ছোট কাঁধে বড় ব্যাগের ভার

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬

ছোট কাঁধে বড় ব্যাগের ভার

আবু আফজাল সালেহ ৯:৪৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২০

print
ছোট কাঁধে বড় ব্যাগের ভার

শহরের একটি সচরাচর একটি দৃশ্য, ব্যাগের ভারে হয়তো কুঁজো হয়ে হাঁটছে শিশুটি, নয়তো ছেলেমেয়ের ভারী ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে চলেছেন তাদের বাপ-মা কিংবা অভিভাবক। পথ চলতে দেখা যায়, স্কুলগামী বা স্কুলফেরত ছোট ছোট শিশুদের ঘাড়ে ঝুলছে বড় ব্যাগ। বইয়ের সমাহার। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, খেলাচ্ছলেই শিখবে শিশুরা।

আনন্দ-খুশির মধ্য দিয়ে মনের অজান্তেই শিখবে। পড়াশোনায় আনন্দ থাকবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি কিন্তু তা বলে না। স্কুল বা কোচিং যাওয়া-আসায় বইয়ের পাহাড় আর পড়াশোনার চাপ। মায়েদের তাগাদা সবচেয়ে বেশি। সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ। অনেক ক্ষেত্রে আমরা উল্টোপথে যেতে পছন্দ করি। শিক্ষাক্ষেত্রেও তাই। প্রাইমারিতে বইয়ের চাপ বেশি, মাধ্যমিকে তুলনামূলক কম। কলেজে অনেক কম। বিশ^বিদ্যালয়ে লেকচারশিট নিয়ে গেলেই হয়। অর্থাৎ ক্রমান্বয়ে বইয়ের বোঝা কমছে। কিন্তু উল্টাটাই হওয়ার কথাই ছিল।

দেখা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন নামকরা স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিশুর ব্যাগের ওজন তিন কেজির বেশি। আবার ইংলিশ ভার্সনে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ব্যাগের ওজন গড়ে চার কেজির বেশি। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ব্যাগের ওজন পাঁচ কেজির বেশি। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন অন্যকথা। তাদের মতে, পাঁচ বছরের একটি ছেলে শিশুর আদর্শ ওজন ১৮ দশমিক ৭ কেজি, আর মেয়ের ১৭ দশমিক ৭ কেজি।

ছয় বছরের একটি ছেলে শিশুর আদর্শ ওজন ২০ দশমিক ৬৯ কেজি আর মেয়ের ১৯ দশমিক ৯৫ কেজি। সে হিসেবে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ব্যাগের ওজন তার শরীরের ওজনের ১০ শতাংশ অর্থাৎ সর্বোচ্চ ২ কেজি হওয়ার কথা। সেখানে ঢাকার খ্যাতনামা বিভিন্ন স্কুলে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ব্যাগের ওজন পাওয়া গেছে সর্বনিম্ন তিন কেজি থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে পাঁচ কেজি।

যদিও বই জীবনীশক্তি সঞ্চার করে, মনের ক্ষুধা মেটায়, অন্তর্চক্ষু খুলে দেয়। অসংখ্য চোখ প্রস্ফুটিত হওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে বই। জগতের ইতিহাস-ঐতিহ্য, নীতি-আদর্শ, কৃষ্টি-সভ্যতা, সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ তাবৎ জ্ঞান বইয়ের মধ্যে থাকে। কিন্তু আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বই পড়ছে কি? বই পড়ার চর্চা না থাকলে কীভাবে ওদের অন্তর্চক্ষু প্রস্ফুটিত হবে! এখনকার শিশুরা ছড়া-কবিতা-গল্পের বই পড়েই না বলা চলে। এ দায় পুরোপুরি শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। পাঠ্যবইয়ের চাপেই শিশুদের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।

এর সঙ্গে আবার যোগ হয় অসংখ্য অনুমোদনহীন বইয়ের বোঝা। এসব বইয়ের চাপ সামলে শিশুরা ছড়া, কবিতা আর গল্পের বই পড়বে কখন! কিন্তু স্কুল, কোচিং আর গৃহশিক্ষকের চাপে চিঁড়ে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া শিশুদের কাছে গল্পের বই পড়া যেন বিলাসিতা। কিন্ডারগার্টেন আর ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোতে চলছে নৈরাজ্য। এদের সামলানোর কেউ নেই। প্রি-প্রাইমারি স্তরেই শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় ছয় সাতটি বইয়ের বোঝা। কিন্তু কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বই কমতে থাকে।

একদিকে বাড়তি বই পড়ার চাপ অন্যদিকে কোচিংয়ের জন্য চাপ- এসব সহ্য করতে না পেরে শিশুরা প্রায়ই অসুস্থ হচ্ছে। বই, খাতা, কলম, পানির বোতল, খাবারসহ প্রত্যেক শিশুর বিশাল ব্যাগ বহন করতে হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি পার হলেই শুরু হয় অনুমোদনহীন বই পড়ানোর চাপ। প্রত্যেক শ্রেণিতে সরকার অনুমোদিত বইয়ের বাইরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাপিয়ে দেওয়া বই পড়তে বাধ্য হয় শিশুরা।

বিশেষত শহরাঞ্চলের কিন্ডারগার্টেন ও প্রাথমিক স্তরের শিশুদের ওপর অতিরিক্ত বই চাপিয়ে দিচ্ছে বেসরকারি নামি-দামি স্কুলগুলো। কিন্ডারগার্টেনে শিশুদের ১৩-১৪টি বিষয় চাপিয়ে দেওয়া হয়। এখন গ্রামাঞ্চলেও অসংখ্য কিন্ডারগার্টেন (কেজি) স্কুল হয়ে গেছে।

এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান কোচিংনির্ভর হয়ে গেছে। আমাদের দেশে ছোট ছোট শিশুদের একাদিক ভাষার শিক্ষা দেওয়া হয়। বাংলা ও ইংরেজি তো আছেই। সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষা। এখানে আরবি বা সংস্কৃতি ভাষাও শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। তাহলে দেখা যায় কমপক্ষে তিন ভাষা চলমান রয়েছে। এ ছাড়া বিজ্ঞানের বিভিন্ন টার্ম তো আছেই। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে শিশুর মনে ভাষা গ্রহণ করার ক্ষমতাও। একসঙ্গে একাধিক ভাষার শিক্ষাগ্রহণ মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্বল্প মেয়াদে কয়েকটি ভাষা শেখানো হলেই তা কাজে লাগবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই কিন্তু।

ছোটদের বড় পরীক্ষা দুটো। প্রাথমিক সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি)। দুটো পরীক্ষারই অবসান হওয়ার দরকার। প্রধানমন্ত্রীও নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু কঠোর বাস্তবায়ন চাই। প্রধানমন্ত্রী আরও একটি নির্দেশনা দিয়েছেন সম্প্রতি। তিনি বলেছেন, শাখা (বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসা প্রভৃতি) মাধ্যমিকে হবে না। উচ্চমাধ্যমিকে হতে হবে। এটা বাস্তবায়ন করা গেলে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে। ছোট শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার মানসিক চাপে থাকে। মূলত বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অবিভাবকরাই এ চাপ সৃষ্টি করে থাকেন।

পরীক্ষা ও বইয়ের সংখ্যা বেশি হলেও শিক্ষার গুণগত মান বাড়ছে না। দেখা যায় সর্বোচ্চ জিপিএ পেয়েও অনেকে প্রাথমিক জ্ঞান রাখে না। অনেকটা মুখস্থনির্ভর। এ থেকে অবসান দিতেই হবে। এজন্য বইয়ের চাপ বা পড়াশোনার চাপ কমিয়ে দিতে হবে। গল্প বা অন্যান্য বই পড়ার সুযোগ করে দিতে হবে। খেলাধুলা বা অবসর-বিনোদনের পথ অবারিত করতে হবে। প্রচলিত শিক্ষাপদ্ধতিতে কোনোভাবেই এগুলো সম্ভব নয়। রাশি রাশি পাঠ্যবই আর আনুষঙ্গিক বইয়ের বোঝা না পারছে শিশুদের কাক্সিক্ষত যোগ্যতা এনে দিতে, না পারছে মনোজগতের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে।

শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সেজন্য উন্নত বিশ্ব বা পাশের দেশ ভারতও শিশুদের ওপর থেকে বইয়ের চাপ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। শ্রেণি অনুসারে বইয়ের সংখ্যা কমানোর পাশাপাশি ভারত শ্রেণিকক্ষে বইবিহীন শিক্ষা প্রকল্প শুরু করেছে। বই কমানো বা পড়াশোনার চাপ কমানোর ব্যাপারে আদালতও রায় দিয়েছেন। কিন্তু আজো পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে কেজি স্কুল ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যবসাকেন্দ্রের মতো হয়ে গেছে। সরকারকে বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখানে নিয়ন্ত্রণ আনতে কঠোর হতেই হবে। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। আপাতত আর কিছু না হোক অন্তত অনুমোদনবিহীন বইয়ের চাপমুক্ত করতে হবে। আনন্দ যুক্ত হোক শৈশবে।

আমাদের কেজি স্কুলগুলোর দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির একটি শিশুকে যেসব বিষয় পড়ানো হয়, সেসব বিষয়ের প্রশ্ন আমার ধারণা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাতেও আসে না। কিন্তু শিশুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিভিন্ন সাজেশন্স বা মডেল পরীক্ষার মাধ্যমে এ চাপ বাড়ানো হয়।

এর নেতিবাচক ফল হবেই। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বয়স, মেধা ও গ্রহণক্ষমতা অনুযায়ী বোর্ড যে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করছে, তা উপেক্ষিত হচ্ছে। ক্লাসের বাইরের বিভিন্ন বই কিনতে গিয়ে অভিভাবকদের খরচও বেড়ে যাচ্ছে। বাড়তি বই মানে বেশি বেশি পড়া এবং বেশি বেশি পরীক্ষা। এতে করে শিশুদের কোমল মনে পরীক্ষাভীতি চেপে বসছে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা দিনে দিনে যেন শুধু পরীক্ষাকেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের বছরের প্রায় পুরোটা সময় ব্যয় করতে হচ্ছে পরীক্ষার পেছনে। এতে শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

দেখা গেছে, শিক্ষকরা ক্লাসে এত বইয়ের পড়া ঠিকমতো পাঠদান করতে পারছেন না। ফলে অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে ছুটছেন বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে। কেউবা বাড়িতেই রাখছেন একাধিক গৃহশিক্ষক। শিক্ষার্থীরা নাওয়া-খাওয়ার সময়ও পায় না ঠিকমতো। সঙ্গে মা-বাবা বা অভিভাবকদের অবস্থাও তথৈবচ। স্কুল-কোচিং-মডেল টেস্ট নিয়ে সারা দিন তাদের গলদঘর্ম অবস্থা। আর একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। প্রায় সব অভিভাবকই তার বাচ্চাকে ক্লাসের প্রথম/দ্বিতীয় অবস্থানে দেখতে চান। বিশেষ করে বাচ্চার মায়েদের অদম্য বাসনা এটি।

এর জন্য অনেক অনেক অভিভাবক আছেন, যারা বেশি হোমওয়ার্ক দেওয়া শিক্ষক, সারা বছর পরীক্ষা নেয় এমন স্কুল এবং কোচিং সেন্টার ও গৃহশিক্ষকদের পছন্দ করেন। তারা মনে করেন বেশি বেশি পড়াশোনা করলেই বাচ্চার শিক্ষাজীবন ভালো হবে, ভালো চাকরি হবে। সারাক্ষণ পড়াশোনা, কোচিং ও ঘন ঘন পরীক্ষার (মডেল নামে অনেক পরীক্ষা এখন) বাড়তি চাপ শিশুদের কাছ থেকে তাদের শৈশবের আনন্দ কেড়ে নিচ্ছে, তাদের মানসিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিনিয়ত ভারী বইয়ের বোঝা কাঁধে বহন করার কারণে শিশুরা আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওপোরোসিসের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এটির নেতিবাচক প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে রাজধানীতে। অনেক শিশু কাঁধে ব্যথায় ভুগছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকরা শিশুদের রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে শিশুসন্তানকে নিয়ে যান চিকিৎসকের কাছে। এটা কিন্তু বড় ব্যাগ ঘাড়ে ঝুলিয়ে রেখে ছুটছে। অনেক সময় ল্যাপটপের ব্যাগ হাড়ে ঝুলিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করলে কাঁধে ব্যথা হয় বড়দেরও। আর শিশুদের ছোট কাঁধে একাধিকবার বড় ব্যাগ উঠছে। এবং অনেক দূর বা অনেক সময় ধরে ঝুলছে। এতে শিশুদের মধ্যে পিঠে ব্যথার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভার বহন করা উচিত নয়। এতে শিশুদের পিঠ ও পায়ে ব্যথাসহ বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুরা হয়ে যেতে পারে বামন বা খর্বাকৃতির। প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া-আসা দুবার করে ব্যাগ টানতে গিয়ে এসব শিশু শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে গিয়ে কখনো কখনো বেঁটে হওয়ার কারণ হতে পারে।

ভারতে শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর বইয়ের চাপ কমাতে কাজ শুরু হয়েছে অনেক আগেই। অথচ বাংলাদেশে চাপ কমানোর পরিবর্তে যেন দিন দিন শিশুদের ওপর চাপ বাড়ানোই হচ্ছে। অথচ শিশুদের বইয়ের বোঝা কমাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুবার নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে আছে উচ্চ আদালতের রায়ও। প্রায় তিন বছর আগে এক রায় দিয়ে একটি আইন প্রণয়নের নির্দেশনাও দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীর শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী ব্যাগ বহন করা যাবে না বলে রায় দিয়েছিলেন আদালত। শিক্ষাবিদ ও চিকিৎসকরা শিশুদের ওপর থেকে বইয়ের বোঝা কমানোর তাগিদ দিয়ে বলেছেন-যেকোনো উপায়ে বইয়ের সংখ্যা কমানো জরুরি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদনহীন বই চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে নিতে হবে কঠোর পদক্ষেপ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হতে হবে।

আবু আফজাল সালেহ : প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক
abuafzalsaleh@gmail.com