে সকল বিষয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে হবে।

একটি রাষ্ট্রের কেন্দ্রকে শক্তিশালী করলেই যে রাষ্ট্রটি শক্তিশালী হবে এমনটি নয়। বরং একটি যুক্তরাষ্ট্রের সকল ফেডারেটিং ইউনিটগুলোকে শক্তিশালী করতে পারলেই উক্ত রাষ্ট্রটি শক্তিশালী হবে। সুতরাং পাকিস্তানকে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে এবং এর উভয় অংশের মধ্যে সংহতি বৃদ্ধি করতে হলে ছয় দফা কর্মসূচি বাস্তবায়িত করতে হবে।’ এভাবে সর্বপ্রথম তার ৬ দফা কর্মসূচি জনসম্মুখে প্রকাশ পায়।

ছয় দফা কর্মসূচি ১৯৬৬ সালের ১৩ মার্চ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। কাউন্সিল অধিবেশনে বসে ১৮ ও ১৯ মার্চ। কাউন্সিলে ছয় দফা কর্মসূচি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং তা বাস্তবায়নে কাউন্সিলরগণ যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। কাউন্সিল সভায় বঙ্গবন্ধু সর্বসম্মতিক্রমে দলের সভাপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সারা দেশজুড়ে ছয় দফার প্রচার শুরু করেন। ছয় দফা অচিরেই জনপ্রিয় হয়ে উঠল।

এতে করে আইয়ুব-মোনায়েম চক্র আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। শুরু হয় জেল জুলুম। শেখ মুজিব যেখানেই জনসভা করতে যান সেখানেই আটক হন। এক মামলায় জামিন হন তো আরেক মামলা হয়। ছয় দফা প্রচারণার এক পর্যায়ে ৮ মে ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিব দেশরক্ষা আইনে গ্রেফতার হন। এই গ্রেফতারের পূর্বে ২০ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত ৫০ দিনে মোট ৩২টি জনসভায় ভাষণ দেন। এই সময়সীমার মধ্যে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে তিনি ছয় দফার পক্ষে যে অভাবনীয় জনমত সৃষ্টি করেন, তা সত্যিই অকল্পনীয় ব্যাপার।

শেখ মুজিবই নন, ১০ মে ১৯৬৬ সালের মধ্যে দলের প্রায় ৩৫০০ নেতা-কর্মী গ্রেফতার হন। কিন্তু শেখ মুজিব তার আগেই সবকিছু গুছিয়ে এনেছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে কর্মী বাহিনী যাতে কাজ চালিয়ে যেতে পারে সেভাবেই গড়ে তুলেছিলেন সংগঠনকে। ইতোমধ্যে ছাত্রলীগও ছয় দফার প্রচারণায় জড়িয়ে পড়ে। সে সময় আব্দুর রাজ্জাক ছিলেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। ছাত্র ইউনিয়নের সহায়তায় আব্দুর রাজ্জাক ছয় দফার পঞ্চাশ হাজার লিফলেট ছাপিয়ে জনগণের মধ্যে বিলি করেছিলেন। ন্যাপের যে অংশ ৬ দফার সমর্থক ছিলেন তারা সংবাদ থেকে ৬ দফার লিফলেট ছাপিয়ে দিতেন।

শেখ মুজিবের গ্রেফতারের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ ৭ জুন ১৯৬৬ সালে গোটা প্রদেশে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। দেশের শ্রমিকশ্রেণি প্রথমবারের মতো একটি রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। এতদিন শ্রমিকশ্রেণির মধ্যে আওয়ামী লীগের তেমন জনপ্রিয়তা ছিল না। কিন্তু ৭ জুনের হরতালে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের শ্রমিকরা জড়িয়ে পড়েন।

বাঙালির স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে। ছয় দফার মধ্য দিয়ে স্বাধিকার অর্জনের পর্যায় শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার সর্বক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানিদের প্রতি যে চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করে তার বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ প্রতিবাদ উচ্চারিত হয় ছয় দফা দাবি ঘোষণার মাধ্যমে। এই দাবির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের নিজস্ব অর্থনৈতিক সম্পদ, আভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক আয়ের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করা হয়।

সর্বোপরি পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষমতার দাবি করা হয়। ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা দাবির সঙ্গে ১৯৪৭-৬৫ সময়ে ঘোষিত দাবির মধ্যে পার্থক্য পূর্বে যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য অধিকার সুযোগ-সুবিধা দানের দাবি জানান হয়, ছয় দফায় সেক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের যেন নিজে নিজেই আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে পারে কেন্দ্রের কাছে সে অধিকার চাওয়া হয়।

ছয় দফা আন্দোলনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শাসক গোষ্ঠীর শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়। ইতোপূর্বে ভাষার দাবিতে আন্দোলন, ছাত্রদের দাবিভিত্তিক শিক্ষা আন্দোলন হলেও ছয় দফার আন্দোলন ছিল সর্বস্তর ও পেশার মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন। সরকার সাময়িকভাবে এ আন্দোলনকে স্তিমিত করতে পারলেও ছয় দফা দাবিগুলোকে বাঙালির মন থেকে মুছে ফেলতে পারেনি।

এর প্রমাণ হচ্ছে ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ছাত্রদের যে এগারো দফা দাবি ঘোষিত হয় তার মধ্যে ছয় দফার মূলবিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৭০-এর নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ছয় দফাকে দাবিসমূহে সন্নিবেশিত করা হয়। ছয় দফা এতটাই জনসমর্থন লাভ করেছিল, বঙ্গবন্ধু ছয় দফাকেই নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন। ছয় দফা ও এগারো দফার আন্দোলনের সময় বাঙালির মধ্যে যে সচেতনতা ও ঐক্য গড়ে উঠে তার ফল পাওয়া যায় সত্তরের নির্বাচনে। নির্বাচনী প্রচারণায় বলা হয়, পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য দূর করা সম্ভব ছয় দফার বাস্তবায়নের মাধ্যমে। পূর্ব পাকিস্তানবাসী তা বিশ্বাস করে এবং নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে জয়ী করে। নির্বাচনের মাধ্যমে ছয় দফা কর্মসূচির প্রতি জনগণের রায় পাওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তা আর অগ্রাহ্য করার উপায় ছিল না। কিন্তু নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া সত্ত্বেও তাকে শাসন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। ফলে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতার আন্দোলনে পরিণত হয়। সে কারণে বলা যেতে পারে, ছয় দফা আন্দোলন স্বাধীনতার প্রথম ইশতেহার।

 

ইমরুল কায়েস : গবেষক ও সরকারি কর্মকর্তা