বন বিভাগের সংকট ও প্রতিবন্ধকতা

ঢাকা, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৭

বন বিভাগের সংকট ও প্রতিবন্ধকতা

তানজেরুল ইসলাম ৭:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ০২, ২০২০

print
বন বিভাগের সংকট ও প্রতিবন্ধকতা

বাজেট স্বল্পতা, যৌথ সীমানা নির্ধারণ জটিলতা, ত্রুটিপূর্ণ গেজেট, অন্ধকার কুঠুরিতে রেকর্ড সংশোধনী মোকদ্দমা ফাইলের স্তূপ এবং মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সৃষ্ট জটিলতায় বন অধিদফতরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। অথচ বিগত তিন বছরেও মাঠ পর্যায়ে চলমান বহুমুখী সংকট ও প্রতিবন্ধকতা থেকে উত্তরণে তোড়জোড় লক্ষ্য করা যায়নি।

যদিও একটি অধিদফতরে সর্বোচ্চ পদে চুক্তিভিক্তিক নিয়োগ সুস্পষ্ট করে, ‘অধিদফতরটির দৈনদশা এবং যোগ্য ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার অনাগ্রহ’। তবে সম্প্রতি অধিদফতরটিতে তারুণ্যনির্ভর যোগ্য ও চৌকস নেতৃত্বে আশায় বুক বাঁধছেন কর্মরতরা। যদিও বহুমুখী সংকট ও প্রতিবন্ধকতা লুকিয়ে রেখে, সমন্বয়হীনতার রেকর্ড গড়ে অধিদফতরটির শীর্ষ পর্যায়ের অভিভাবককে ব্যর্থ তকমা লাগানোর ফলাফল প্রত্যেককেই ভোগ করতে হবে।

দেশের নামিদামি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। অথচ উঁচু সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে বন দখল করেছে। দখলদার এসব রাঘব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী কিংবা স্থানীয় সংসদ সদস্যরা সহসা হস্তক্ষেপ করেন না। সেখানে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর ফরেস্ট বিট কর্মকর্তার চিঠি চালাচালি ছাড়া বিকল্প পথ নেই। প্রভাবশালীরা কলকারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য সস্তায় জমি কিনছেন। তবে সেই জমির চৌহদ্দিতে বনভূমি। ক্রয়কৃত জমির সীমানা নির্ধারণ বা ডিমারকেশনের নামে চলে তোড়জোড়। তদবির, কখনো আবার তুড়ি মেরে চাকরি খেয়ে ফেলার হুমকিতে বিড়ম্বনার শেষ নেই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের।

দেশে এমন জুলুমবাজদের বন দখলের ঘটনায় পিওআর মামলা দায়েরের নজির সাগরের পানিতে সুচ খোঁজার মতো। এ ছাড়া দখলবাজ মূল হোতাকে বাঁচিয়ে ঠিকাদার কিংবা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বন মামলা দায়েরের ঘটনা বন অধিদফতরকে কলঙ্কিত করছে। বনের গাছ কেটে, বনভূমির বুক চিরে অগণিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। বন বিধ্বংসী চলমান এসব রাস্তা নির্মাণ কার্যক্রম বন বিভাগ বাধা দিলেও হবে। অথচ সংরক্ষিত বনের জন্য হুমকি এমন প্রতিষ্ঠানকে অনাপত্তির সনদ প্রদান বিধিবহির্ভূত। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিধিবহির্ভূত কাজটি করতে বাধ্য করা নীতিবহির্ভূত।

রিভিশনাল সার্ভে বা আরএস রেকর্ড ব্যক্তির নামে। অথচ সেই আরএস দাগের সিএস দাগ বন বিভাগের নামে গেজেটভুক্ত! এমন ঘটনায় ভূমির দখল পেতে রেকর্ড সংশোধনী মোকদ্দমা দায়ের করে বন বিভাগ। তবে দেশে হাজার হাজার রেকর্ড সংশোধনী মোকদ্দমার ফাইল ধোঁয়াশায়। বহু বছরের পুরাতন অগণিত রেকর্ড সংশোধনী মোকদ্দমার ফাইলগুলো দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসনে আদৌ খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা এমন সন্দেহ থেকেই যায়। অন্যদিকে, বন বিভাগে একটি রেকর্ড সংশোধনী মোকদ্দমা দায়েরে অপর্যাফত সরকারি অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে।

অথচ কখনো ব্যয় হচ্ছে সরকারি বরাদ্দের দ্বিগুণ। এ ছাড়া একটি রেকর্ড সংশোধনী মোকদ্দমার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেই ভূমিতে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। নেই সীমানা নির্ধারণের সুযোগ। তবে বছরের পর বছর মোকদ্দমাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়ায় স্থাপনা নির্মাণ করছেন অনেকেই। নির্মাণ কাজে সংশ্লিষ্ট বিট অফিস বাধা দিলে সেই উচ্ছেদ মোকদ্দমার সূত্র ধরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বন বিভাগের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ। পরিশেষে একাধিকবার ভাঙা গড়ার খেলায় গেজেটভুক্ত বনভূমি বেহাত হয়। গেজেটভুক্ত বনভূমি দেশের বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় প্রশাসন আদৌ মূল্যায়ন করছে কিনা বিষয়টি এখন যাচাইয়ের সময় এসে গেছে।

রাতে ফরেস্ট বিট কর্মকর্তার মুঠোফোনে গাছ কেটে পাচার কিংবা বনভূমি দখলের অভিযোগ। অথচ সেই ফরেস্ট বিট অফিসে নেই অস্ত্র, নেই সরকারি পরিবহন। অটোরিকশা কিংবা মোটরসাইকেলে করে কি আসামি ধরে নিয়ে আসা যায়? মাঝরাতে চাইলেই কি একটি মাইক্রোবাস কিংবা লেগুনা ভাড়ায় পাওয়া যায়! রাতে আসামি রাখবেন কোথায়। সেই ফরেস্ট বিট অফিসে তো গারদ নেই। নির্ঘুম রাতে আসামি পাহারায় বেচারা বন প্রহরীরা।

রাত শেষে সূর্য দেখা দিলে ফের পরিবহন ভাড়া করে যেতে হয় সংশ্লিষ্ট জেলার বন আদালতে। তবে আদালত গারদে আসামি প্রবেশের আগে আসামির মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জখমের চিহ্ন খোঁজেন গারদে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। আসামির জখম বিবেচনায় নির্ধারিত হয় ঘুষের রেট। সঙ্গত কারণে, বন বিভাগের অভিযানে হাতেনাতে গ্রেফতারদের জামাই আদরে রাখা হয়। পরিশেষে এক রাত ও পরের অর্ধেক দিন অতিবাহিত করে বিট কর্মকর্তাকে আসামি চালানের মোট খরচ কষতে হয় মাসিক খরচের খাতায়। অথচ ওই খরচের টাকার উৎস কী। একটি বন মামলা দায়ের এবং আসামি আদালতে চালান করার জন্য মাঠ পর্যায়ে বাজেট নেই কেন। তবে কেন তিক্ত সুরে অনেকে মন্তব্য করে বলেন, ‘ফরেস্ট বিট কর্মকর্তারা ঘুষ নেন।’

যেখানে একটি পিওআর মামলা দায়ের ও আসামি আদালতে চালান করতে সর্বনি¤œ ব্যয় হয় পাঁচ হাজার টাকা থেকে কখনো দশ হাজার টাকা। যেখানে বন মামলার সাক্ষীদের নিজের পকেটের টাকায় এক জেলা থেকে আর এক জেলার বন আদালতে হাজির হতে হয়। কখনো আবার দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। জেলা কিংবা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বন সংলগ্ন অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ অভিযানে যান। কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে জব্দকরা হয় যন্ত্রপাতিসহ বিপুল পরিমাণ কাঠ। জব্দকৃত মালামাল পরিবহনে প্রয়োজন ভাড়া করা ট্রাক ও ৫-১৫ জন শ্রমিক।

দিন শেষে ওই করাতকল উচ্ছেদ অভিযানে সংশ্লিষ্ট ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা বা বিট কর্মকর্তার খরচ দশ হাজার থেকে কখনো পঞ্চাশ হাজার টাকার বেশি। করাতকল উচ্ছেদ অভিযানে বন বিভাগে তাৎক্ষণিক বাজেট কত? রেঞ্জ কিংবা বিট কর্মকর্তার পকেট থেকে তাৎক্ষণিকভাবে জোগান দেওয়া সেই টাকা কতদিনে ফেরত আসবে। নিজের পকেট থেকে সরকারি সেবায় খরচকৃত সেই টাকা ফেরত পেতে কেন টেবিলে টেবিলে ঘুষ দিতে হবে।

দেশের রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়গুলোতে বাৎসরিক আপদকালীন বাজেট নেই। অথচ এক খাতের অর্থ আর এক খাতে ব্যয় এবং পাতানো বিল-ভাউচার চর্চা যুগ যুগ ধরে চলছে। সঙ্গত কারণে প্রশ্ন জাগে মনে, ‘ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তারা কেন ঘুষ নেবেন না।‘ যেখানে উচ্ছেদ অভিযান কিংবা টহল কার্যক্রমে আহত কর্মকর্তা ও স্টাফদের নিজের পকেটের টাকায় চিকিৎসা খরচ মেটাতে হয়।

মাঠ পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করেও যখন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঝুঁকি ভাতার দাবিতে অশ্রুজলে বুক ভাসায়।চৌকস বন প্রহরী। অথচ বন দখল প্রতিরোধ করতে গিয়ে দখলবাজদের হামলা থেকে বাঁচতে তিনি সরকারি শর্টগান লাঠির মতো ব্যবহার করছেন। কেননা আত্মরক্ষার্থে তিনি ফাঁকা গুলি ছুড়তে জানেন না। মাঠ পর্যায়ে অগণিত বন প্রহরীর অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেই। প্রশিক্ষণ না দিয়েই অস্ত্র সংকটের দোহাই কেন? যেখানে পর্যাফত অস্ত্রের জন্য অপর্যাফত প্রশিক্ষিত জনবল! চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, ‘অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং না পাওয়া বন প্রহরীদের সংখ্যা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীসহ উচ্চ পদস্থ কেউই জানেন না।’

সরকারি অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেই, সনদ নেই অথচ সেসব বন প্রহরীর হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে টহল কাজে পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া অস্ত্র-গোলাবারুদের নিয়মিত অডিট হয় না কেন। মহাখালী বন ভবনে কি নদী কিংবা লেক আছে যে সেখানে দুর্নীতিগ্রস্ত বোটম্যানকে বদলি করে নিজের আশ্রয়ে রাখতে হবে। ডিভিশন ডিউ হওয়ার পরেও বছরের পর বছর কীভাবে টিকে থাকা যায় যায়। অভিজ্ঞ বন প্রহরীরা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেন ফরেস্টার পদে পদোন্নতি পাচ্ছেন না। যোগ্যতাসম্পন্ন ফরেস্টাররা কেন রেঞ্জ কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি পাচ্ছেন না।

নীতিবহির্ভূত অকালীন বদলির আদেশ বাতিলে লিখিত অভিযোগগুলো কেন আলোর মুখ দেখে না। দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষিত জনবলের পদোন্নতি উপেক্ষা করে কেন জনবল সংকটের দোহাই দিয়ে নতুন নিয়োগ বাণিজ্য হয়। বিভিন্ন পদে পদোন্নতির ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা কোথায় তা তদন্ত কেন হয় না। সিনিয়র রেঞ্জ কর্মকর্তারা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেন সহকারী বন সংরক্ষক পদে পদোন্নতি পাচ্ছেন না। পদোন্নতিতে বহুমুখী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের কেন চিহ্নিত করা হচ্ছে না। তারই তো বন অধিদফতরের বিষফোঁড়া। না কি তারা কারও কারও জন্য আশীর্বাদ?

যুগ যুগ ধরে বন অধিদফতরে চলমান কিছু অনিয়ম মাঠ পর্যায়ে হরেক সংকট এবং কর্মরতদের মধ্য বিভেদ সৃষ্টি করেছে। কখনো এসব মতভেদ ছাপিয়ে তুখোড় শত্রুতায় তীর-বল্লম ছুড়ছেন একে অপরকে। ফরেস্ট চেক স্টেশন অফিসার পোস্টিং কেন ‘লোভনীয় পোস্টিং’। জাতীয় উদ্যানে পোস্টিং কেন ‘শাস্তিমূলক পোস্টিং।‘ বিতর্কিত এবং অদক্ষরা কেন উচ্চ পর্যায় থেকে তদবিরে গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জ কিংবা বিট পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে সম্পদের পাহাড় গড়ছে। একজন বন প্রহরীর পোস্টিংয়ে কেন মন্ত্রণালয় কিংবা সচিবালয় হস্তক্ষেপ করবে। নিশ্চয়ই একটি বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তার দফতরে প্রয়োজন, সীমাবদ্ধতা, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা যেভাবে চিহ্নিত করতে পারেন তা উচ্চপদস্থ অন্য কারও পক্ষে করা সম্ভব নয়। নিজ বিভাগ তথা সরকারি স্বার্থে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার বদলির আদেশগুলো কেন প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়।

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরকারি পরিবহন ব্যবহারে বাৎসরিক ব্যয় কেন লাগামহীন। এসব পরিবহনে অপ্রয়োজনীয় এবং গায়েবী বিল-ভাউচারের তদন্ত হয় না কেন। মাঠ পর্যায়ে সরকারি মোটরসাইকেল থাকলেও মেরামত এবং জ্বালানি খরচের জন্য বরাদ্দ নেই কেন। এক খাতের সরকারি বরাদ্দ বিভিন্ন টেবিল ঘুরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছাতে পৌঁছাতে শুকিয়ে যায় কেন। নার্সারি কার্যক্রমে পার্সেন্টেজ কমিশনের প্রবর্তক কারা।দেশের বনাঞ্চল সমৃদ্ধ জেলাগুলোতে বন বিভাগের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের চরম সমন্বয়হীনতা দৃশ্যমান। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) কাছে অহেতুক নাজেহাল হতে হয় সহকারী বন সংরক্ষকসহ ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তাদের। ওই দফতরে বিট কর্মকর্তারা পাত্তাই পায় না। বন অধিদফতরের সঙ্গে পরিবেশ অধিদফতরের কেন আকাশ পাতাল দূরত্ব। ওই দুটি অধিদফতর তো একই গাছের দুটি ফুল।

একজন ফরেস্ট বিট কর্মকর্তাকে থানায় জিডি কিংবা মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশি হাজারো প্রশ্ন াণে জর্জরিত হতে হয়। একই থানাধীন এলাকার পুলিশের ওসি এবং ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তার মুখ দেখাদেখি হয় না ছয় মাসে একবার। পুলিশের সঙ্গে বন বিভাগের কী এমন শত্রুতা। কর্তা বদলির সঙ্গে সঙ্গে অনিয়মের তদন্ত ফাইলগুলো কেন অন্ধকার কুঠরিতে মুখ লুকায়। আমরা মুখ ও মুখোশের ব্যবধান উন্মোচনের প্রয়োজন বোধ করি না কেন। আমরা নিজেরা কী লুকিয়ে কাকে ঠকাচ্ছি। কারও অন্যায় কর্মকা-ের ইতিহাস এক যুগ পরেও কি বিলীন হয়! শত বছরেও কি দুর্নীতির ইতিহাস রূপ পাল্টে কখনো ন্যায় হতে পারে। প্রতিটি প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য চাই বনাঞ্চল। তবে কেন বন অধিদফতরে সিস্টেম লস অতীত ইতিহাস হয়ে থাকবে না।

 

তানজেরুল ইসলাম : সংবাদকর্মী

crtis001@gmail.com