সুপার ঘূর্ণিঝড় আম্পান

ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২০ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

সুপার ঘূর্ণিঝড় আম্পান

শেখ আনোয়ার ৭:২০ অপরাহ্ণ, মে ২০, ২০২০

print
সুপার ঘূর্ণিঝড় আম্পান

ধেয়ে আসছে সুপার ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’। এর প্রলয়ঙ্করী অগ্নিচক্ষু সর্বোচ্চ মাত্রার শক্তিসম্পন্ন এবং ভয়াবহ। সিডরের মতো ‘আম্পান’ অবিশ্বাস্য গতিতে ধাবমান। বিশেষজ্ঞরা স্যাটেলাইট চিত্র, কম্পিউটারের মডেল বিশ্লেষণ করে জানান, আম্পানের ব্যাস বেশ বড়। সিডরের উৎপত্তি বঙ্গোপসাগরের যেখানে ছিল, আম্পানের উৎপত্তিও একই এলাকায়। মানে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে। তাই বিধ্বংসী ক্ষমতার এই ঘূর্ণিঝড়ের মুখ ও স্থলভাগে আঘাতের কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তের সুন্দরবন অংশ।

আবহাওয়াবিদরা জানান, ‘এ ধরনের ঝড় শেষ মুহূর্তেও সামান্য দিক পরিবর্তন করতে পারে। কারণ ঘূর্ণিঝড় যতক্ষণ সাগরে থাকে তখন এর শক্তি সরবরাহ হয়। আর ঝড়ের অগ্রবর্তী অংশ যখন উপকূলে পৌঁছায় তখন শক্তি সরবরাহ কমতে থাকে। ফলে তা দুর্বল হতে শুরু করে। এই অবস্থায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রকৃত শক্তি থাকে না। তাই বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার সময় এর গতি কিছুটা কমে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আম্পানের স্থলভাগে আঘাতের কেন্দ্রবিন্দু পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে আম্পানে ক্ষতি কম হবে। আর পরিবর্তন হয়ে সুন্দরবন ছাড়া দেশের অন্য অংশে আঘাত হানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আঘাত হানার কালে এর গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।’

এভাবেই ঘূর্ণিঝড় ও সকল আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে সদা তৎপর বাংলাদেশের আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি হওয়ায় দূর্যোগ পূর্বাভাসে সক্ষমতা বেড়েছে। মহাকাশে উড়ছে জয়বাংলা খচিত ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’। সেখান থেকে দুর্যোগকালে সুবিধা নেওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও অত্যাধুনিক নতুন নতুন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সঠিক ও সময়োচিত পূর্বাভাস দিয়ে জনসাধারণকে সচেতন করার কাজে সচেষ্ট আমাদের আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। আগে থেকে বাংলাদেশে আবহাওয়া দফতরের নিখুঁত পূর্বাভাসের কারণে প্রস্তুতি গ্রহণের সময় পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর। পূর্বাভাসের মাধ্যমে জনসাধারণকে সচেতন ও সতর্ক করায় জীবন ও সম্পদহানির পরিমাণ আগের চেয়ে বহুলাংশে কমে গেছে। ইতোপূর্বে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও ফনির ভয়াবহ বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে এই স্যাটেলাইট প্রযুক্তির কারণে।

এবার জেনে নেওয়া যাক আম্পান ঘূর্ণিঝড় কী এবং কীভাবে আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা পূর্বাভাস দেন? ঘূর্ণিঝড় বা ঘূর্ণিবাত্যা হলো ক্রান্তীয় অঞ্চলের সমুদ্রে সৃষ্ট বৃষ্টি, বজ্র ও প্রচ- ঘূর্ণি বাতাস সম্বলিত আবহাওয়ার একটা নিম্নচাপ প্রক্রিয়া। যা নিরক্ষীয় অঞ্চলে উৎপন্ন তাপকে মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত করে। এ ধরনের ঝড় বাতাস প্রবল বেগে ঘুরতে ঘুরতে ছুটে চলে বলে এর নামকরণ হয়েছে ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড়ের ঘূর্ণন উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে। ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হানলে দুর্যোগের সৃষ্টি হয় বটে। কিন্তু এটা আবহাওয়ার একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যা পৃথিবীতে তাপের ভারসাম্য রক্ষা করে। গড়ে পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় ৮০টা ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়।

এর অধিকাংশই সমুদ্রে মিলিয়ে যায়। কিন্তু যে অল্প সংখ্যক উপকূলে আঘাত হানে তা অনেক সময় ভয়াবহ ক্ষতি সাধন করে। বিজ্ঞানীদের মতে, ঘূর্ণিঝড় সাধারণত দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ১৪০ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমাংশের পূর্বে অবস্থিত দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর ব্যতীত সকল উষ্ণম-লীয় সাগর বক্ষে সৃষ্টি হয়।

এ সাগর বক্ষগুলো হল ১. উত্তর ভারত মহাসাগর ২. দক্ষিণ পশ্চিম ভারত মহাসাগর ৩.উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ৪. উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চল ৫. উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল ৬. দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর এবং অস্ট্রেলিয়ার এলাকা। বিভিন্ন সাগর বক্ষে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নাম দেওয়া হয়। তা সত্ত্বেও উৎস, গঠন, আকৃতি ও আচরণের দিক থেকে সকল উষ্ণম-লীয় ঘূর্ণিঝড় প্রকৃতপক্ষে একই। আমাদের বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগরের খুব নিকটবর্তী এবং পাশাপাশি একটা অংশ। অন্যান্য সাগর বক্ষে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের তুলনায় বঙ্গোপসাগর সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা কিছুটা কম হলেও এর চারপাশের দেশগুলোতে জীবন ও সম্পদহানির পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে থাকে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের মানচিত্রে বঙ্গোপসাগরের উপকূল ফানেল আকৃতির।

সমুদ্রের সোপান অগভীর, উচ্চ জ্যোতির্জোয়ার এবং উপকূলের চারপাশে রয়েছে সমতল নিম্নাঞ্চল। বাংলাদেশ ও আশপাশ এলাকায় উষ্ণম-লীয় সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় প্রধানত সৃষ্টি হয় প্রাক-বর্ষা, মধ্য-বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী মৌসুমে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু শুরুর সময় সাধারণত নিম্নচাপ ও গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং এ মৌসুমে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে। এর কারণ মৌসুমি বায়ুর সময় বায়ুম-লের বায়ূর উলম্ব প্রবাহ বেশি থাকে। এছাড়া বায়ুম-লে অস্থিরতার পরিমাণও কম থাকে। উষ্ণম-লীয় সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় একটা উষ্ণ অন্তস্থল বিশিষ্ট লঘুচাপ তন্ত্র, যার চারিদিকে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর কাঁটার দিকে প্রচ-ভাবে আবর্তিত হয়। এর ব্যাস সাধারণত তিনশ’ কিলোমিটার থেকে পনেরশ’ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং এর কেন্দ্রাঞ্চল বা চোখ হালকা বাতাস ও হালকা মেঘ দ্বারা গঠিত।

ঘূর্ণিঝড়ের কাঠামো সম্পর্কে বলা যায়, এর কেন্দ্রের ৬৫-৭০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ গতি বিদ্যমান। এই সর্বোচ্চ গতি সাধারণত ভূপৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্বে প্রায় ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। তারপর থেকে এর মান কমতে থাকে। বায়ুম-লের নিম্নস্তরে ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে একটা খুব সরু উষ্ণ অন্তস্থল বিদ্যমান থাকে যা ৬ কিলোমিটার থেকে ১১ কিলোমিটার উচ্চতায় সবচেয়ে বেশি প্রশস্ত হয়। ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ বাতাসের এলাকায় তাপমাত্রার আনুভূমিক গ্র্যাডিয়েন্ট সবচেয়ে বেশি থাকে এবং পূর্ণতা প্রাপ্তির পর এই গ্র্যাডিয়েন্ট ঘূর্ণিঝড়ের চোখ বেষ্টনকৃত মেঘ-দেয়ালের মধ্যে অবস্থান করে।

ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি, তীব্রতা ও এর গতিপথ নির্ণয় করা হয় ভূপৃষ্ট থেকে বেশ উচ্চ বায়ুম-লের বিভিন্ন প্রকার আবহাওয়া উপাত্ত অঙ্কন, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে। বিভিন্ন সময়ে আবহাওয়ার নানাবিধ উপাদানের বিভিন্ন প্রকার পর্যবেক্ষণের পাঠ নেওয়া হয়। যেমন পর্যবেক্ষণগুলোর নাম হচ্ছে ১। সিনোপটিক পর্যবেক্ষণ ২। পাইলট বেলুন পর্যবেক্ষণ ৩। উইন্ড সাউন্ড পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি। এই পর্যবেক্ষণগুলোর সময়সূচি বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত।

যা বিশ্বের সমস্ত দেশের আবহাওয়া বিভাগ অনুসরণ করে চলেছে। এসব পর্যবেক্ষণ দ্বারা প্রাপ্ত আবহাওয়ার উপাদানগুলো চতুর্মাত্রিক বিশ্লেষণের ফলে ঘূর্ণিঝড়ের কাঠামো ও অবস্থান নিরুপণ করা সম্ভব হয়। এছাড়া এসব উপাত্ত ব্যবহার করে আবহাওয়ার মতিগতি, প্রকৃতি ইত্যাদি নির্ণায়ক বিভিন্ন হাইড্রোডাইন্যামিক্যাল ও ডাইন্যামিক্যাল সমীকরণ সমাধান করে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাব্যতা, তীব্রতা ও গতিপথ নির্ণয় করা হয়। তারপর সময়োচিত সঠিক পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এগুলো ছাড়াও রয়েছে রাডার পর্যবেক্ষণ। ঘূর্ণিঝড় যখন রাডার এর আওতার মধ্যে এসে পড়ে তখন দিন রাত ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং এই পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ নির্ণয় করা হয়।

এই গতিপথ ও আবহাওয়ার উপাত্ত বিশ্লেষণ দ্বারা প্রাপ্ত গতিপথ তুলনা করে সঠিক গতিপথের পূর্বাভাস দেওয়া হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের অধীনে বর্তমানে ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্চ বিশিষ্ট তিনটি অত্যাধুনিক কম্পিউটারযুক্ত রাডার রয়েছে। এই রাডারের সাহায্যে ঘূর্ণিঝড়ের মেঘরাশি কেমন করে আবর্তিত হচ্ছে, মেঘরাশির উচ্চতা এবং এর গতি কোন দিকে তা সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়।

রাডারের চিত্র থেকে ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ বাতাসের গতি এবং ঘূর্ণিঝড়ের গতি নির্ণয় করা সম্ভব। অর্থাৎ এই রাডারের সাহায্যে ঘূর্ণিঝড়ের ত্রিমাত্রিক ধারণা পাওয়া সম্ভব। এছাড়া এখন ঘূর্ণিঝড়ের চিত্র বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমেও পাওয়া যায়। ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা ও গতিপথ পূর্বাভাসের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে যা বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরসহ উষ্ণম-ল অঞ্চলের প্রতিটা দেশের আবহাওয়া বিভাগ যথাযথভাবে অনুসরণ করে থাকেন। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ঘূর্ণিঝড়ের যে পূর্বাভাস দেয় তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ বাংলাদেশ। এদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রতিবছর এ অঞ্চলকে ঘূর্ণিঝড় ‘চ্যানেল’ হিসেবে বেছে নেয়।

আবহমান কাল থেকেই এমন ভৌগোলিক ও আবহাওয়াগত দুর্যোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে বসবাস করে আসছে বাংলার মানুষ। বাংলার মানুষের জানমাল রক্ষায়, ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করতে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান উপকূলে ১৭২টি সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করেছিলেন। উপকূলের মানুষ এর নাম দেয় মুজিব কেল্ল­া। তারই আলোকে শেখ হাসিনা সরকার ইতোমধ্যে ৩৭৮টি মুজিব কেল্ল­া, আর ৩৮৬৮টি বহুমুখী সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করে। আরও ১৬৫০টি সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করার প্রস্তুতি চলছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পান ধেয়ে আসার সময়কাল এবার করোনাকাল হওয়ায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে ৫১ লাখ ৯০ হাজার মানুষের জন্য ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে সরকার। শুধু তাই নয়। মাস্ক পরে আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে মাইকিং করে সবাইকে জোরালো নির্দেশনা দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবকরা।

এদিকে দুর্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত রয়েছে ৫৬ হাজার প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক। এর মধ্যে ৩২ হাজার নগর স্বেচ্ছাসেবক, ২৪ লাখ আনসার ভিডিপি, ১৭ লাখ স্কাউটস, ৪ লাখ বিএনসিসি আর গার্লস গাইডের প্রায় ৪ লাখ সদস্য তো রয়েছেই। যারা সবাই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং যেকোনো দুর্যোগের সময় উপস্থিত হয়ে কাজ করে থাকে। এতসব সুবিধার কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগে আজকাল যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়ে থাকে। তাই বিশ্বে বাংলাদেশ শুধু উন্নয়নের রোল মডেলই নয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলাতেও রোল মডেলের সম্মান অর্জন করেছে। তবে এদেশের জনসাধারণ আবহাওয়া সচেতন হলে আগামী দিনে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো কমে যাবে।

 

শেখ আনোয়ার : বিজ্ঞান লেখক ও গবেষক

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

xposure7@gmail.com